হিরণের দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকার পরিচয় কী? ছবি: সংগৃহীত।
দ্বিতীয় স্ত্রী ঋতিকা গিরির সঙ্গে বেশ কিছু ছবি সমাজমাধ্যমে দেন বিজেপি বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তার পর থেকেই যত বিতর্কের সূত্রপাত। বারাণসীর ঘাটে ঋতিকাকে বিয়ে করার ছবি প্রকাশ্যে আনার পরেই হিরণের বিরুদ্ধে একগুচ্ছ অভিযোগ উগরে দেন তাঁর প্রথম স্ত্রী অনিন্দিতা চট্টোপাধ্যায়। তার পর থেকেই মুখে মুখে প্রশ্ন ঘুরছে, কে এই ঋতিকা।
বিভিন্ন মহলে আলোচনা চলছে, হিরণের আপ্তসহকারী হিসাবে কাজ করতেন ঋতিকা। তবে পাল্টা কথাও আলোচিত হচ্ছে। কেউ কেউ বলছেন, তেমনটা একেবারেই নয়। ঋতিকা নাকি কোনও দিনই হিরণের আপ্তসহকারী হিসাবে কাজ করেননি। হিরণের প্রথম স্ত্রীরও দাবি, ঋতিকা যে হিরণের আপ্তসহায়ক, এমন কোনও তথ্য তাঁর কাছে নেই। তিনি জানতেন, রাজনীতির কাজে খড়্গপুরে গিয়ে ঋতিকার সঙ্গে আলাপ হয় তাঁর স্বামীর।
কারও কারও দাবি, খড়্গপুরে বিজেপি-র মহিলা মোর্চার হয়ে কাজ করতেন ঋতিকা। যদিও বিজেপি নেতৃত্ব এ কথার সত্যতা স্বীকার করেনি।
ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, মেদিনীপুরের সাধারণ পরিবারের মেয়ে ঋতিকা। তাঁর মা-বাবা চেয়েছিলেন মেয়ে আইনজীবী হোন। সেই অনুযায়ী ওড়িশার একটি কলেজে আইন নিয়ে পড়াশোনা করতে ভর্তি করা হয় ঋতিকাকে। তার পরেই নাকি হিরণের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় তাঁর। আইনজীবী হিসাবে কখনও কাজ করতে শোনা যায়নি। বরং কিছু দিনের মধ্যেই সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় অংশ নেন তিনি। তার পর থেকে মডেলিংয়ে মন দেন বলে সূত্রের খবর।
এখন রাজনীতি এবং অভিনয় জগতের অনেকেই নানা কথা বলছেন ঋতিকার সম্পর্কে। নিন্দকেদের দাবি, আইনজীবী হওয়ার ইচ্ছাই ছিল না ঋতিকার। লেখাপড়াতেও তেমন মন ছিল না তাঁর। দশম শ্রেণিতে নাকি তিন বার অনুত্তীর্ণ হয়েছিলেন। কোনও রকমে নাকি দ্বাদশ শ্রেণি পর্যন্ত এগিয়েছিলেন বলেও সমালোচনা চলছে। তবে হিরণের পক্ষেও আছেন কেউ কেউ, যাঁদের প্রশ্ন, কনের শিক্ষাগত যোগ্যতার সঙ্গে বিবাহের সম্পর্কই বা কী?