মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ফাইল চিত্র।
যদি নিজের অধিকার, অস্তিত্ব রক্ষা করতে হয়, ভাষা, সম্মান রক্ষা করতে হয়, ঠিকানা রাখতে হয়, তা হলে মনে রাখবেন এই নাম বাদ দেওয়ার খেলায় এনআরসি করার ছক্কা চলছে। এই ছক্কাকে অক্কা করে দেব।
মানুষ যদি ভোট দিতে না পারে ট্রাইবুনালের দরকার কী? কেন ট্রাইবুনাল তৈরি করেছিলেন। তার পরে বলছেন ফ্রোজেন করে দিলাম। আবার আমরা চ্যালেঞ্জ করব। আমরা জানতে চাইব। জানার অধিকার আছে। মানুষের নাম তোলার অধিকার আছে।
ওদের পরিকল্পনা মানুষকে নিয়ে চৈত্রসেল ! দেশটাকে চৈত্রসেল করছে। বিজেপিকে তোপ মমতার।
শুনলেও হাসি পায়, এই বাংলাবিরোধী, বাংলায় ভোট চায়। ওদের রাজ্যে মাছ, মাংস, ডিম বন্ধ। বাঙালি মাছে-ভাতে থাকে। বলছে মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া যাবে না। তবে কি আমার মাথা খাবে? বিজেপিকে ভোট দেওয়া মানে মাছ, মাংস, ডিম খাওয়া বন্ধ। বাংলা ভাষায় কথা বলা বন্ধ।
এটা বিজেপির সরকার নয়। প্রথমে দেবে হাজার, তার পরই হবে বুলডোজ়ার। তৃণমূল যা বলে, তা-ই করে।
হুগলিতে নির্বাচনী প্রচারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার প্রথম জনসভা করেন তিনি আরামবাগে। তার পর তিনি বলাগড়ে পৌঁছেছেন। আরামবাগের নির্বাচনী জনসভা থেকে তিনি বিজেপি এবং কমিশনের বিরুদ্ধে তোপ দাগেন।