Professor Bidya Banerjee Serial

ঈর্ষা থেকেই নেতিবাচক মন্তব্য আসে! মানুষ মনে করে, শিল্পীরা ভগবান, তাঁদের ভুল হয় না: স্বস্তিকা

শিল্পীদের প্রতি মানুষের ঈর্ষা কাজ করে বলে মনে করেন স্বস্তিকা। ‘প্রফেসর বিদ্যা ব্যানার্জি’ ধারাবাহিক নিয়ে সমাজমাধ্যমে এত আলোচনা প্রসঙ্গে কী বললেন অভিনেত্রী?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৭ মার্চ ২০২৬ ১৫:০০
টিআরপি প্রতিযোগিতা, নেতিবাচক মন্তব্য প্রসঙ্গে কী বললেন স্বস্তিকা?

টিআরপি প্রতিযোগিতা, নেতিবাচক মন্তব্য প্রসঙ্গে কী বললেন স্বস্তিকা? ছবি: সংগৃহীত।

গুরুগম্ভীর হাবভাব, হাঁটাচলাতেও তার ছাপ স্পষ্ট। অভিনেত্রী স্বস্তিকা দত্ত এখন ছোটপর্দার কড়া অধ্যাপিকা। কপালে সিঁদুরের টিপ, গলায়ও সিঁদুরের ছোঁয়া আর পরনে সুতির শাড়ি, ডানহাতে ঘড়ি—বিদ্যার ‘লুক’ ইতিমধ্যে দর্শকের মনে গেঁথে গিয়েছে। কিন্তু এই চরিত্রে নিজেকে তুলে ধরার সঙ্গে অনেক নেতিবাচক মন্তব্যও শুনতে হয়েছে স্বস্তিকাকে। ব্যক্তি স্বস্তিকা এই সব কিছুকে কী ভাবে সামলান?

Advertisement

শিল্পীদের প্রতি মানুষের ঈর্ষা কাজ করে বলে মনে করেন স্বস্তিকা। তিনি বললেন, “আমরা এখন সুন্দর জিনিসকে সুন্দর রাখতে পারছি না। কিছু ক্ষেত্রে কান দিয়ে দেখছি। এমনিই কলকাতার ইন্ডাস্ট্রি খুব ছোট। না চাইলেও শিল্পীদের প্রতি মানুষের ঈর্ষা তৈরি হয়।” ধারাবাহিকের অনেক দৃশ্য নিয়ে সমাজমাধ্যমে লেখালেখি হয়েছে। এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়ে তৈরি হয়েছে বিকৃত ভিডিয়োও। যদিও তাতে যে ধারাবাহিকের উপরে কোনও প্রভাব পড়েছে, তেমন নয়। সম্প্রচারের শুরুর দিন থেকে টিআরপি তালিকায় প্রথম পাঁচে নিজেদের জায়গা ধরে রেখেছে এই ধারাবাহিক।

চলতি সপ্তাহেও প্রথম পাঁচে রয়েছে বিদ্যা আর রাজঋতের কাহিনি। অভিনেত্রী বললেন, “আসলে মানুষ শিল্পীদের ভগবানের আসনে বসিয়ে রেখেছে। শিল্পীরা যেন ভুল করতে পারে না। জন্ম থেকেই শিল্পীরা যেন সুন্দর হয়েই জন্মেছে। কিন্তু, আমরাও তো মানুষ। তাই যখন কোনও ভুল হয়ে যায়, খুব অপরাধবোধ কাজ করে। বিদ্যার চরিত্র করার পরে উপলব্ধি করলাম, ভুল করলে মানুষ আর কোনও সুযোগ দেয় না। কেউ কারও কথা শোনে না।”

বিদ্যাকে তৈরির করার জন্য চিত্রনাট্যকার, পরিচালক স্নেহাশিস চক্রবর্তীকেই সব কৃতিত্ব দিয়েছেন অভিনেত্রী। স্বস্তিকা যোগ করেন, “আমি বিদ্যাতেই যাপন করছি। নিজের একটা ইউনিভার্স তৈরি হয়েছে। সবটাই দাদার (স্নেহাশিস) জন্য। আসলে ব্লু’জ প্রোডাকশন বরাবরই এমনই দারুণ কাজ উপহার দিয়েছে দর্শককে।” অভিনেত্রী যোগ করেন, “এই সংস্থা টিআরপির পিছনে ছোটে না। বরং উল্টোটাই হয়। টিআরপি এই প্রযোজনা সংস্থার পিছনে আসে।” এই মুহূর্তে ধারাবাহিকেও চলছে টানটান উত্তেজনা। নায়ক-নায়িকার মধ্যে এক মিষ্টি সমীকরণ যেমন তৈরি হয়েছে, তেমনই আবার, বাড়ির বৌ হিসাবে বড় সঙ্কটে পড়েছে বিদ্যা। এক দিকে শ্বশুরবাড়ি, অন্যদিকে তার প্রিয় ছাত্রছাত্রীরা। কোন দিকে যাবে সে! সব মিলিয়ে কাহিনির নতুন মোড় দেখতে উৎসাহিত দর্শকও।

Advertisement
আরও পড়ুন