FIFA World Cup 2026

বিশ্বকাপের মাঝেই মহাকাশে গেল বিশ্বকাপের বল ‘ট্রিয়ন্ডা’! মহাশূন্যে ফুটবল নিয়ে গবেষণা বিজ্ঞানীদের

এ বারের বিশ্বকাপে যে বল দিয়ে খেলা হচ্ছে তার নাম ‘ট্রিয়ন্ডা’। ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীনই সেই বল পাঠিয়ে দেওয়া হল মহাকাশে। সেই বল নিয়ে হবে গবেষণা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২১ জুন ২০২৬ ২৩:৩২
football

এই বলেই খেলা হচ্ছে ফুটবল বিশ্বকাপ। ছবি: পিটিআই।

ফুটবল মাঠে তো লিয়োনেল মেসি, কিলিয়ান এমবাপেদের পায়ে কথা বলছে ফুটবল। কিন্তু মহাকাশে সেই বল নিয়ে কি কেরামতি দেখানো যাবে? সেটাই গবেষণার বিষয়। এ বারের বিশ্বকাপে যে বল দিয়ে খেলা হচ্ছে তার নাম ‘ট্রিয়ন্ডা’। ফুটবল বিশ্বকাপ চলাকালীনই সেই বল পাঠিয়ে দেওয়া হল মহাকাশে। সেই বল নিয়ে হবে গবেষণা।

Advertisement

আন্তর্জাতিক মহাকাশ গবেষণা কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে বিশ্বকাপের অফিসিয়াল ফুটবল। ‘ন্যাশনাল এরোনটিকস অ্যান্ড স্পেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন’ বা নাসা সেই খবর জানিয়েছে। তারা জানিয়েছে, বল নিয়ে গবেষণা শুরু করেছেন মহকাশ গবেষণা কেন্দ্রে থাকা বিজ্ঞানীরা।

football

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

মহাশূন্যে মাধ্যাকর্ষণের প্রভাব প্রায় থাকেই না। ফলে মহাকাশযানের মধ্যে বিজ্ঞানীদের ভেসে বেড়াতে দেখা যায়। সেই পরিস্থিতিতে একটি ফুটবল কেমন থাকবে। ফুটবলে শট মারলে তা কোন দিকে, কী ভাবে যাবে? তার গতি কেমন থাকবে? সুইং হবে কি না? সেই সবই খতিয়ে দেখা হবে।

ইতিমধ্যেই নাসা একটি ভিডিয়ো পোস্ট করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, মহাকাশযানের মধ্যে বিজ্ঞানীরা বল নিয়ে খেলছেন। কখনও থ্রো করছেন। কখনও শট মারছেন। নিজেদের মধ্যে পাস খেলছেন। আবার এক জায়গায় বল ভাসিয়ে দিচ্ছেন। তাঁরা দেখে নিচ্ছেন, বলের খুঁটিনাটি।

football

গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

২০২৬ সালের বিশ্বকাপ ফুটবলের প্রস্তুতকারক সংস্থার নাম ‘অ্যাডিডাস’। ফিফা জানিয়েছে, ট্রিয়ন্ডা নামটি এসেছে স্প্যানিশ ভাষা থেকে। তার নাম তিনটি ঢেউ। এই প্রথম বার তিন দেশে হচ্ছে বিশ্বকাপ। আমেরিকা, কানাডা ও মেক্সিকোকে মাথায় রেখেই এই নাম দেওয়া হয়েছে। ফুটবলে তিন দেশের প্রতীকও রয়েছে। চারটি প্যানেল রয়েছে ফুটবলে। এই ফুটবলে বেশ কিছু প্রযুক্তি ব্যবহার করা রয়েছে। সেন্সর রয়েছে, যা প্রতি মুহূর্তে বেশ কিছু তথ্য পাঠাচ্ছে। তাতে ভার প্রযুক্তির দায়িত্ব থাকা দলের সুবিধা হচ্ছে সিদ্ধান্ত নিতে। তবে এখন শুধু বিশ্বকাপের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকল না ফুটবল। তা পাড়ি দিল মহাকাশে।

Advertisement
আরও পড়ুন