CEO Office in West Bengal

রাতের ‘তাণ্ডবে’ কড়া বার্তা কমিশনের! সিইও দফতরের বাইরে পুলিশের ব্যারিকেড, আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা

বুধবার সকাল থেকে সিইও অফিসের কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। যদিও পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। বাইরে নিরাপত্তার দুর্গ তৈরি করে রেখেছে পুলিশ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০১ এপ্রিল ২০২৬ ১২:১১
Police increase security outside West Bengal CEO\\\\\\\\\\\\\\\'s office

কলকাতায় সিইও অফিসের বাইরে আঁটোসাঁটো নিরাপত্তা। ছবি: পিটিআই।

মঙ্গলবার বেলা থেকে শুরু হয়েছিল। কিন্তু রাত গড়ালেও উত্তেজনা কমেনি। দফায় দফায় উত্তপ্ত হয়ে ওঠে রাজ্যের নির্বাচনী আধিকারিকের (সিইও) অফিসের বাইরের পরিস্থিতি। তবে বুধবার সকাল থেকে সেখানে কোনও জমায়েত দেখা যায়নি। যদিও পুলিশের উপস্থিতি চোখে পড়ার মতো। সিইও অফিসের বাইরে নিরাপত্তার দুর্গ তৈরি করে রেখেছে পুলিশ। দিকে দিকে ব্যারিকেড বসেছে। অন্য দিকে, মঙ্গলবার রাতে ওই এলাকায় কিছু জমায়েত হয়। তা নিয়ে কড়া বার্তা দিল সিইও দফতর।

Advertisement

মঙ্গলবার বেলার দিকে আচমকাই স্ট্র্যান্ড রোডে নতুন সিইও অফিসের সামনে হাজির হন তৃণমূলপন্থী বেশ কয়েক জন বিএলও। তাঁদের অভিযোগ, ব্যাগভর্তি ফর্ম ৬ নিয়ে সিইও অফিসে জমা দিতে এসেছেন কয়েক জন। সেই অভিযোগকে সামনে রেখে বিক্ষোভ শুরু করেন বিএলও-রা। সিইও অফিসে ফর্ম ৬ জমা করার অভিযোগকে ঘিরে যখন তৃণমূলপন্থী বিএলও-রা বিক্ষোভ দেখাচ্ছিলেন, তখন হঠাৎই সেখানে উপস্থিত হন বিজেপি কর্মীরা। দু’পক্ষই একে অপরের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে থাকে।

পরিস্থিতি সামাল দিতে রীতিমতো হিমশিম খেতে হয় পুলিশকে। দু’পক্ষের মাঝে ব্যারিকেড দিয়ে আটকানোর চেষ্টা করা হয়। পুলিশের সঙ্গে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ছিল কেন্দ্রীয় বাহিনীও। সময় যত গড়ায় উত্তেজনা ততই বাড়তে থাকে। রাত অবধি উত্তেজনা ছিল ওই এলাকায়। তবে বুধবার সকাল থেকে ছবিটা খানিক পাল্টেছে। জমায়েত নেই। তবে পুলিশ এবং কেন্দ্রীয় বাহিনী রয়েছে অনেক। নতুন করে যাতে কোনও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হতে না-পারে, সে দিকে সদা সচেষ্ট পুলিশ।

অন্য দিকে, রাজ্যের সিইও অফিসের তরফে বুধবার এক্স হ্যান্ডলে একটি পোস্ট করা হয়। সেই পোস্টে একটি ভিডিয়ো দিয়ে দাবি সিইও অফিস দাবি করে, মঙ্গলবার গভীর রাতে কিছু গুন্ডাকে সঙ্গে নিয়ে বেলেঘাটার কাউন্সিলর জড়ো হন। তাঁরা স্লোগান দিতে থাকেন। সেই ভিডিয়ো দিয়ে কমিশন জানিয়েছে, কোনও ভাবেই এ ধরনে সমাজবিরোধী কাজ বরদাস্ত করা হবে না। অবাধ এবং সুষ্ঠু নির্বাচন নিশ্চিত করতে কমিশন কোনও ফাঁক রাখতে নারাজ। আইন তার নিজস্ব পথে চলবে।

সিইও দফতরের সামনে গন্ডগোলের ঘটনায় পুলিশ কাজ না-করলে নির্বাচন কমিশন পদক্ষেপ করবে বলে মঙ্গলবারই জানিয়েছিলেন সিইও মনোজ আগরওয়াল। তিনি বলেন, ‘‘এই জায়গায় ১৬৩ ধারা জারি করেছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার। তাই এই জায়গায় কোনও গন্ডগোল হলে, তাঁর দায়িত্ব পরিস্থিতি সামলানো। তাই পুলিশকে দায়িত্ব পালন করতে দিতে হবে। তারা যদি না পারে কমিশন পদক্ষেপ করবে।’’ রাতে কলকাতার পুলিশ কমিশনার অজয় নন্দ সিইও অফিসে যান। সূত্রের খবর, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

Advertisement
আরও পড়ুন