বয়স নিয়ে কেন ক্ষুব্ধ ঈশা? ছবি: সংগৃহীত।
নারীদের বয়স নিয়ে আলোচনার শেষ নেই। সমাজে এবং বিনোদন জগতে নারীদের বয়স নিয়ে নানা বৈষম্যও রয়েছে। এমনটাই মনে করেন ঈশা কোপ্পিকর। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিয়ো পোস্ট করে অভিনেত্রী প্রশ্ন তুলেছেন, কেন বয়স বৃদ্ধির ক্ষেত্রে নারী ও পুরুষকে আলাদা চোখে দেখা হয়?
ভিডিয়োয় ঈশা বলেন, “কী অদ্ভুত, তাই না? এক জন পুরুষের বয়স বাড়লে বলা হয়, তাঁর অভিজ্ঞতা বেড়েছে। আর একজন নারীর বয়স বাড়লেই বলা হয়, তিনি সমস্যায় পড়েছেন। ছবিতেও তো আমরা দেখি, অনেক নায়ক নিজের থেকে অর্ধেক বয়সি নায়িকার সঙ্গে প্রেম করছেন। সেটাকে সবাই খুব স্বাভাবিক ভাবেই মেনে নেয়।”
এখানেই শেষ নয়। ঈশা আরও বলেন, “কোনও নারী যদি নিজের মতো করে বাঁচতে চান, আত্মবিশ্বাসী হন বা নিজের ব্যক্তিত্ব উদ্যাপন করেন, তখনই বলা হয়, ‘এই বয়সে এ সব মানায় না, বয়সের মতো আচরণ করুন।’ কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে একজন নারী আরও পরিণত হন। তাঁর আত্মবিশ্বাস বাড়ে। তাঁর সৌন্দর্য শুধু মুখে নয়, জীবনের পথচলায় ফুটে ওঠে। মুখের বলিরেখা শুধু বয়সের চিহ্ন নয়, জীবনের লড়াইয়ের সাক্ষী।”
মুখের বলিরেখাই বলে দেয় একজন মহিলা কতটা অভিজ্ঞ ও শক্তিশালী। ঈশা স্পষ্ট জানান, বয়স তো বাড়বেই। তাঁর কথায়, “এটাই তো স্বাভাবিক নিয়ম। আপনার মা, স্ত্রী, বোন, মেয়ে এবং এমনকি, একদিন আপনারও বয়স বাড়বে। তাই বয়স নিয়ে অপমান করবেন না। সব বয়সের নারীকে সম্মান করুন। তাঁদের বয়স নয়, তাঁদের জীবনের পথচলা দেখুন। ত্বক নয়, তাঁদের শক্তি দেখুন। কারণ আত্মবিশ্বাসেরও কোনও বয়স হয় না।”
শেষ বার ২০২৪ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত তামিল ছবি ‘আয়ালান’-এ অভিনয় করেছিলেন ঈশা কোপ্পিকর। শিবকার্তিকেয়নও ছিলেন সেই ছবিতে। ২০০৬ সালে শাহরুখ খান অভিনীত ‘ডন’ ছবিতে কাজ করে প্রচারের আলোয় আসেন অভিনেত্রী।