সুপ্রিম কোর্ট। ছবি: সংগৃহীত।
সিবিএসই-র নবম শ্রেণির স্কুলপড়ুয়াদের তিনটি করে ভাষা শিখতে হবে। কোন যুক্তিতে এই নির্দেশিকা জারি করা হল? তার বিশদ ব্যাখ্যা দেওয়ার নির্দেশ দিল শীর্ষ আদালত। সম্প্রতি বোর্ডের জারি করা ওই নির্দেশিকার বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিভাবক ও পড়ুয়ারা। দায়ের হয়েছে জনস্বার্থ মামলা।
মামলার শুনানিতে প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের নেতৃত্বাধীন ডিভিশন বেঞ্চ নির্দেশ দেয়, প্রস্তাবিত ভাষা নীতির বৈধতা যাচাই করা হবে। একই সঙ্গে ওই নির্দেশিকা জারি করার পক্ষে বিশদ ব্যাখ্যা কেন্দ্র, সিবিএসই এবং ন্যাশনাল কাউন্সিল অফ এডুকেশনাল রিসার্চ অ্যান্ড ট্রেনিং (এনসিইআরটি) -কে দিতে হবে। এই মামলার পরবর্তী শুনানি জুলাই মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে হতে চলেছে।
শুনানি চলাকালীন ডিভিশন বেঞ্চের তরফে অ্যাডিশনাল সলিসিটর জেনারেল ঐশ্বর্য ভাটিকে প্রস্তাবিত ভাষা নীতিটি বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে কী কী প্রয়োজনীয় পরিকাঠামোগত প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছিল, সেই বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
আবেদনকারীদের পক্ষে এ দিন আইনজীবী মুকুল রোহতগী সওয়াল করেন। তিনি বলেন, “২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষ থেকেই পড়ুয়াদের তিনটি ভাষা শেখার কথা বলা হয়েছে। অথচ নতুন ভাষা শেখার জন্য প্রয়োজনীয় পাঠ্য বই বাজারে সহজলভ্য নয়। সে ক্ষেত্রে ওই নীতি কী ভাবে বাস্তবায়িত হবে এবং কতটা কার্যকর প্রভাব ফেলতে পারবে, তা উদ্বেগ সৃষ্টি করছে।”
জাতীয় শিক্ষানীতি ২০২০ অনুযায়ী, দু’টি দেশীয় ভাষাশিক্ষার উপর জোর দিতে তৎপর কেন্দ্র। সেই অনুযায়ী ১৫ মে সিবিএসই নির্দেশিকা জারি করে। তাতে বলা হয়, ২০২৬-২০২৭ শিক্ষাবর্ষেই নবম শ্রেণির পরীক্ষায় মোট তিনটি ভাষার মূল্যায়ন করা হবে। যদিও দশমের চূড়ান্ত পরীক্ষায় তৃতীয় ভাষাটির পরীক্ষা দিতে হবে না বলেই জানানো হয়েছিল।