Aishwarya Rai

ঐশ্বর্যার জন্য ব্যক্তিগত বিমান, সেনা ছাউনিতে বিশেষ ব্যবস্থা! কী কারণে করেছিলেন অমিতাভ?

অমিতাভ নাকি ঐশ্বর্যার মায়ের সম্মতি নিয়ে রাতারাতি তাঁকে মুম্বই নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেছিলেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৫ জানুয়ারি ২০২৬ ১৮:০১
(বাঁ দিকে) ঐশ্বর্যা রাই, (ডান দিকে) অমিতাভ বচ্চন।

(বাঁ দিকে) ঐশ্বর্যা রাই, (ডান দিকে) অমিতাভ বচ্চন। ছবি: সংগৃহীত।

পুত্রবধূ হওয়ার আগে ঐশ্বর্যা রাই ছিলেন অমিতাভ বচ্চনের সহ অভিনেত্রী। একাধিক হিট্ ছবিতে কাজ করেছেন তাঁরা। ২০০৩ সালে ‘খাকি’ ছবির শুটিং করতে গিয়ে গুরুতর চোট পান ঐশ্বর্যা। ওই ঘটনায় বিচলিত হয়ে পড়েন সহ অভিনেতা অমিতাভ। তিনি তখন ঐশ্বর্যার দেখভালে কোনও খামতি রাখেননি।

Advertisement

ছবিতে অক্ষয় কুমার, তুষার কপূর, অমিতাভ-সহ অন্যেরাও ছিলেন। তখনও অভিষেকের সঙ্গে ঐশ্বর্যার তেমন কোনও যোগাযোগ হয়নি। নাসিকে চলছিল ছবির শুটিং। একটি দৃশ্যে ছুটন্ত জিপে থাকার কথা ছিল ঐশ্বর্যার। সেই মতোই জিপে ওঠেন অভিনেত্রী। কিন্তু এক সময় ভারসাম্য হারিয়ে অভিনেত্রী সটান ছিটকে পড়েন দূরে। তড়িঘড়ি হাসপাতলে পাঠাতে হয়েছিল নায়িকাকে। যদিও সেই সময় গাড়ি থামাতে ঝাঁপিয়ে পড়েন অক্ষয় কুমার। তবে শেষ রক্ষা হয়নি। কারণ ততক্ষণে গাড়ি থেকে ছিটকে পড়ে একাধিক চোট পান ঐশ্বর্যা।

সেই সময় অমিতাভ নাকি ঐশ্বর্যার মায়ের সম্মতি নিয়ে রাতারাতি তাঁকে মুম্বই নিয়ে যাওয়ার ব্যবস্থা করেন। তাও আবার অনিল অম্বানীর ব্যক্তিগত বিমানে। অমিতাভ বলেন, ‘‘আমরা নাসিকে শুটিং করছিলাম। দুর্ঘটনা ঘটনার পরে দিল্লি থেকে অনুমতি নিয়ে সেই বিমানের অবতরণ করা হয় একটা সেনা ছাউনিতে। যেখান থেকে হাসপাতাল ৪৫ মিনিট দূরে। বিমানের সব সিট খুলে ফেলা হয় যাতে ঐশ্বর্যা শুয়ে যেতে পারে।’’

ওই ঘটনার রেশ দীর্ঘদিন তারকার স্মৃতিতে ছিল। এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বলেন, ‘‘আসলে ওই ঘটনা দেখার পর টানা দু’দিন দু’চোখের পাতা এক করতে পারিনি। সব সময় ওটাই ভাসত চোখের সামনে। ওর পিঠ ক্যাকটাসের কাঁটায় আটকে গিয়েছিল। সেই দৃশ্য ভয়ঙ্কর। সারা শরীরে অসংখ্য গুরুতর চোট পেয়েছিল।”

Advertisement
আরও পড়ুন