shilpa shetty

ঘাড় ঘোরাতে পারতেন না শিল্পা শেট্টী, অবশেষে কী ভাবে শারীরিক অসুস্থতা থেকে মুক্তি পেলেন তিনি?

একটা সময়ে শিল্পা নাকি ঘাড়ই ঘোরাতে পারতেন না। স্পন্ডিলাইটিসের তীব্র যন্ত্রণায় ভুগতেন। দীর্ঘ কয়েক বছর এই যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে তাঁকে। কী ভাবে মিলল স্বস্তি?

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ২২ জুন ২০২৬ ১৪:৫৪
শিল্পা শেট্টী।

শিল্পা শেট্টী। ছবি: সংগৃহীত।

শিল্পা শেট্টী বলিউডের অন্যতম ফিট অভিনেত্রী। শারীরচর্চা নিয়ে ভীষণ সচেতন তিনি। যেমন শারীরচর্চা করেন, তেমনই খেতেও ভালবাসেন। বয়স বেড়েছে তবে শরীরে এতটুকু মেদ জমতে দেননি শিল্পা। এটা তাঁর দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অভ্যাসের ফল। ২১ জুন দেশের বিভিন্ন জায়গায় যোগ দিবস পালিত হয়েছে। বিভিন্ন অভিনেতা-অভিনেত্রীদের দেখা গিয়েছে যোগ দিবসে যোগ দিতে। তবে এই যোগাভ্যাস নিয়ে বহু বছর ধরেই প্রচার চালাচ্ছেন অভিনেত্রী শিল্পা।

Advertisement

যোগ দিবসের বিশেষ অনুষ্ঠানে গিয়ে শিল্পা জানান, একটা সময়ে তিনি নাকি ঘাড় ঘোরাতে পারতেন না। স্পন্ডিলাইটিসের তীব্র যন্ত্রণায় ভুগতেন। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে নাকি এই যন্ত্রণা ভোগ করতে হয়েছে তাঁকে। সেই সময়ে যোগাভ্যাস যেন ম্যাজিকের মতো কাজ করে শিল্পার শরীরে। সম্প্রতি যোগ দিবস উপলক্ষে হরিয়ানার একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন শিল্পা। সেখানেই তিনি জানান যে, নিজের ইচ্ছায় শারীরচর্চা শুরু করেছিলেন, এমন নয়। বরং তাঁর থেরাপিস্ট যোগাভ্যাসের উপদেশ দেন। যখন তিনি যোগব্যায়াম শুরু করেন, সেই সময়ে প্রচুর ওষুধ খেতে হচ্ছিল তাঁকে।

যোগ অবস্থায় শিল্পা শেট্টী।

যোগ অবস্থায় শিল্পা শেট্টী।

যোগাভ্যাস যেন অভিনেত্রীর জীবনের অন্য একটা মানে এনে দেয়। শারীরচর্চা নিয়ে উৎসাহি হয়ে ওঠেন তিনি। শিল্পার কথায়, ‘‘আমি যত যোগশিক্ষার ভিতরে ঢুকি, আমার শরীর যেন তার উত্তর দিতে শুরু করল। একটা সময়ে আমি ঘাড় ঘোরাতে পারতাম না, পিছনে ফিরতে কষ্ট হত। এখন আমি ‘হেডস্ট্যান্ড’ করি। যোগপ্রশিক্ষণ শুরু করার পরে জীবনযাপনে আমূল পরিবর্তন এসেছে। যোগাভ্যাস থেকে শিখেছি, মানুষের শরীর নয়, মনই বেশি শক্তিশালী।’’

এ ছাড়াও শিল্পার জীবনযাত্রার সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হল— নিয়ম মেনে, ঘড়ি ধরে সব কাজ করা। সুস্থ থাকতে সব সময়ে কৃচ্ছ্রসাধন বা ঘণ্টার পর ঘণ্টা ব্যায়ামের প্রয়োজন হয় না। বরং সময়মতো ঘুম, প্রতি দিনের শারীরচর্চা, সাধারণ খাবার এবং নিজের জন্য কিছুটা নির্দিষ্ট সময় — এই কয়েকটি অভ্যাসই দীর্ঘ মেয়াদে সবচেয়ে বেশি উপকার করতে পারে বলে তাঁর বিশ্বাস।

Advertisement
আরও পড়ুন