এই গোল নিয়েই বিতর্ক। ছবি: সমাজমাধ্যম।
শুক্রবার পর্তুগালের বিরুদ্ধে শেষ মুহূর্তে ক্রোয়েশিয়ার একটি গোল বাতিল করা হয়েছিল। মাঠের রেফারি প্রথমে গোল দিলেও ‘ভার’-এর সঙ্গে আলোচনার পর সেটি বাতিল করেন। গোল বাতিলের আসল কারণ নিয়ে মুখ খুলেছে ফিফা। জানা গিয়েছে, ক্রিকেটে ব্যবহৃত একটি প্রযুক্তিই বাঁচিয়ে দিয়েছে ক্রিশ্চিয়ানো রোনাল্ডোদের।
সংযুক্তি সময়ের ১৩ মিনিটে গোল করেন জস্কো গাভার্দিয়ল। ক্রোয়েশিয়ার ফুটবলারদের উৎসব শুরু হয়ে যায়। কিছু ক্ষণ পরেই অবশ্য সেই গোল বাতিল করা হয়। ‘ভার’ একটি প্রযুক্তি কাজে লাগিয়ে গোল বাতিল করেছে। সেই প্রযুক্তির সঙ্গে মিল রয়েছে ক্রিকেটে ‘স্নিকোমিটার’ প্রযুক্তির, যেটি বল ব্যাটে লেগেছে কি না তা দেখতে ব্যবহৃত হয়।
বিশ্বকাপের প্রতিটি বলের ভেতরে রয়েছে একটি উচ্চমানের মাইক্রোচিপ। বলের সঙ্গে যে কোনও কিছু স্পর্শ হলেই সেটি ওই চিপে ধরা পড়বে। সেই চিপ থেকে পাওয়া তথ্যেই জানা গিয়েছে, বলটি বক্সে ভেসে আসার সময় ইগর মাতানোভিচের মাথা হালকা করে স্পর্শ হয়েছে। সেখান থেকে পর্তুগালের রেনাতো ভেগার মাথায় লেগে বল যাঁর পায়ে গিয়েছিল সেই মারিয়ো পাসালিচ দাঁড়িয়েছিলেন অফসাইডে। ফলে পাসালিচের পাস পেয়ে পরে গাভার্দিয়ল গোল করলেও আগেই অফসাইড হয়ে গিয়েছিল।
ফিফা এই বিষয়ে সমাজমাধ্যমে জানিয়েছে, ‘কানেক্টেড বল’ প্রযুক্তির মাধ্যমে দেখা গিয়েছে, বল মাতানোভিচের মাথা আগে ছুঁয়েছে। সেই মুহূর্তে পাসালিচ অফসাইডে ছিলেন। তাই রেফারি অফসাইডের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।