Farhan Akhtar birthday

ধর্মীয় আচারের প্রভাব ছিল না বাড়িতে! কোন বিশ্বাসে ফারহানকে বড় করেছেন জাভেদ আখতার?

ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে নেই, এমন চাপিয়ে দেওয়া মত কখনওই ছিল না বাবার, জানান ফারহান। কিন্তু ছেলেমেয়েরা নিজে থেকেই ধর্মকে দূরে রেখে বড় হয়েছেন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৯ জানুয়ারি ২০২৬ ১২:২৯
জাভেদের শিক্ষায় বড় হয়েছেন ফারহান।

জাভেদের শিক্ষায় বড় হয়েছেন ফারহান। ছবি: সংগৃহীত।

ফারহান আখতারের ৫২ বছরের জন্মদিন। বলিউডে তাঁর একাধিক ভূমিকা। অভিনয়ের সঙ্গে ছবির পরিচালনা, গান বাঁধা, গান গাওয়া, সবটাই একসঙ্গে তাল মিলিয়ে করেন তিনি। পেশাগত জীবনের পাশাপাশি ফারহানের ব্যক্তিগত জীবনও বার বার আলোচনায় উঠে আসে।

Advertisement

বার বার ফারহান জানিয়েছেন, তাঁর শৈশবে কোনও ধর্মেরই কোনও প্রভাব ছিল না। জাভেদ আখতার ও হনী ইরানির সংসারে জন্মেছিলেন অভিনেতা। কী ভাবে ধর্মকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন উৎসবে শামিল হতেন, তা নিয়েও কথা বলেছেন। জাভেদই তাঁকে ধর্মের প্রভাব থেকে বাঁচিয়ে বড় করেছিলেন। শিখিয়েছিলেন, চলার পথে প্রতিটি বিষয়কে প্রশ্ন করতে হয়। ফারহানও মনে করেন, ধর্মহীন ভাবে কেউ বড় হলে, স্বাভাবিক ভাবেই তাঁরা সব কিছুকে প্রশ্ন করতে শেখেন।

ঈশ্বরে বিশ্বাস করতে নেই, এমন চাপিয়ে দেওয়া মত কখনওই ছিল না বাবার, জানান ফারহান। কিন্তু ছেলেমেয়েরা নিজে থেকেই ধর্মকে দূরে রেখে বড় হয়েছেন। পরিবেশটাই এমন ছিল যেখানে, তাঁরা যুক্তি ও বিজ্ঞানের উপর বিশ্বাস রেখেই বড় হয়েছেন। কেউ কেউ ঈশ্বরকে বিশ্বাস করে মনের জোর বৃদ্ধি করতে পারেন। কিন্তু যাঁরা বিশ্বাস করেন না, তাঁদের নিরাপত্তাবোধ তৈরি করতে কিছুটা বেগ পেতে হয়। এমনই মত ফারহানের।

শৈশবে ধর্ম বলতে কেবল ধর্মীয় উৎসবই বুঝতেন অভিনেতা। প্রতিটি উৎসবই উপভোগ করতেন তিনি। দোল, দীপাবলি, ইদ, বড়দিন, সব উৎসবেই সমান ভাবে যোগ দিতেন তিনি। উৎসবে বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানো, খাওয়াদাওয়া বিশেষ পছন্দ ছিল তাঁর। ধর্মের কথা মাথাতেই আসত না তখন। এই উৎসবগুলিকে তিনি সংস্কৃতি হিসাবে মানতেই বেশি পছন্দ করেন। তাঁর কাছে এইগুলি ধর্মীয় উৎসব নয়।

গত বছর জন্মদিনে তৃতীয় বার বাবা হওয়ার সুখবর দিয়েছিলেন ফারহান। ২০০০ সালে কেশসজ্জা শিল্পী অধুনা ভবানীকে বিয়ে করেছিলেন ফারহান আখতার। দীর্ঘ ১৭ বছরের দাম্পত্য তাঁদের, ২০১৭ সালে বিচ্ছেদ হয়। তার পর, ফারহান ২০২২ সালে শিবানী দান্ডেকরকে বিয়ে করেন। ফারহানের দুই মেয়ে। কৈশোর পার করে ফেলেছেন তাঁরা।

Advertisement
আরও পড়ুন