Updates Of EIMPA

নির্বাচনে জিতলে কাঁধে গুরুদায়িত্ব! ইমপা-কে দুর্নীতি, রাজনীতিমুক্ত রাখতে পারবেন রতন সাহা?

রতন সাহা এবং শ্যামল দত্ত বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তাঁরা একসঙ্গে জানিয়েছেন, নতুন কমিটি গঠিত হলে উপযুক্তের হাতে দায়িত্ব ছাড়া হবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ২৫ মে ২০২৬ ১৮:১৪
সংবর্ধিত ইমপা-র অস্থায়ী সভাপতি রতন সাহা।

সংবর্ধিত ইমপা-র অস্থায়ী সভাপতি রতন সাহা। নিজস্ব চিত্র।

স্বচ্ছ নির্বাচনে জিতে ফিরলে দুর্নীতি এবং রাজনীতিমুক্ত নতুন ইমপা গড়বেন। এই লক্ষ্য নিয়ে আপাতত ধ্বনিভোটে সংগঠনের অস্থায়ী সভাপতি প্রযোজক রতন সাহা। সোমবার ইমপা অফিসে তাঁকে ফুলের মালা, দেবী সরস্বতীর মূর্তি আর ফুলের তোড়ায় বরণ করে নিলেন বিক্ষুব্ধ প্রযোজকেরা। সেই মালায় কিন্তু গেরুয়া রঙের আধিক্য বেশি! এ দিন বিশিষ্টদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন পরিচালক-প্রযোজক গৌতম ঘোষ।

Advertisement

সংবর্ধনার পর অন্তর্বতীকালীন সভাপতির প্রশ্ন, “সিনেমার উন্নতির জন্য সংগঠনের বাইরে থেকেই অনেক কাজ করেছি। পিয়া সেনগুপ্ত কী করেছেন? কেন তিনি চেয়ার আঁকড়ে বসে থাকবেন?”

৪ মে ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের ফলপ্রকাশ বদলে দিয়েছে রাজ্য রাজনীতি। পরাজিত তৃণমূল কংগ্রেস। পশ্চিমবঙ্গের শাসনভার বিজেপি সরকারের হাতে। সেই দিনই বিকেলে ‘জয় শ্রীরাম’ ধ্বনি দিতে দিতে গঙ্গাজল ছিটিয়ে ইমপা অফিস শুদ্ধ করেন শতদীপ সাহা, রতন সাহা, পীযূষ সাহা, কৃষ্ণ দাগা, মিলন ভৌমিক-সহ একদল প্রযোজক। এঁরা কমিটির বর্তমান সভাপতি পিয়ার বিরোধীপক্ষ।

সে দিন থেকেই তাঁদের দাবি, রাজনীতিতে পালাবদল ঘটেছে। পালাবদল দরকার কমিটির অন্দরেও। সংগঠনকে দুর্নীতি এবং রাজনীতিমুক্ত করতে তাই পিয়ার পদত্যাগ জরুরি। কারণ, তাঁর গড়া কমিটি অবৈধ। স্বচ্ছ নির্বাচন নয়, ‘সিলেকশন’-এর মাধ্যমে সভাপতি নির্বাচিত তিনি। তাঁরাই ২২ মে ধ্বনিভোটে সংগঠনের বর্তমান সভাপতিকে সরিয়ে অস্থায়ী ভাবে বসান রতনবাবুকে। যা দেখে ইন্ডাস্ট্রির অন্দরে প্রশ্ন উঠেছে, এভাবেও কি সম্ভব? কিসের এত তাড়া?

এ দিন তারই জবাব দিতে গিয়ে রতনবাবুর যুক্তি, কমিটি দুর্নীতিগ্রস্ত। পরিবেশ কলুষিত। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব সেই গ্লানি সরাতে হবে। তারই চেষ্টা চলছে। এ-ও জানান, কমিটি অবৈধ হলে তাকে ধ্বনিভোটে সরানো যায়। পিয়া এবং তাঁর কমিটির বিরুদ্ধে যেমন দুর্নীতির অভিযোগ, একই অভিযোগ কিছু বিক্ষুব্ধ প্রযোজকের বিরুদ্ধেও। কখনও সরাসরি, কখনও পরোক্ষে কটাক্ষ করা হচ্ছে তাঁদের। দুর্নীতিমুক্ত সংগঠন গড়ার লক্ষ্য যাঁর, তিনি কি এই সদস্যদের নিয়ে সেই লক্ষ্যপূরণ করতে পারবেন? প্রশ্ন ছিল আনন্দবাজার ডট কম-এর। রতন সাহা এবং সংগঠনের অন্যতম বর্ষীয়ান সদস্য শ্যামল দত্ত বিষয়টি অস্বীকার করেননি। তাঁদের মতে, “আমাদের সে বিষয়ে নজর রয়েছে। তিন মাস পরে নির্বাচন। জয়ী হয়ে কমিটি গড়ার সময় আমরা যোগ্যদের হাতেই দায়িত্ব তুলে দেব।”

Advertisement
আরও পড়ুন