গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
কমিশনের তথ্য অনুসারে, সকাল ৯টা পর্যন্ত দ্বিতীয় দফায় ১৪২টি আসনের মধ্যে ভোটের হার সবচেয়ে বেশি মন্তেশ্বরে— ২২.৫৩ শতাংশ। তার পরেই রয়েছে গলসি। সেখানে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ২২.৪৯ শতাংশ। সবচেয়ে কম ভোট পড়েছে মহেশতলায়— ১৪.৯০ শতাংশ। ভাঙড়ে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোটের হার ১৫.১৯ শতাংশ। ভবানীপুরে ভোট পড়েছে ১৭.০৮ শতাংশ।
পশ্চিমবঙ্গে ভোটদানের বাড়তি হার দ্বিতীয় দফাতেও অব্যাহত। বুধবার রাজ্যের সাত (দুই কলকাতাকে আলাদা ধরলে আট) জেলার ১৪২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়ল ১৮.৩৯ শতাংশ। সবচেয়ে বেশি ভোটদানের হার পূর্ব বর্ধমানে। সবচেয়ে কম দক্ষিণ কলকাতায়। প্রথম দু’ঘণ্টার ভোটদানের হারে দ্বিতীয় দফা সামান্য পিছিয়ে থাকল প্রথম দফার তুলনায়। প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে সকাল ৯টা পর্যন্ত ভোট পড়েছিল ১৮.৭৬ শতাংশ।
তবে ২০২৪ সালের লোকসভা ভোটের সাত দফাতে সকাল ৯টা পর্যন্ত যে ভোটদানের হার ছিল, তার থেকে এ বারের দুই দফাই অনেকটা এগিয়ে।
গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।
দ্বিতীয় দফার ১৪২টি বিধানসভা কেন্দ্রের মধ্যে তফসিলি জাতি (এসসি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে ৩৪টি আসন এবং তফসিলি জনজাতি (এসটি)-র জন্য সংরক্ষিত রয়েছে একটি আসন। আয়তনে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র জোড়াসাঁকো, সবচেয়ে বড় কল্যাণী। তবে ভোটারের সংখ্যার ভিত্তিতে সবচেয়ে বড় কেন্দ্র হুগলি জেলার চুঁচুড়া। সেখানে ২.৭৫ লক্ষ ভোটার রয়েছেন। ভোটারের সংখ্যার নিরিখে সবচেয়ে ছোট কেন্দ্র উত্তর ২৪ পরগনার ভাটপাড়া। এই কেন্দ্রে ১.১৭ লক্ষ ভোটার রয়েছেন।
২০২৬ সালে ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় সংশোধন (এসআইআর)-এর পর দ্বিতীয় দফার এই ১৪২টি আসনে মোট ভোটারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩ কোটি ২১ লক্ষ ৭৫ হাজার ২৯৯। তার মধ্যে পুরুষ ভোটারের সংখ্যা ১ কোটি ৬৪ লক্ষ ৭৪ হাজার ৩০৬ এবং মহিলা ভোটার রয়েছেন ১ কোটি ৫৭ লক্ষ ৪০ হাজার ২১৬২ জন। তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ৭৯২ জন।
পশ্চিমবঙ্গে দ্বিতীয় দফায় ভোটগ্রহণ বুধবার। এই পর্যায়ে সাত জেলার মোট ১৪২টি বিধানসভা আসনে ভোটগ্রহণ হচ্ছে। ২০২১ সালে এই আসনগুলিতে সম্মিলিত ভোটারের সংখ্যা ছিল ৩ কোটি ৫৫ লক্ষ ৯৯ হাজার ৪৫৮। সে বার ওই ১৪২টি কেন্দ্রে ৮১.১ শতাংশ ভোট পড়েছিল। ভোট দিয়েছিলেন ২ কোটি ৮৮ লক্ষ ৬৪ হাজার ৬৯২ জন ভোটার।
গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। বুথের সংখ্যা ছিল ৪৪ হাজার ৩৭৬। কমিশন জানিয়েছে, মোট ৩ কোটি ৩৬ লক্ষ জন ভোটদান করেছেন। অর্থাৎ, ৯৩.১৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। রাজ্যের ১৮২টি বুথে ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে। ৯৯ শতাংশ ভোট পড়েছে এমন বুথের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি চোপড়া এবং রানিনগরে।