আলিয়াকে নিয়ে ভয়াবহ ঘটনা জানালেন দেহরক্ষী! ছবি: সংগৃহীত।
বিমানবন্দরের এক কোণে একা দাঁড়িয়ে ছিলেন আলিয়া ভট্ট। মুহূর্তে তাঁকে ছেঁকে ধরেন অসংখ্য মানুষ। ভয়ে জড়োসড়ো হয়ে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। নিজের হাত-পা সব ঢেকে দাঁড়িয়ে ছিলেন। ভয়াবহ অভিজ্ঞতা জানালেন আলিয়ার প্রাক্তন দেহরক্ষী জ়িশান কুরেশি। ঠিক কী ঘটেছিল?
ঘটনা বেশ কয়েক বছর আগের। সেই সময়ে আলিয়ার দেহরক্ষী ছিলেন জ়িশান। তাঁর চোখের সামনেই বিমানবন্দরে অস্বস্তিতে পড়েছিলেন আলিয়া। জ়িশান বলেছেন, ‘‘আলিয়ার সঙ্গে সেই সময়ে কাজ করতাম। তখন তিনি ‘স্টুডেন্ট অফ দ্য ইয়ার’ ছবির শুটিং করছেন। ৩-৪ বছর ওঁর সঙ্গে কাজ করেছিলাম। নিজের কর্মীদের উপর ওঁর অগাধ আস্থা ছিল।’’
বিমানবন্দরে অনেকে একসঙ্গে সেই দিন সফর করছিলেন। আলিয়ার ‘ইমিগ্রেশন’-এর কাজ সবার আগে হয়ে গিয়েছিল। তাই তিনি ভিতরে ঢুকে এক কোণে দাঁড়িয়ে ছিলেন। তখন তাঁকে দেখে ছুটে আসেন বিমানবন্দরের কর্মীরাই। কেউ কেউ তাঁর কাঁধে হাত রেখে ছবি তোলারও চেষ্টা করেন। জ়িশানের কথায়, ‘‘এক মিনিটের মধ্যে দেখি আলিয়াকে সকলে ঘিরে ফেলেছে। সবাই ছবি তোলার জন্য ঝাঁপিয়ে পড়ছে। বেচারি-হাত পা সমস্ত ঢেকে জড়োসড়ো হয়ে দাঁড়িয়ে আছেন। আমার ‘ইমিগ্রেশন’-এর কাজ শেষ হতেই আলিয়ার কাছে ছুটে যাই। লোকজনকে ধমক দিই।’’
বিমানবন্দরের কয়েক জন আধিকারিকও ছেঁকে ধরেছিলেন আলিয়াকে। জ়িশানের কথায়, ‘‘ওরা প্রত্যেকে শিক্ষিত মানুষ। তাও ওকে ঘিরে দাঁড়িয়ে ছিল। ওঁর কাঁধে হাত রেখে ছবি তোলার চেষ্টা করছিল। আমি বকুনি দিয়ে বলেছিলাম, ‘একটা মেয়ে একা দাঁড়িয়ে রয়েছেন। একটু দূরত্ব তো বজায় রাখুন। পর্দায় উনি হয়তো নায়িকা। কিন্তু বাস্তবে তো একটা মেয়ে।’ তার পরে ওখান থেকে আলিয়াকে সরিয়ে নিয়ে গিয়েছিলাম।’’