(বাঁ দিকে) শোয়েব ইব্রাহিম, (ডান দিকে) দীপিকা কক্কর। ছবি: সংগৃহীত।
গত বছরের মে-জুন মাস থেকেই অসুস্থ অভিনেত্রী দীপিকা কক্কর। যকৃতে দ্বিতীয় পর্যায়ের ক্যানসার ধরা পড়েছিল ছোট পর্দার জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীর। হাসপাতালে ভর্তি হয়ে টেনিস বলের আকারের টিউমার বাদ দিয়েছিলেন চিকিৎসকেরা। তার পর থেকে ঘন ঘন অসুস্থতার খবর শোনা গিয়েছে। এই ভাল থাকেন তো, পরক্ষণেই খবর আসে যে, শরীর ভাল নেই তাঁর। এর মাঝেই অবশ্য বিরক্তি প্রকাশ করলেন দীপিকার স্বামী শোয়েব। তিনি উষ্মা প্রকাশ করেই বলেন, ‘‘ মানুষ এত অমানবিক হয়ে উঠেছে!’’
গত কয়েক মাস ধরেই ইব্রাহিম পরিবারের উপর দিয়ে একের পর এক ঝড় বয়ে যাচ্ছে। একে দীপিকার অসুস্থতা, তার মাঝে হাসপাতালে ভর্তি করাতে হয় শোয়েবের বাবাকে। শুধু তা-ই নয়, অভিনেতার বাবার স্ট্রোক হয়, যার ফলে একটা লম্বা সময় পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়। এর পর রটে যায়, অভিনেতার বাবার মৃত্যু হয়েছে। তাতেই বিরক্ত শোয়েব নিজের ব্লগে বলেন, ‘‘মানুষের ধৈর্য নেই এবং ভীষণ অমানবিক হয়ে উঠেছে। এ সব উল্টোপাল্টা কথা ছড়ানোর আগে ভাবুন।’’ পাশপাশি শোয়েব জানান, তাঁর বাবা আগের থেকে অনেকটাই সুস্থ। দিন কয়েক সোডিয়ামের ওঠানামা চলছিল। এখন অভিনেতার বাবা ভাল আছেন। দ্রুত তাঁকে বাড়ি ফেরানোর ব্যবস্থা করছেন। কারণ, সামনেই দীপিকা ও শোয়েবের পুত্র রুহানের জন্মদিন। অভিনেতার বাবা চান নাতির জন্মদিনটা পরিবারের সকলের সঙ্গে উদ্যাপন করতে।
বাবার বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে শোয়েব বলেন, “বাবা এখন অনেকটা ভাল আছেন। প্রতি দিন তাঁর শারীরিক অবস্থার উন্নতি হচ্ছে। কথা বলার ক্ষমতা এবং শরীরের ডান দিক ধীরে ধীরে স্বাভাবিক হয়ে উঠছে। ১০ দিন পর তিনি আবার কথা বলতে শুরু করেছেন। এখন হাসতেও পারছেন। তাঁর স্পিচ থেরাপি শুরু হবে। কারণ, বড় বাক্য বলতে গেলে এখনও কথা জড়িয়ে যাচ্ছে। খুব শীঘ্রই আমি বাবাকে সকলের সামনে নিয়ে আসব।’’২০২১ সালে দীপিকার শ্বশুরের স্ট্রোক হয়। এর পরে একটা লম্বা সময় ধরে হাঁটাচলার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলেন তিনি। সম্প্রতি আবার তাঁর স্ট্রোক হয় তার পরই ছড়িয়ে পড়ে, অভিনেতার বাবা নাকি বেঁচে নেই। সেই সংক্রান্ত নানাবিধ ফোন রাত-দিন পাচ্ছেন শোয়েব, তাতেই বেশ ক্ষুব্ধ অভিনেতা।