India Bangladesh Meeting

পশ্চিমবঙ্গে অবৈধবাসী বিতাড়ণের প্রেক্ষাপটে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বাহিনী বসছে সর্বোচ্চ স্তরের বৈঠকে! নজরে কী কী?

বৈঠকে বিজিবির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের বাহিনীর ডিজি মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্য দিকে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩১ মে ২০২৬ ২১:২৪
সীমান্তে বিএসএফের নজরদারি।

সীমান্তে বিএসএফের নজরদারি। —ফাইল চিত্র।

ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত নিয়ে আগামী সপ্তাহেই বৈঠকে নয়াদিল্লি এবং ঢাকা। বিএসএফ এবং বিজিবি-র সর্বোচ্চ পর্যায়ের বৈঠকে বসছে দু’দেশ। নয়াদিল্লিতে তিন দিনের এই বৈঠক শুরু হবে আগামী ৮ জুন থেকে। বাংলাদেশে তারেক রহমানের নেতৃত্বে বিএনপি সরকার গঠনের পর এই প্রথম বার দু’দেশের বাহিনীর ডিজি পর্যায়ের বৈঠক হচ্ছে। সীমান্তে কাঁটাতার, অনুপ্রবেশ রোধ এবং বাংলাদেশি অবৈধবাসীদের বিজিবি-র কাছে হস্তান্তরের বিষয়গুলি উঠে আসতে পারে বৈঠকে। পাশাপাশি বিএসএফ জওয়ানদের উপর হামলার অভিযোগগুলি নিয়েও কথা হতে পারে দু’দেশের বাহিনীর প্রধানদের এই বৈঠকে।

Advertisement

এই বৈঠকে বিজিবির প্রতিনিধিদলের নেতৃত্ব দেবেন সে দেশের বাহিনীর ডিজি মেজর জেনারেল মুহাম্মদ আশরাফুজ্জামান সিদ্দিকী। অন্য দিকে, ভারতীয় প্রতিনিধিদলের নেতৃত্বে থাকবেন বিএসএফ প্রধান প্রবীণ কুমার। ঘটনাচক্রে, এমন এক সময়ে এই বৈঠক হচ্ছে যখন বাংলাদেশ সীমান্তে নজরদারি আরও বৃদ্ধি করেছে ভারত। পশ্চিমবঙ্গের নতুন বিজেপি সরকার সীমান্তে কাঁটাতার বসানোর জন্য বিএসএফ-এর হাতে জমি হস্তান্তর করেছে। অনুপ্রবেশকারীরা ধরা পড়লে তাঁদের বিএসএফ-এর হাতে তুলে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। অনুপ্রবেশকারী এবং অবৈধবাসীদের রাখার জন্য জেলায় জেলায় হোল্ডিং সেন্টারও খোলা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ভারত-বাংলাদেশের মধ্যে প্রায় ৪,০৯৬ কিলোমিটার দীর্ঘ আন্তর্জাতিক সীমান্ত রয়েছে। তার প্রায় ৮৬০ কিলোমিটার এলাকা কাঁটাতারহীন অবস্থায় রয়ে গিয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ১৭৪ কিলোমিটার সীমান্তে ভৌগোলিক বা অন্য কোনও কারণে কাঁটাতার বসানো সম্ভব নয়। এ অবস্থায় সীমান্তবর্তী এলাকায় নজরদারি আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে। আধিকারিক সূত্রে পিটিআই জানাচ্ছে, সীমান্ত অপরাধ দমন এবং দুই বাহিনীর মধ্যে সহযোগিতার বিষয়েই আলোচনা হবে ওই বৈঠকে।

গত ফেব্রুয়ারিতে তারেকের নেতৃত্বে বিএনপি বাংলাদেশে সরকার গঠন করে। সে দেশের অন্তর্বর্তী সরকারের জমানায় দিল্লি ও ঢাকার কূটনৈতিক সম্পর্কের অবনতি হয়েছিল। তারেক ক্ষমতায় আসার পরে সেই সম্পর্ক আবার মসৃণ করতে উদ্যত হয়েছে দু’দেশই। এ অবস্থায় দুই দেশের বাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠক আরও গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।

Advertisement
আরও পড়ুন