জাপানি পন্থায় নখচর্চা করলে কী লাভ হবে? ছবি:সংগৃহীত।
লম্বা নখ, শৌখিন কারুকাজ, উজ্জ্বল রং— তেমন নখে চোখ আটকাতে বাধ্য। গত এক দশকে ক্রমশই বেড়েছে নেলআর্টের কদর। নিজের নখের বদলে কৃত্রিম নখ ব্যবহার করে তাতে নজরকাড়া রং, নকশার বৈচিত্র ক্রমশই জনপ্রিয় হয়েছে। তবে সকলেই যে সব সময় তা পছন্দ করছেন, তেমন নয়। বরং এর উল্টোটাও আছে।
শুধু লম্বা নয়, সুন্দর নখেও ভরসা রাখছেন কেউ কেউ। নকল নয়, সেই নখ হবে নিজেরই। জাপানি পন্থায় রূপচর্চা নিয়ে যেমন নতুন প্রজন্মের মধ্যে হইচই, তেমনই জাপানি ম্যানিকিয়োর বা হাত এবং নখের যত্নের পন্থা নিয়েও আগ্রহ বাড়ছে। কারণ, এই পন্থা রঙিন নেলপলিশের বদলে নখের স্বাভাবিক সৌন্দর্যে বিশ্বাসী। এই কায়দায় নখ হবে নিজে থেকেই সুন্দর। থাকবে নিজস্ব গোলাপি আভা এবং একই সঙ্গে চকচকে ভাব।
দীর্ঘ দিন ধরে নানা রকম নখরঞ্জনী ব্যবহারের ফলে, রাসায়নিকের সংস্পর্শে আসায় নখের ক্ষতি হয়, নখ ভঙ্গুর হয়ে পড়ে। কিন্তু জাপানি নখচর্চার এই পন্থায় তা স্বাস্থ্যোজ্জ্বল হয়ে ওঠে। ফলে সুন্দর পোশাকের সঙ্গে নখ তার নিজগুণেই মাানানসই হয়ে নজর কাড়বে।
জাপানি ম্যানিকিয়োরের উপকারিতা
এই ধরনের ম্যানিকিয়োরের মূল কথাই হল নখ এবং হাতের যত্ন। খনিজ সমৃদ্ধ মিশ্রণের ব্যবহারে নখ হয় উজ্জ্বল, সুন্দর। নখের পরিচর্যায় বিওয়্যাক্স বা তেল দিয়ে মাসাজ করা হয়। রক্ত সঞ্চালন ভাল হয় এতে, নখ মজবুতও হয়ে ওঠে। বাজারচলতি নেপলপলিশের বদলে এখানে যে পরত ব্যবহার হয়, তাতে গোলাপি হয়ে ওঠে নখ, মুক্তোর মতো আভা লেগে থাকে তাতে। ফলে খুব স্বাভাবিক, কিন্তু চটকদার দেখায়।
কী ভাবে করা হয় এমন ম্যানিকয়োর
সালোঁয় পেশাদারদের কাছেই এই ম্যানিকয়োর করানো ভাল। কারণ তাঁরা সঠিক পন্থা জানেন, জানেন কী করে মাসাজ় করতে হয়। তবে চাইলে এই কিট কিনে বাড়িতেও ম্যানিকয়োর করা যায়।