Taapsee Pannu

‘তলপেটে চর্বি থাকা নারী শরীরের জন্য স্বাস্থ্যকর’, নিজেকে কী ভাবে কষ্ট দিয়েছিলেন? জানান তাপসী

বর্তমানে প্রত্যেক মহিলাই নির্মেদ পেট বা ‘ফ্ল্যাট স্টমাক’-এর প্রতি ভীষণ ভাবে আকৃষ্ট বলে মনে করেন তাপসী। বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে ঠিক করে দেওয়া সৌন্দর্যের জন্য তাঁরা রীতিমতো প্রাণপাত করেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ২১:০৯
‘নির্মেদ পেট’ নিয়ে কী বললেন তাপসী?

‘নির্মেদ পেট’ নিয়ে কী বললেন তাপসী? ছবি: সংগৃহীত।

যে কোনও বিষয়ে স্পষ্ট মত রাখতে পছন্দ করেন তাপসী পন্নু। বাস্তবের মতো পর্দাতেও শক্তিশালী চিত্রনাট্যে দেখা যায় তাঁকে। সমাজের গোড়া ভাবনা ও বিভিন্ন গতে বাঁধা ধারণা নিয়ে মুখ খোলেন অভিনেত্রী। এ বার মহিলাদের ‘নির্মেদ পেট’ পাওয়ার জন্য অন্তহীন চেষ্টা নিয়ে মুখ খুললেন তাপসী।

Advertisement

বর্তমানে প্রত্যেক মহিলাই নির্মেদ পেট বা ‘ফ্ল্যাট স্টমাক’-এর প্রতি ভীষণ ভাবে আকৃষ্ট বলে মনে করেন তাপসী। বাণিজ্যিকীকরণের মাধ্যমে ঠিক করে দেওয়া সৌন্দর্যের জন্য তাঁরা রীতিমতো প্রাণপাত করেন। এই বিষয়ে রবিবার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তাপসী জানান, তলপেটে সামান্য চর্বি বা জল জমে থাকা (ওয়াটার রিটেনশন) আসলে শরীরের জন্য স্বাভাবিক এবং স্বাস্থ্যকর। এটি ওই অংশের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলিকে সুরক্ষা দেয়।

তিনি বলেন, “নির্মেদ ও সমান পেট নিয়ে অতিরিক্ত আগ্রহের বিষয়ে আমি কিছু বলতে চাই। ছোটবেলায় আমি খুব সুস্থ সবল ছিলাম। কিন্তু বুঝতে পারতাম না, কেন তলপেটের সামান্য চর্বি কখনওই পুরোপুরি কমে না। এটা কমানোর জন্য আমি এত বেশি ব্যায়াম করতাম যে অনেক সময় নিজের শরীরকে প্রয়োজনের চেয়ে বেশি চাপ দিতাম। কিন্তু অতিরিক্ত চাপ দিলে শরীর নিজে থেকেই সতর্ক হয়ে যায়। তখন জল জমে থাকা তলপেট কমার বদলে আরও বেড়ে যেতে পারে। অতিরিক্ত ব্যায়াম করলে হিতে বিপরীত হতে পারে। তাই এমনটা করা উচিত নয়।”

তাপসী আরও জানান, প্রত্যেক নারীর শরীর আলাদা এবং হরমোনের পরিবর্তনের কারণে প্রতিদিন শরীরের অবস্থাও এক রকম থাকে না। তাই অন্য কারও মতো হয়ে ওঠার চেষ্টা করা উচিত নয়। অভিনেত্রীর কথায়, “তোমার শরীর কখনও অন্য কোনও মেয়ের মতো হবে না, এটা মেনে নিতেই হবে। আমি অনেক দেরিতে এটা বুঝেছি। নিজেকে অনেক কষ্ট দেওয়ার পর বুঝেছি, কিছু দিন শরীরে ফোলাভাব থাকে, আবার কিছু দিনে থাকে না। আমার পুষ্টিবিদ আমাকে বুঝিয়েছিলেন যে, তলপেটের সামান্য চর্বি ও জল জমে থাকা আসলে জরুরি। কারণ ওই জায়গাতেই নারীদের প্রজনন অঙ্গ থাকে এবং সেগুলোর সুরক্ষা প্রয়োজন।”

Advertisement
আরও পড়ুন