SIR Duty During Exams

শিক্ষকদের সঙ্গে এসআইআর-এ স্কুল পরিদর্শকেরাও! পরীক্ষা আবহে নির্বাচন কমিশনে চিঠি দিচ্ছে রাজ্য

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:০৮
নিজস্ব চিত্র।

নিজস্ব চিত্র।

হাতে আর দিন দশেক সময়। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হতে চলেছে মাধ্যমিক। এরই মধ্যে শিক্ষকদের পাশাপাশি এসআইআর-এর কাজে ব্যস্ত হয়ে যাচ্ছেন জেলা স্কুল পরিদর্শকেরাও। কী ভাবে সামাল দেওয়া যাবে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের মতো পরীক্ষা! মাথায় হাত কর্তৃপক্ষের। তাই নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি দিতে চলেছে রাজ্য শিক্ষা দফতর। সোমবার নবান্নে বৈঠকের পর সিদ্ধান্ত হয়েছে এমনই।

Advertisement

শিক্ষকদের পর ভোটার তালিকার নিবি়ড় সংশোধনের (এসআইআর) কাজে জুড়ে নেওয়া হচ্ছে জেলা স্কুল পরিদর্শকদেরও। নির্বাচন কমিশনের তরফে তাঁদের অ্যাসিস্ট্যান্ট ইলেক্টোরাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার বা এইআরওএস হিসাবে নিয়োগ করা হচ্ছে। এ নিয়ে উদ্বিগ্ন স্কুল শিক্ষা দফতর। সোমবার নবান্নে মুখ্য সচিব নন্দিনী চক্রবর্তীর নেতৃত্বে মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষার প্রস্তুতি নিয়ে উচ্চ পর্যায়ের বৈঠক হয়। তার পরই নির্বাচন কমিশনকে চিঠি লেখার সিদ্ধান্ত স্কুল শিক্ষা দফতরের।

যে সব জেলা পরিদর্শক এবং শিক্ষকেরা নির্বাচনী কাজে যুক্ত মাধ্যমিক পরীক্ষা চলাকালীন তাঁদের ছাড় দেওয়ার আর্জি জানানো হয়েছে, যাতে ওই সময় তাঁরা পরীক্ষার কাজে যোগ দিতে পারেন। ২ ফেব্রুয়ারি থেকে ১২ই ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রাজ্যে প্রায় ১০ লক্ষ পড়ুয়া মাধ্যমিক পরীক্ষা দেবে। এই পরীক্ষায় সেন্টার ইনচার্জ, ভেন্যু ইনচার্জের মতো দায়িত্ব পালন করেন স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে থাকা জেলা স্কুল পরিদর্শকেরা।

ফলে মাধ্যমিক পরীক্ষার সময় তাঁরা যদি এসআইআর-এর শুনানিতে ব্যস্ত থাকেন, তা হলে পরীক্ষা ব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তাই মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের কাছে চিঠি লিখে বিশেষ আর্জি জানাতে চলেছে শিক্ষা দফতর।

এ দিকে, মাধ্যমিক শেষ হতে না হতেই উচ্চ মাধ্যমিক শুরু হতে চলেছে ১২ ফেব্রুয়ারি, চলবে ২৭ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। সেখানে পরীক্ষার্থীর সংখ্যায় ৬ লক্ষেরও বেশি। এ দিনের বৈঠকে স্থির হয়েছে, পরীক্ষা শুরুর তিন দিন আগে থেকে তা শেষ না হওয়া পর্যন্ত লাউডস্পিকার ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা থাকবে। পরীক্ষাকেন্দ্রের ১০০ মিটারের মধ্যে ফোটোকপির দোকান বন্ধ রাখাতে হবে। প্রশাসন যেন বিষয়গুলি যথাযথ ভাবে নিয়ন্ত্রণ করে তার উল্লেখও করা হয়েছে বৈঠকে। কোনও পড়ুয়া নকল বা গোলমাল করার চেষ্টা করলে, তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে জানানো হয়ছে পর্ষদ এবং শিক্ষা সংসদের তরফে।

Advertisement
আরও পড়ুন