Jadavpur University teacher assault

শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনায় চিহ্নিত বহিরাগত-সহ তিন ছাত্র! কড়া পদক্ষেপ যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে

২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যার কাছে যা তথ্য বা প্রমাণ আছে ওই দিনে ঘটনা নিয়ে, মুখ বন্ধ খামে জমা দিতে হবে তদন্ত কমিটির কাছে। তবে তার আগেই সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়েছে চারজনকে। জানা গিয়েছে, তিন পড়ুয়াকে দু’সপ্তাহ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৯:০৩

শিক্ষক নিগ্রহের ঘটনায় চিহ্নিত চারজনের বিরুদ্ধে কড়া পদক্ষেপ করল যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়। তিন পড়ুয়ার বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে। ঘটনায় এক বহিরাগতও জড়িত বলে জানা গিয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধেও কড়া পদক্ষেপ করা হয়েছে।

Advertisement

গত ২০ ফেব্রুয়ারি, আইসিসি নির্বাচনের প্রচার ঘিরে সংঘর্ষে জড়ায় দু’দল ছাত্র। অশান্তির থামাতে গেলে প্রহৃত হন অধ্যাপক রাজ্যেশ্বর সিংহ এবং ললিত মাধব। কর্তৃপক্ষের তরফে গঠন করা হয় পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি। ২৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যে যার কাছে যা তথ্য বা প্রমাণ আছে ওই দিনে ঘটনা নিয়ে, মুখ বন্ধ খামে জমা দিতে হবে তদন্ত কমিটির কাছে। তবে তার আগেই সিসি ক্যামেরা ফুটেজ দেখে চিহ্নিত করা হয়েছে চারজনকে। জানা গিয়েছে, তিন পড়ুয়াকে দু’সপ্তাহ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে।

জানা গিয়েছে, তিন পড়ুয়াকে দু’সপ্তাহ বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে ঢুকতে নিষেধ করা হয়েছে। বহিরাগত ছাত্রের বিরুদ্ধে অনির্দিষ্ট কালের জন্য নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। এমনকি ওই ছাত্র ভবিষ্যতে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনও কোর্সেও ভর্তি হতে পারবেন না।

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, স্নাতক স্তরের দর্শন বিভাগের পড়ুয়া রোহন বল, আন্তর্জতিক সম্পর্ক বিভাগের স্নাতকোত্তর ছাত্র জাহিদ রহমান খান ও অর্থনীতি স্নাতকের ছাত্র আসমিল আবদুল মাজিদকে চিহ্নিত করা হয়েছে শুক্রবারের ঘটনায়। মাজিদ গত পাঁচ বছর ধরে অর্থনীতি বিভাগের ছাত্র বলে জানা গিয়েছে। এ ছাড়াও সাগ্নিক সাহা নামে এক বহিরাগতের বিরুদ্ধেও অভিযোগ রয়েছে। তিনি যাদবপুর থেকে তুলনামূলক সাহিত্য এবং ফিল্ম স্টাডিজ় নিয়ে পড়াশোনা করেছেন। এই মুহূর্তে তাঁর সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের যোগ নেই।

এর আগেই ঘটনায় কড়া পদক্ষেপের দাবি তুলেছিলেন পড়ুয়া ও শিক্ষকদের একাংশ। এমনকি অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে যথোপযুক্ত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে কর্মবিরতির ডাক দিয়েছিল শিক্ষক সংগঠনগুলি। তারই প্রেক্ষিতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

Advertisement
আরও পড়ুন