Deputation

মহার্ঘ ভাতা-সহ একাধিক দাবি! স্কুলশিক্ষা দফতরে এবং নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ শিক্ষকেরা

এ দিনের বৈঠক সদর্থক হয়েছে বলে দাবি এই সংগঠনের। তাঁদের দাবি দফতর থেকে আশ্বাস দেওয়া হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ১০ এপ্রিল ২০২৬ ১৭:৫১
বিকাশ ভবনে সংগঠনের সদস্যেরা ।

বিকাশ ভবনে সংগঠনের সদস্যেরা । ছবি: সংগৃহীত।

বহু সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হওয়ার অভিযোগ। নির্বাচনে তার প্রত্যক্ষ প্রভাব পড়বে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শিক্ষকেরা। এ বার শিক্ষা দফতরে এবং নির্বাচন কমিশনে লিখিত ভাবে দাবি ও প্রতিবাদ জানাল শিক্ষক সংগঠন নিখিলবঙ্গ প্রাথমিক শিক্ষক সমিতি। শুক্রবার বিকাশ ভবনে এবং নির্বাচন কমিশনের দফতরে তারা স্মারকলিপি দেয়।

Advertisement

সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক ধ্রুবশেখর মণ্ডল জানান, সুপ্রিম কোর্ট বকেয়া মহার্ঘ ভাতা প্রদানের জন্য নির্দেশ দিলেও রাজ্য সরকার সেটা এখনও পর্যন্ত দেয়নি। পাশাপাশি বিধানসভায় ঘোষিত ৪ শতাংশ মহার্ঘ ভাতাও তাঁরা পাননি। পাশাপাশি রাজ্যের স্বাস্থ্য প্রকল্পে শিক্ষকদের অন্তর্ভুক্ত করতে হবে বলে দাবি তোলা হয়েছে।

পাশাপাশি তিনি জানান, নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে শিক্ষকেরা রাজনৈতিক প্রচার করতে পারবেন না। এই নির্দেশিকা অবিলম্বে প্রত্যাহার করার দাবিও এ দিন জানানো হয়।

ইতিমধ্যেই শিক্ষকেরা জানিয়েছেন, বঞ্চিতদের তালিকায় শিক্ষকেরা সবার উপরে। তা সে মহার্ঘ ভাতা হোক বা অন্য কোনও সুবিধা। এ ভাবে শিক্ষকসমাজের মধ্যে সরকারের প্রতি যে বিরূপ প্রতিক্রিয়া তৈরি হচ্ছে সেটা সরকারের পক্ষে মোটেই ভাল নয়। বিধানসভায় বাজেটে যে ভাতা পাশ হয়েছে সেটা ১ এপ্রিল থেকে কার্যকর হওয়ার কথা। মে মাসের বেতনে সেই বর্ধিত ৪ শতাংশ ভাতা যুক্ত হওয়ার কথা। কিন্তু এখনও তার কোনও নির্দেশিকা প্রকাশিত না হওয়ায় আশাহত এবং ক্ষুব্ধ শিক্ষকেরা।

এ দিন ধ্রুবশেখর জানান, বিকাশ ভবনে এক কর্তার সঙ্গে সদর্থক আলোচনা হয়েছে। আশ্বাস দিয়েছেন যে মহার্ঘ ভাতা পাওয়া যাবে। তার প্রক্রিয়া চলছে। তবে স্কুলশিক্ষা দফতর সূত্রে জানা গিয়েছে যে শিক্ষক ও শিক্ষাকর্মীদের তালিকা তৈরির কাজ চলছে। কিন্তু যতক্ষণ না পর্যন্ত সব প্রক্রিয়া শেষ না হয় ততদিন আর ভরসা রাখতে পারছেন না শিক্ষকেরা।

Advertisement
আরও পড়ুন