West Bengal Assembly Election 2026

সুপ্রিম কোর্টের শো কজ় থেকে জ্ঞানেশের ভর্ৎসনা! মালদহ নিয়ে দিনভর কাঠগড়ায় পুলিশ, শেষ পর্যন্ত তদন্তভার এনআইএ-কে

মালদহের ঘটনায় রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত, মালদহের জেলাশাসক (ডিএম) এবং পুলিশ সুপার (এসপি)-কে শো কজ় করা হয়েছে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০২ এপ্রিল ২০২৬ ২২:৫৯
(বাঁ দিকে) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (ডান দিকে)।

(বাঁ দিকে) সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (ডান দিকে)। গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধনের প্রক্রিয়ায় নাম বাদ পড়ার অভিযোগে মালদহে বুধবার রাতে যে অশান্তি হয়েছে, তাতে বৃহস্পতিবার দিনভর কাঠগড়ায় পুলিশ-প্রশাসনের ভূমিকা। সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি থেকে শুরু করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার— প্রত্যেকেই পুলিশের শীর্ষ আধিকারিককে ভর্ৎসনা করেছেন। ঘটনার সময় তাঁরা কোথায় ছিলেন? কেন আগে পদক্ষেপ করা হয়নি? প্রশ্ন তোলা হয়েছে। শো কজ়ও করা হয়েছে রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালা, রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথ গুপ্ত, মালদহের জেলাশাসক (ডিএম) এবং পুলিশ সুপার (এসপি)-কে। কলকাতায় মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দফতর ঘিরে অশান্তির ঘটনায় ভর্ৎসিত হয়েছেন পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দও। আইপিএস হয়ে তিনি কেন কলকাতা সামলাতে পারছেন না? প্রশ্ন তুলেছেন জ্ঞানেশ।

Advertisement

এসআইআর-এ নাম বাদ পড়ার অভিযোগে মালদহের মোথাবাড়ি, সুজাপুর বুধবার দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে উঠেছিল। কালিয়াচক-২ ব্লক অফিসের ভিতর রাত পর্যন্ত আটকে রাখা হয় এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত সাত বিচারককে। কলকাতা হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতি সুজয় পাল বিষয়টি সুপ্রিম কোর্টকে জানান। বৃহস্পতিবার সকালে এসআইআর মামলার শুনানিতে আদালত প্রশাসনকে ভর্ৎসনা করে। এনআইএ বা সিবিআই-এর মতো সংস্থাকে ওই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দিতে বলা হয়। তদন্তকারী সংস্থা আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট জমা দেবে। এর পরেই নির্বাচন কমিশন জরুরি বৈঠকে বসে প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের নিয়ে। জ্ঞানেশের ভর্ৎসনার মুখে পড়েন পুলিশ আধিকারিকেরা। শেষ পর্যন্ত মালদহ কাণ্ডে এনআইএ-র হাতে তদন্তভার তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

সুপ্রিম কোর্টের ভর্ৎসনা

মালদহের ঘটনায় বৃহস্পতিবার ক্ষোভ উগরে দেন সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত। বিচারকদের আটকে রাখা এবং তাঁদের গাড়িতে হামলার ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘‘এটা বিচারকদের ভয় দেখানোর একটা স্পষ্ট চেষ্টাই শুধু নয়, আদালতকেও চ্যালেঞ্জ করা। এটা কোনও সাধারণ ঘটনা নয়। মনে হচ্ছে এটা পরিকল্পিত ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত পদক্ষেপ, যার লক্ষ্য ছিল বিচারকদের মনোবল ভেঙে দেওয়া এবং বাকি থাকা মামলাগুলিতে আপত্তি নিষ্পত্তির গোটা প্রক্রিয়াই বন্ধ করে দেওয়া।” এসআইআর-এর কাজে যুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা দিতে না-পারায় রাজ্য প্রশাসনকে সরাসরি ভর্ৎসনা করেন প্রধান বিচারপতি। বলেন, “আমরা আগেই বলেছিলাম, এসআইআর-এ বিবেচনাধীন নামের নিষ্পত্তি করার কাজে নিযুক্ত বিচারকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।” এর পরেই রাজ্যের মুখ্যসচিব, পুলিশের ডিজি, মালদহের জেলাশাসক (ডিএম) এবং পুলিশ সুপার (এসপি)-কে শো-কজ় করা হয়। বলা হয়েছে, হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠির প্রেক্ষিতে কেন তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করা হবে না, তা কারণ-সহ জানাতে হবে।

‘প্রশাসন সম্পূর্ণ ব্যর্থ’

হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতির চিঠি উদ্ধৃত করে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি বলেন, “জেলাশাসক এবং পুলিশ সুপার— কেউই ঘটনাস্থলে পৌঁছোননি। পরিস্থিতি সামাল দিতে হাই কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে নিজে থেকেই পুলিশের ডিজি এবং স্বরাষ্ট্রসচিবকে ফোন করতে হয়েছিল।” একই সঙ্গে তিনি বলেন, “মুখ্যসচিবের সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি এবং হোয়াট্‌সঅ্যাপে বার্তা পাঠানোর জন্য তাঁর নম্বরও পাওয়া যায়নি।” উচ্চপদস্থ প্রশাসনিক আধিকারিকদের কাজে হতাশাপ্রকাশ করে প্রধান বিচারপতি কান্ত বলেন, “এই ঘটনা রাজ্য প্রশাসনের সম্পূর্ণ ব্যর্থতাকে প্রকাশ করে। মুখ্যসচিব, স্বরাষ্ট্রসচিব, পুলিশের ডিজি এবং এসপি-র আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয়। বিষয়টি জানানো সত্ত্বেও তাঁরা কোনও কার্যকর ব্যবস্থা নিতে কেন ব্যর্থ হয়েছেন, তা তাঁদের ব্যাখ্যা করতে হবে।”

একগুচ্ছ নির্দেশ

মালদহের ঘটনার তদন্তের পাশাপাশি একগুচ্ছ নির্দেশ দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। কমিশনকে বলা হয়েছে, এসআইআর-এর কাজে নিযুক্ত বিচারকদের (বা বিচারবিভাগীয় আধিকারিকদের) পর্যাপ্ত নিরাপত্তা দিতে হবে। নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে তাঁদের বাসভবনেরও। নিরাপত্তাগত ঝুঁকি থাকলে তা পর্যালোচনা করে বিচারকদের পরিবারকেও সুরক্ষিত রাখার বন্দোবস্ত করতে হবে। সর্বোচ্চ আদালত এ-ও স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এসআইআর-এর কাজ যেমন চলছিল, তেমনই চলবে। প্রধান বিচারপতি বলেন, “আমরা কাউকেই আইন নিজের হাতে তুলে নিতে বা বিচারকদের মনে ভয় তৈরি করার মাধ্যমে কাজে বাধা দিতে দেব না।” মালদহের ঘটনাটিকে ‘ফৌজদারি অপরাধ’ হিসাবে গণ্য করার কথা বলেন তিনি। কমিশনকে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ, বিচারকেরা যেখানে এসআইআর সংক্রান্ত কাজ করবেন, সেখানে একসঙ্গে তিন থেকে পাঁচ জনের বেশি ঢুকতে পারবেন না। আপত্তি দাখিল বা শুনানির সময়েও এই নিয়ম মানতে হবে। বিচারকদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করতেও বলা হয়েছে কমিশনকে। এ ছাড়া, আদালত জানায় সিবিআই বা এনআইএ যে সংস্থাই তদন্ত করুক না কেন, আদালতে একটি প্রাথমিক রিপোর্ট তারা জমা দিতে বাধ্য থাকবে।

কমিশনের বৈঠক

মালদহে অশান্তির ঘটনা নিয়ে সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশের পরেই বৃহস্পতিবার তড়িঘড়ি রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও), পুলিশ এবং প্রশাসনের শীর্ষ আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠকে বসে নির্বাচন কমিশন। বিকেল সাড়ে ৩টে থেকে ভার্চুয়াল মাধ্যমে শুরু হয় বৈঠক। ছিলেন রাজ্যের মুখ্যসচিব দুষ্মন্ত নারিওয়ালাও। পূর্ব নির্ধারিত কর্মসূচিতে তাঁকে দিল্লিতে ডেকে পাঠানো হয়েছিল। তাঁর সঙ্গে আলাদা করে ফের বৈঠক করা হতে পারে। সুপ্রিম কোর্ট জানিয়েছিল, মালদহে অশান্তির ঘটনায় সিবিআই কিংবা এনআইএ-র মতো ‘স্বাধীন’ সংস্থাকে দিয়ে তদন্ত করাতে হবে। কমিশন সূত্রে খবর, তা নিয়েই রাজ্যের পুলিশ এবং প্রশাসনিক কর্তাদের বৈঠকে ডাকা হয়। এর পরেই এনআইএ তদন্তের নির্দেশ দেয় কমিশন।

পুলিশকে ভর্ৎসনা

মালদহের ঘটনায় প্রথমেই কেন পদক্ষেপ করা হয়নি? বৈঠকে প্রশ্ন তোলেন জ্ঞানেশ। জানতে চান, সিইও অফিসের সামনে দু’দিন ধরে কেন গন্ডগোল চলছে? সেখানে এত লোক জমা হচ্ছেন কী ভাবে? মালদহের পুলিশ সুপারের উদ্দেশে জ্ঞানেশ বৈঠকে বলেন, ‘‘ঘটনাস্থলে যাননি কেন?’’ উত্তরে এসপি জানান, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ঘটনাস্থলে গিয়েছিলেন। পাল্টা কমিশন জানায়, তা হলে তাঁকে এডিজি করে দেওয়া হচ্ছে। মালদহের জেলাশাসকের উদ্দেশে কমিশন বলে, ‘‘আপনাকে ফোনে যোগাযোগ করা যায়নি। বাসভবনে ছিলেন না! কোথায় ছিলেন?’’ রাজ্য পুলিশের ডিজি সিদ্ধনাথকেও বার্তা দিয়েছে কমিশন। তার কথায়, ‘‘আপনি এত সিনিয়র অফিসার। আপনার কাছ থেকে এ সব আশা করা যায় না।’’ সিইও দফতরের সামনে বিক্ষোভের ঘটনায় কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দকেও ভর্ৎসনা করেন জ্ঞানেশ। বলেন, ‘‘আইপিএস অফিসার হয়ে কলকাতা সামলাতে পারছেন না! আপনাকে কি প্রশিক্ষণ দিতে হবে?’’

আইএসএফ প্রার্থী গ্রেফতার

মালদহকাণ্ডে মোথাবাড়ির আইএসএফ প্রার্থী মৌলানা শাহজাহান আলিকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। তাঁর সঙ্গে আরও ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। মালদহ জেলা আদালত তাঁদের ১০ দিনের পুলিশি হেফাজতের নির্দেশ দেয়। গ্রেফতারির পরে আদালতে পেশ করার সময়ে শাহজাহান বলেন, “আমি আইএসএফ প্রার্থী বলে আমাকে ফাঁসানো হয়েছে।” ঘটনার সময়ে তিনি বিক্ষোভস্থলেই ছিলেন না বলে দাবি করেছেন। আইএসএফ প্রার্থীর দাবি, তিনি জলসায় গিয়েছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে বাড়ি ফিরছিলেন। তখন তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। তাঁর বিরুদ্ধে চক্রান্ত করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন শাহজাহান।

কী বললেন মমতা

বৃহস্পতিবার মালদহ এবং মুর্শিদাবাদে তিনটি জনসভা ছিল মমতার। মালদহে এসআইআর-এর কাজে বিচারকদের আটকে রাখার ঘটনা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন তিনি। জানিয়ে দিয়েছেন, আইনশৃঙ্খলা এখন তাঁর হাতে নেই। প্রশাসনের তরফে কেউ তাঁকে খবরও দেননি। এ বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের পর্যবেক্ষণকে সমর্থন করে মমতা বলেন, ‘‘ঠিক বলেছে সুপ্রিম কোর্ট।’’ মালদহের ঘটনার জন্য গোটা রাজ্যের বদনাম হয়েছে বলে মনে করেন তিনি। মমতা বলেছেন, ‘‘এসআইআর নিয়ে ক্ষোভ থাকা স্বাভাবিক। অনেকের নাম বাদ দেওয়া হয়েছে। সেটা বিজেপির পরিকল্পনা। আমি ধর্নায় বসেছি। কেস করেছি। ফাইট করেছি। ৪২ লক্ষ লোকের নাম বাদ। ২২ লক্ষ লোকের নাম উঠেছে। যাদের নাম এখনও ওঠেনি, ডিলিট হয়েছে, তাঁরা দরখাস্ত করুন। বিচারকদের আক্রমণ করবেন না। কড়া ভাবে বলছি। আজ আপনাদের জন্য বাংলার বদনাম হবে!’’ মালদহে অশান্তির জন্য কংগ্রেসকে দুষেছেন মমতা। বলেছেন, ‘‘কংগ্রেসের অত্যাচারে এ সব গন্ডগোল হল। রায় বেরোনোর পরে জাজেদের আটকে রাখার কী দরকার ছিল? এটা কাদের পরিকল্পনা? যারা করেছে, তাদের একটাকেও যেন ছাড়া না হয়। সে যেই হোক। এটা আমাদের দলের পরিকল্পনা নয়। আমরা শান্তির পক্ষে।’’

কী বলল বিজেপি ও সিপিএম

বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য রাজ্যের সাম্প্রতিক পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেন। বলেন, ‘‘ভোটার তালিকা শুদ্ধিকরণ প্রক্রিয়া শুরু হওয়ার পর থেকেই পরিকল্পিত ভাবে অশান্তি সৃষ্টি করা হচ্ছে।’’ মালদহের ঘটনা উল্লেখ করে শমীক বলেন, ‘‘বিচারকদের দীর্ঘ ক্ষণ আটকে রাখা দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক। এটা কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়। পরিকল্পিত ভাবে উত্তরবঙ্গ ও দক্ষিণবঙ্গের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করার একটি বৃহত্তর প্রচেষ্টার অংশ।’’ বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারীও বিচারব্যবস্থার উপর আক্রমণ নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন এবং জানিয়েছেন, এটি গণতন্ত্রের জন্য বিপজ্জনক। মালদহের ঘটনাকে ‘সংগঠিত অপরাধ’ বলে উল্লেখ করেন শুভেন্দু। দাবি করেন, এর সঙ্গে তৃণমূলের স্থানীয় নেতৃত্ব জড়িত। অবিলম্বে সংশ্লিষ্টদের গ্রেফতার করে নিরপেক্ষ তদন্ত করতে হবে। অন্য দিকে, সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিমের বিবৃতি , ‘আইনসভার জনপ্রতিনিধিরা, নির্বাচিত সরকার এবং তাদের প্রশাসন, সাংবিধানিক দায়িত্বপ্রাপ্ত নির্বাচন কমিশন, এরা কেউ জনগণের আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন ঘটাতে পারেনি, নির্ভুল ভোটার তালিকা সম্পূর্ণ করতে ব্যর্থ হয়েছে। বিজেপি এবং তৃণমূল, দুই শাসকদল পশ্চিমবঙ্গের রাজনীতিতে এসআইআর-কে বিভাজনের হাতিয়ার হিসাবে ব্যবহার করতে চেয়েছে। যারা এই ষড়যন্ত্র করছে, যারা ভোটার তালিকায় কারচুপি করে ভোটের ফলাফল নিজেদের পক্ষে আনতে চাইছে মানুষের ক্ষোভ তাদের বিরুদ্ধে বাড়ছে, মানুষের উষ্মার সম্মুখীন তাদের হতেই হবে।’

বিজেপিতে যোগ কৃষক নেতার

বিধাননগরের বিজেপি কার্যালয়ে গিয়ে দলের পতাকা হাতে তুলে নেন কৃষক আন্দোলনের অন্যতম নেতা তথা নবগ্রামের প্রাক্তন বিধায়ক কানাই মণ্ডল। মুর্শিদাবাদের রাজনীতিতে তিনি পরিচিত নাম। ২০১১ এবং ২০১৬ সালে পর পর দু’বার তিনি সিপিএমের টিকিটে ভোটে জিতে বিধায়ক হয়েছিলেন। পরে যোগ দেন তৃণমূলে। ২০২১ সালের ভোটে জোড়াফুলের টিকিটে জিতেও কানাই বিধায়ক হন। তাঁর যোগদানের ফলে মুর্শিদাবাদ জেলায় বিজেপির সাংগঠনিক শক্তি বৃদ্ধি পাবে বলে দাবি পদ্ম-নেতৃত্বের।

Advertisement
আরও পড়ুন