school education

পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকছে স্কুল! আদৌ চালু রাখা উচিত কি না প্রশ্ন তুললেন সুকান্ত, স্কিল এডুকেশনে জোর

শিক্ষামহলের দাবি, গত দশক থেকেই গোটা রাজ্যে স্কুল বন্ধের প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। বিগত সরকারি উদাসীনতা এবং নীতিকেই দায়ী করে শিক্ষকদের একাংশ দাবি করেন, পড়ুয়ার অভাব থাকা স্কুলগুলিকে পুরোপুরি বন্ধ না করে বরং পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করুক সরকার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৩ জুলাই ২০২৬ ১৯:৩০
কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার।

কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রী সুকান্ত মজুমদার। ছবি : ফাইল চিত্র।

পড়ুয়াসংখ্যা ৩০-এর কম হওয়ায় বন্ধ হয়ে গিয়েছে স্কুল। তৃণমূল আমলে আট হাজারেরও বেশি স্কুল এই ভাবে বন্ধ হয়েছে বলে অভিযোগ। ভোটের আগে বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য এই সিদ্ধান্তের বিরোধিতা করেছিলেন। নতুন ক্ষমতায় এসে বিজেপি সরকার জানিয়েছিল তারা সরকারি ও সরকারপোষিত স্কুলগুলির উন্নতির ভাবছে। কিন্তু বিজেপি নেতা, কেন্দ্রীয় শিক্ষা প্রতিমন্ত্রীর কথায় এ বার ঘনিয়ে উঠল সন্দেহ।

Advertisement

শুক্রবার কলকাতায় এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে সুকান্ত মজুমদার বলেন, “পড়ুয়ার অভাবে ধুঁকতে থাকা স্কুলগুলি চালিয়ে নিয়ে যাওয়া কতটা যুক্তিসঙ্গত, তা নিয়ে আলোচনার প্রয়োজন রয়েছে।” যদিও স্কুলশিক্ষা মন্ত্রী দীপক বর্মন এর আগে জানিয়েছিলেন, গোটা রাজ্যে যেখানে পড়ুয়া-শিক্ষকের সংখ্যায় অসামঞ্জস্য রয়েছে, সেখানে সামঞ্জস্য বিধানের চেষ্টা করতে হবে।

শিক্ষামহলের দাবি, গত দশক থেকেই গোটা রাজ্যে স্কুল বন্ধের প্রবণতা দেখা গিয়েছিল। বিগত সরকারি উদাসীনতা এবং নীতিকেই দায়ী করে শিক্ষকদের একাংশ দাবি করেন, পড়ুয়ার অভাব থাকা স্কুলগুলিকে পুরোপুরি বন্ধ না করে বরং পুনরুদ্ধারের চেষ্টা করুক সরকার।

শুক্রবার সুকান্ত মজুমদার জানান, শিক্ষাক্ষেত্রে কোনও রকম অনিয়ম মানা হবে না। তিনি বলেন, “স্কুলে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মী নিয়োগ হবে। বিজেপির কোনও নেতাকে এক টাকাও ঘুয দিতে হবে না। নিজের যোগ্যতায় পরীক্ষা দিয়ে চাকরি পাবেন।’’ স্কুল-সহ শিক্ষার সার্বিক উন্নতিতে স্কিল এডুকেশনের পক্ষে সওয়াল করেন সুকান্ত। ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন অর্থমন্ত্রী স্বপন দাশগুপ্তও।

স্বপন দাশগুপ্ত দাবি করেন, এ রাজ্যে শিক্ষায় দক্ষতাভিত্তিক জ্ঞানার্জনের সুযোগ কমে যাচ্ছে। তা বৃদ্ধি করতে হবে। সুকান্তও সে কথায় সায় দিয়ে বলেন, “বর্তমানে একজন পড়ুয়ার ডিগ্রি পাওয়ার থেকেও বেশি প্রয়োজন হাতে-কলমে কাজ জানা। তার উপর ভিত্তি করেই পেশার দিগন্ত উন্মোচিত হবে।” একই ভাবে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়ামে সুকান্ত জানান, অষ্টম শ্রেণি থেকেই পড়ুয়াদের স্কিল এডুকেশনে জোর দেওয়া উচিত।

Advertisement
আরও পড়ুন