— প্রতীকী চিত্র।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের পিএইচডি-তে ভর্তি নিয়ে ফের বিতর্ক শুরু হল। আবেদনকারীদের একাংশের অভিযোগ, নিয়ম বহির্ভূত ভাবে কয়েকজনকে সুযোগ করে দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের তরফে। বঞ্চিত হয়েছেন তাঁরা।
আবেদনকারী একাংশের অভিযোগ, গত ৩০ এপ্রিল যে তালিকা প্রকাশিত হয়েছে সেখানে রাজনৈতিক ভাবে প্রভাবশালী কয়েকজনকে রেখে দেওয়া হয়েছে। এই ঘটনার তদন্তের দাবি তুলেছেন তাঁরা। মঙ্গলবার ফের বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য চিরঞ্জীব ভট্টাচার্যের কাছে সমস্যা সমাধানের দাবি তুলেছেন।
আবেদনকারীদের দাবি, গবেষণার মতো স্তরে পছন্দের প্রার্থীদের বাড়তি সুযোগ করে দেওয়া যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্ষেত্রেও অবমাননাকর। এতে মেধার সঙ্গে আপোস করা হচ্ছে। মঙ্গলবার তাঁরা উপাচার্যের কাছে লিখিত ভাবে অভিযোগ করেন। এর আগেও ৫ মে একটি স্মারকলিপি দেওয়া হয়েছিল। নেট বা সেটের ভিত্তিতে এবং ইন্টারভিউতে যে স্কোর পাওয়া যায় সেটাও যথাযথ ভাবে প্রকাশের দাবি জানানো হয়েছে। ওই অভিযোগ পত্রে এক আবেদনকারী উল্লেখ করেছেন যে তিনি জানতে পেরেছেন তথ্য গোপন করার অপরাধে এক প্রার্থীকে ভর্তি নেওয়া হয়নি। অথচ ফের তাঁকে ১০ দিন অতিরিক্ত সময় দেওয়া হয়েছে। তথ্য গোপন করার অভিযোগে ওই দুই প্রার্থীর আবেদন বাতিল করার দাবি জানান ওই আবেদনকারীরা।
বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রের খবর, এর আগেও আন্তর্জাতিক সম্পর্কের পিএইচডি-র ক্ষেত্রেও এই রকমের অভিযোগ উঠেছিল। ফের বাংলা বিভাগের এই অভিযোগ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের অন্দরে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। কর্তৃপক্ষের তরফে এ দিন জানানো হয়েছে যে বিষয়টি গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। দ্রুত কোনও পদক্ষেপ নেওয়া হবে।