Manicure trends 2026

জাপানি পন্থায় নখচর্চা! তাতেই মজছে নতুন প্রজন্ম? হাতের যত্নে কেন তা জনপ্রিয় হচ্ছে?

শুধু লম্বা নয়, সুন্দর নখেও ভরসা রাখছেন কেউ কেউ। নকল নয়, সেই নখ হবে নিজেরই। জাপানি পন্থায় রূপচর্চা নিয়ে যেমন নতুন প্রজন্মের মধ্যে হইচই, তেমনই জাপানি ম্যানিকিয়োর বা হাত এবং নখের যত্নের পন্থা নিয়েও আগ্রহ বাড়ছে। কী লাভ হয় এতে?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২৬ মে ২০২৬ ১৫:১৫
জাপানি পন্থায় নখচর্চা  করলে কী লাভ হবে?

জাপানি পন্থায় নখচর্চা করলে কী লাভ হবে? ছবি:সংগৃহীত।

লম্বা নখ, শৌখিন কারুকাজ, উজ্জ্বল রং— তেমন নখে চোখ আটকাতে বাধ্য। গত এক দশকে ক্রমশই বেড়েছে নেলআর্টের কদর। নিজের নখের বদলে কৃত্রিম নখ ব্যবহার করে তাতে নজরকাড়া রং, নকশার বৈচিত্র ক্রমশই জনপ্রিয় হয়েছে। তবে সকলেই যে সব সময় তা পছন্দ করছেন, তেমন নয়। বরং এর উল্টোটাও আছে।

Advertisement

শুধু লম্বা নয়, সুন্দর নখেও ভরসা রাখছেন কেউ কেউ। নকল নয়, সেই নখ হবে নিজেরই। জাপানি পন্থায় রূপচর্চা নিয়ে যেমন নতুন প্রজন্মের মধ্যে হইচই, তেমনই জাপানি ম্যানিকিয়োর বা হাত এবং নখের যত্নের পন্থা নিয়েও আগ্রহ বাড়ছে। কারণ, এই পন্থা রঙিন নেলপলিশের বদলে নখের স্বাভাবিক সৌন্দর্যে বিশ্বাসী। এই কায়দায় নখ হবে নিজে থেকেই সুন্দর। থাকবে নিজস্ব গোলাপি আভা এবং একই সঙ্গে চকচকে ভাব।

দীর্ঘ দিন ধরে নানা রকম নখরঞ্জনী ব্যবহারের ফলে, রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসায় নখের ক্ষতি হয়, নখ ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। কিন্তু জাপানি নখচর্চার এই পন্থায় তা স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে ওঠে। ফলে সুন্দর পোশাকের সঙ্গে নখ তার নিজগুণেই মাানানসই হয়ে নজর কাড়বে।

জাপানি ম্যানিকিয়োরের উপকারিতা

এই ধরনের ম্যানিকিয়োরের মূল কথাই হল নখ এবং হাতের যত্ন। খনিজ সমৃদ্ধ মিশ্রণের ব্যবহারে নখ হয় উজ্জ্বল, সুন্দর। নখের পরিচর্যায় বিওয়্যাক্স বা তেল দিয়ে মাসাজ করা হয়। রক্ত সঞ্চালন ভাল হয় এতে, নখ মজবুতও হয়ে ওঠে। বাজারচলতি নেপলপলিশের বদলে এখানে যে পরত ব্যবহার হয়, তাতে গোলাপি হয়ে ওঠে নখ, মুক্তোর মতো আভা লেগে থাকে তাতে। ফলে খুব স্বাভাবিক, কিন্তু চটকদার দেখায়।

কী ভাবে করা হয় এমন ম্যানিকয়োর

সালোঁয় পেশাদারদের কাছেই এই ম্যানিকয়োর করানো ভাল। কারণ তাঁরা সঠিক পন্থা জানেন, জানেন কী করে মাসাজ় করতে হয়। তবে চাইলে এই কিট কিনে বাড়িতেও ম্যানিকয়োর করা যায়।

  • প্রথমেই পুরনো নেলপলিশ তুলতে হবে। নখের কোণে থাকা ময়লাও ভাল করে পরিষ্কার করে নিতে হবে। ঈষদুষ্ণ জলে বডি শ্যাম্পু মিশিয়ে নখ ডুবিয়ে রাখলে, তা পরিষ্কার হয়ে যাবে।
  • পরের ধাপে নেল বাফার দিয়ে নখ ঘষে ছোট করে নিন। নখের উপরিভাগের মৃত কোষ তা দিয়ে আলতো করে ঘষে পরিষ্কার করে নিন। ব্যবহার করা যায় কিউটিক্‌ল রিমুভার কিটও।
  • তৃতীয় ধাপে বিশেষ ক্রিম দিয়ে মাসাজ করতে হবে নখ। এতে থাকে বি ওয়্যাক্স, উদ্ভিজ্জ তেল-সহ নখের জন্য প্রয়োজনীয় কিছু উপাদান। মাসাজের ফলে নখে, আঙুলে রক্ত সঞ্চালন ভাল হয়।
  • পরের ধাপে ব্যবহার হয় খনিজের গুঁড়ো। ভিটামিন, খনিজ, মুক্তোর গুঁড়ো, সিউইড নির্যাস থাকে এতে। নখে যে চকচকে আভা আসে তা কোনও নেলপলিশের জন্য নয়, বরং এই খনিজের গুঁড়ো থেকেই আসে।
  • পঞ্চম ধাপে নখের উপরিস্তর বা শক্ত আবরণটিকে আর্দ্র করা হয়। এতে নখের জন্য উপকারী তেল ব্যবহার করা থাকে। যা নখ মজবুত করতে সাহায্য করে।
Advertisement
আরও পড়ুন