Asha Bhosle daughter Varsha Bhosle

‘বাবার স্মৃতি মুছে ফেলেছি, শৈশবের অংশও হারিয়ে গিয়েছে!’ কেন বলেছিলেন আশা ভোসলের কন্যা?

বর্ষা ছিলেন পেশায় লেখিকা। নিজের মায়ের জীবন নিয়ে অনেক কিছু লিখতেন তিনি। পাঠকদের সামনে নানা দিক তুলে ধরতেন। বর্ষা এক বার দাবি করেছিলেন, তিনি তাঁর বাবা গণপতরাও ভোসলের স্মৃতি মুছে ফেলেছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ১৯:৪৮
চরম পথ বেছে নিয়েছিলেন আশা-কন্যা বর্ষা।

চরম পথ বেছে নিয়েছিলেন আশা-কন্যা বর্ষা। ছবি: সংগৃহীত।

গত ১২ এপ্রিল প্রয়াত হয়েছেন আশা ভোসলে। গায়িকার মৃত্যুর খবর প্রকাশ করেছিলেন তাঁর পুত্র আনন্দ ভোসলে। তবে আশার আরও দুই সন্তান ছিলেন— হেমন্ত ভোসলে ও বর্ষা ভোসলে। ২০১৫ সালে ক্যানসারের সঙ্গে লড়াই করে মৃত্যু হয়েছিল হেমন্তের। ২০১২ সালে আত্মহত্যা করেছিলেন আশার কন্যা বর্ষা।

Advertisement

বর্ষা ছিলেন পেশায় লেখিকা। নিজের মায়ের জীবন নিয়ে অনেক কিছু লিখতেন তিনি। পাঠকদের সামনে নানা দিক তুলে ধরতেন। বর্ষা এক বার দাবি করেছিলেন, তিনি তাঁর বাবা গণপতরাও ভোসলের স্মৃতি মুছে ফেলেছেন। গণপতরাও-এর সঙ্গে আশার দাম্পত্য খুব সহজ ছিল না।

বর্ষা জানিয়েছিলেন, তাঁর বাবা পরোক্ষ ভাবে খুবই জোর খাটাতেন তাঁর মায়ের উপর। তাঁর বাবা চাইতেন, যেনতেনপ্রকারেণ আশা যেন গান গেয়ে যান। অর্থের জন্যই তিনি নাকি এমন চাইতেন। তিনি এক বার লিখেছিলেন, “পরে বুঝেছিলাম, এটা ছিল আমার বাবার জীবনের একটা সাধারণ দিনের মতো। মাকে সব বাধা থেকে সরিয়ে রাখতেন। যাতে মা আমাদের পেট চালানোর জন্য গান গাইতে পারেন। আমি আমার বাবাকে আমার স্মৃতি থেকে মুছে ফেলেছি। আর সেই সঙ্গে আমার শৈশবের কিছু অংশও হারিয়ে গিয়েছে। আমাদের পুরনো রাঁধুনির কাছ থেকে যে সব কষ্টের গল্প শুনেছি, তাতে মনে হয়, এটা করা আমার জন্য খুব দরকার ছিল।”

উল্লেখ্য, ২০১২ সালে আত্মঘাতী হয়েছিলেন বর্ষা ভোসলে। এর আগেও একাধিক বার তিনি আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন।

Advertisement
আরও পড়ুন