ভোট নিয়ে মাধবী মুখোপাধ্যায়ের মতামত। ছবি: সংগৃহীত।
মাধবী মুখোপাধ্যায়: কী জানি! বুঝতে পারি না। যখন জ্যোতি বসু এসেছিলেন, তাঁকেও ভাল মনে হয়েছিল। ও দিকে ইন্দিরা গান্ধী, জওহরলাল নেহরুকেও ভাল লাগত। তার পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এলেন, তাঁকেও ভাল লাগে। দুঃস্থ শিল্পীদের সাহায্য করেন তিনি। দরিদ্রদের পাশে থাকেন। ফলে সবাই-ই ভাল। কেউ খারাপ নন। কিন্তু আমাদের দেশের দুরবস্থার শেষ নেই। তাই ও রকম ভাবে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে কারও নাম নিতে চাই না। পদে বসার পর দেখা যাবে, তিনি কেমন।
মাধবী: যাঁকে আমার ভাল লাগে, তাঁকেই ভোট দিই। দলের মধ্যে কেউ কাজ করেন, কেউ করেন না। যিনি অকাজের, তাঁকে ভোট দিই না।
মাধবী: পরীক্ষা কী করে নেওয়া হবে? মানুষের মনের ভিতরে ঢুকতে হবে, তবে তো প্রশ্নপত্র তৈরি হবে! পরীক্ষা বা প্রশিক্ষণের বদলে কেবল সেই ব্যক্তির মানসিকতাটাই বোঝা উচিত। কারণ, সেটাই আসল।
মাধবী: কখনওই হব না বিধায়ক। কারণ, সে কাজ আমি জানি না। তবে সমাজের বদল চাই। সকলে যেন খেতে পায়, মাথার উপরে ছাদ পায়।
মাধবী: এখন আমাদের বাংলা ছবি একেবারেই চলছে না। কিন্তু তার দায় তো সরকারের নয়। নির্মাতাদের ভাবতে হবে, দর্শক কী চায়। তাই ভোট প্রচারে এই প্রসঙ্গ তোলার মানে নেই।
মাধবী: ঘরে ঘরে শিক্ষা দেওয়া উচিত। সন্তানদের সততার পাঠ পড়ানো উচিত। তবেই পরের প্রজন্মগুলিতে দুর্নীতির পরিমাণ কমবে।
মাধবী: এই সিদ্ধান্তের জন্য তো নিযুক্ত ব্যক্তিরা আছেন। আমি এ সব নিয়ে ব্যস্ত নই। তবে হ্যাঁ, সুবিধাবাদীরা যে ভাবে দলবদল করতে থাকেন, তার বিরুদ্ধে যে কোনও পদক্ষেপেই আমি খুশি হব।
মাধবী: এমন কোনও শব্দ ব্যবহার করা উচিত নয়, যা মানুষের খারাপ লাগবে। মানুষ যদি মানুষকে ভালবাসতে পারে, তা হলে এই দেশটা সুন্দর হয়ে যাবে। অপশব্দ বা ঘৃণা দিয়ে কোনও ভাল কাজ হতে পারে না। মানুষকে ভাল না বাসলে তো দেশকে ভালবাসা যায় না।
মাধবী: উন্নয়ন। প্রতিটি মানুষের জন্য উন্নয়ন গুরুত্বপূর্ণ।
মাধবী: কেন করবে না? মানুষের জন্যই তো ভাতা তৈরি। তাতে মানুষের উন্নতি হলে সমাজেরও হচ্ছে।
মাধবী: বিরোধীশূন্য হয় না কখনও। হতেই পারে না।
মাধবী: হ্যাঁ, হতে পারে। কিন্তু দলগুলো দেখে না, যে তারকাদের দলে নিচ্ছেন, তাঁদের দেশের প্রতি, দশের প্রতি আদৌ ভালবাসা আছে কি না। ‘আমিত্ব’ থেকেই বেরোতে পারেন না কেউ। খুব কম লোক পারেন স্বার্থহীন ভাবে কাজ করতে।
মাধবী: আমাদের মুখ্যমন্ত্রীই তো ভাল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ই আমার পছন্দের রাজনীতিবিদ।