—প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র।
আসন্ন বিধানসভা ভোট ঘোষণার প্রহর গুনছে রাজ্য প্রশাসন। এই অবস্থায় তথ্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির অতিরিক্ত (সাপ্লিমেন্টারি) তালিকা কবে প্রকাশিত হবে, তা এখন চর্চায় রয়েছে। নির্বাচন কমিশনের একটি সূত্রের খবর, আগামী সপ্তাহেই অন্তত একটি সাপ্লিমেন্টারি তালিকা প্রকাশিত হতে পারে। তবে তা আদালতের সম্মতির উপর পুরোপুরি নির্ভরশীল।
এই অতিরিক্ত তালিকা প্রকাশের জন্য জাতীয় নির্বাচন কমিশনের সুনির্দিষ্ট সফটওয়্যার থাকার কথা। সেই সফটওয়্যারের বিশেষত্ব আগাম জানাতে হবে আদালতকে। সম্মত থাকলে আদালত ছাড়পত্র দেবে। তা না হলে প্রস্তাবিত বিষয়গুলির মধ্যে কিছু সংশোধনের কথা বলতে পারে আদালত। তেমন ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় সংশোধন সেরে সেই সফটওয়্যার চূড়ান্ত হবে। এই সূত্রে কমিশনের আধিকারিকদের একাংশের ধারণা, এই কাজ আগামী সপ্তাহের মাঝামাঝি শেষ হতে পারে। তা হলে তার পরেই প্রকাশ পাবে অতিরিক্ত তালিকা। সেই সূত্রে আরও জানা গিয়েছে, এখনও পর্যন্ত কমবেশি ১৫ লক্ষ তথ্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির যাচাই হয়েছে বলে খবর। যাঁরা যোগ্য বলে বিবেচিত হবেন, তাঁদের নাম সেই তালিকায় থাকতে পারে। তবে যাঁদের নাম অযোগ্যের তালিকায় থাকবে, তাঁরা বিচার বিভাগের বিশেষ ট্রাইবুনালে আবেদন জানাতে পারবেন। তবে তার গঠন (সম্ভাব্য জেলায় জেলায়) কবে শেষ হবে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে তথ্যগ্রাহ্য অসঙ্গতির আওতায় প্রায় ৬০ লক্ষ ভোটারের যোগ্যতা বিচার করছেন কলকাতা হাই কোর্টের নিযুক্ত বিচারকেরা। প্রায় ৫০০ জন বিচারকের উপরে আরও প্রায় ২০০ জন বিচারককে পাঠানো হয়েছে ওড়িশা এবং ঝাড়খণ্ড থেকে। আগামী সপ্তাহে ভোট ঘোষণা হলে এই নিষ্পত্তির কাজে আরও গতি আনতে হতে পারে। কারণ, ভোটের আগে প্রায় ৬০ লক্ষের যাচাই শেষ করা তখন বেশি জরুরি হয়ে পড়বে।