অনিরুদ্ধ রায় চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত।
জল বিনে মাছ বাঁচে না। প্রেম বিনে মানুষ? পরিচালক অনিরুদ্ধ রায়চৌধুরী বলছেন, ‘‘এমন জীবন আমি অন্তত চাই না। ১৪ ফেব্রুয়ারি মানেই ১৪ জন প্রেমিকা।’’
পরিচালক আপাতত মুম্বইয়ে। পরের ছবির চিত্রনাট্য লেখার কাজ চলছে তাঁর।
আচমকাই আনন্দবাজার ডট কম-এর সঙ্গে ফোনে অন্তরঙ্গ আড্ডা। সরস্বতীপুজো বাঙালির প্রেমের দিন। ওই দিন স্মৃতি হাতড়াতে তিনি কি নিজের শহরে ফিরেছিলেন? অনিরুদ্ধ জানান, কাজের চাপে ইচ্ছা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। তার পরেই রসিকতা তাঁর, ‘‘যেখানে থাকি, সেখানেই প্রেম কড়া নাড়ে। এখনও ভালবাসতে ভালবাসি।’’
কলেজবেলা থেকেই পরিচালক রোম্যান্টিক। মন রঙিন, জীবন রঙিন নয়! সে সময়ে এক শিক্ষিকার প্রেমে পড়েছিলেন তিনি। একতরফা সেই প্রেমে একাই জ্বলেছেন। ‘‘কি সরস্বতীপুজো, কি ‘ভ্যালেন্টাইন্স ডে’, আমি একা! সঙ্গিনী কেউ আসেনি!’’, বক্তব্য পরিচালকের। তাই কখনও দিদির বাড়ির ছাদ, কখনও আকাশে ভেসে বেড়ানো মেঘের দল তাঁর মন জুড়ে থাকত। ‘‘ওরাই তখন আমার ‘গোপনপ্রিয়া’।’’পরিচালকের জীবনে ভালবাসার উদ্যাপন অনেক পরিণত বয়সে। তিনিই অনিরুদ্ধের ঘরণি, ইন্দ্রাণী মুখোপাধ্যায়। তাই কি এখনও ‘ভ্যালেন্টাইন’-এর খোঁজ তাঁর? পরিচালক এই প্রসঙ্গে চার্লস ডিকেন্সকে মান্যতা দিয়েছেন। কবি-ঔপন্যাসিকের মতোই তিনিও মনে করেন, ‘‘চাই না বাঁচতে আমি প্রেমহীন হাজার বছর। যত দিন জীবন, তত দিন ভালবাসা, মুগ্ধতা!’’ তাই অনিরুদ্ধ অনায়াসে প্রেমে পড়েন সুন্দরীর, ফুলের, ভালমন্দ খাবারের, ভাল কবিতা-গান-উপন্যাসের। এমনকি, সুপুরুষেরও!
পরিচালকের যুক্তি, ‘‘মনের মিল হলে পুরুষের মধ্যেও প্রেম খুঁজে পাই। আমার গিন্নি জানেন।’’