‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে কী বললেন পায়েল? ছবি: সংগৃহীত।
‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকে একের পর এক বদল। প্রথমে অভিনেত্রী তন্বী লাহা রায়, তার পরে অভিনেত্রী নবনীতা মালাকারকে নেতিবাচক চরিত্রে দেখেছে দর্শক। এখন দেখা যাচ্ছে, ধারাবাহিকের গল্পে নতুন মোড় এসেছে। যেখানে দেখা যাচ্ছে অভিনেত্রী পায়েল দে-কে। ছোটপর্দায় তাঁকে নায়িকা হিসাবে দেখেই অভ্যস্ত অনুরাগীরা। ঘুরে গিয়েছে কাহিনি। নেতিবাচক চরিত্রে অভিনয় প্রসঙ্গে কী বললেন পায়েল?
এই ধারাবাহিকে ‘রাজনন্দিনী’ চরিত্রে আগেই তাঁকে দেখেছে দর্শক। সেটি ইতিবাচক চরিত্রই ছিল। কিন্তু, চরিত্র যে এই ভাবে নেতিবাচক দিকে ঘুরে যাবে, তা বোঝেননি অনেকেই। এই প্রসঙ্গ উঠতে পায়েল বললেন, “বড়পর্দায় নেতিবাচক চরিত্রে করেছি অভিনয়। ‘তালমার রোমিও’ দেখলে এই বিষয়ে বলতে পারবেন অনেকে। তবে ছোটপর্দায় এই ভাবে প্রথম। দিদা-ঠাকুরমারা বলছেন, লক্ষ্মীমন্ত মেয়ে কেন এমন চরিত্রে অভিনয় করছি, কিন্তু বহু মানুষের ভালবাসা পাচ্ছি।”
সাধারণত, পায়েলকে শান্তশিষ্টের মোড়কে বিদ্রোহী মেয়ে-বৌয়ের চরিত্রে দেখেছে দর্শক। তাই ধারাবাহিকপ্রেমীদের কাছে পায়েলকে খলনায়িকা হিসাবে দেখা একেবারে অন্যরকম অভিজ্ঞতা। অভিনেত্রী যোগ করেন, “খলনায়িকার চরিত্রে অভিনয় করছি, সমাজমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াকে খুব বেশি গুরুত্ব কোনও দিনই দিই না। তবে বহু বর্ষীয়ান শিল্পী আমাকে মেসেজ করেছিলেন, তাঁদের প্রশংসা পেয়েছি। আমি যে নিজেকে ভেঙে এই ভাবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করছি, সেটা তাঁদের ভাল লাগছে।”
‘চিরদিনই তুমি যে আমার’ ধারাবাহিকের নায়ক জীতু কমলের সঙ্গে প্রথম বার কাজ করছেন পায়েল। কাজের বাইরে যে তাঁদের খুব একটা সুসম্পর্ক রয়েছে, তেমনটা আন্দাজ করা যায় না। সম্প্রতি, সমাজমাধ্যমে তাঁদের কথপোকথন চোখ এড়ায়নি কারও। সহ-অভিনেতা বা অভিনেত্রীর সঙ্গে বাস্তবে তেমন সুসম্পর্ক না থাকলেও কি ফ্লোরে কাজ চালিয়ে যাওয়া সম্ভব? এ প্রসঙ্গে পায়েলের উত্তর, “আমরা সবাই পেশাদার শিল্পী। আমার মনে হয় না বাস্তবের সমস্যা কাজে প্রভাব ফেলতে পারে। সেটা কখনও হওয়া উচিত নয়।” আর্য, অপর্ণা এবং রাজনন্দিনীর কাহিনি এখন কোন দিকে গড়ায় সেটাই দেখার অপেক্ষায় দর্শক।