ম্যাগাজ়িনের প্রচ্ছদে সাহসী পূজা। ছবি: সংগৃহীত।
১৭ বছর বয়সে বাবা মহেশ ভট্টের পরিচালনায় টেলিভিশন ফিল্ম ‘ড্যাডি’তে প্রথম অভিনয় করতে দেখা যায় পূজা ভট্টকে। নব্বইয়ের দশকের গোড়ায় মুক্তিপ্রাপ্ত ‘দিল হ্যায় কে মানতা নহি’ ছবিতে আমির খানের বিপরীতে অভিনয় করে প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন পূজা। ‘সড়ক’, ‘জুনুন’, ‘চাহত’, ‘তমন্না’, ‘বর্ডার’-এর মতো একাধিক হিন্দি ছবিতে অভিনয় করেছেন পূজা। বলিউডে আত্মপ্রকাশের পর থেকেই আলোচিত ছিলেন পূজা। ঠোঁটাকাটা বলে দুর্নাম ছিল তাঁর। নিজের কেরিয়ারের শুরুর দিকে এক সাহসী কাণ্ড ঘটান পূজা, যা নিয়ে এক সময় বিতর্কও হয়। ১৯৯৩ সালে একটি ম্যাগাজ়িনের জন্য গায়ের রং করান। অনেকে তখন ভাবেন, বিবস্ত্র হয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান তিনি। এ বার তা নিয়েই বললেন পূজা।
পূজা তখন ‘ফির তেরি কহানি ইয়্যাদ আয়ি’ ছবিতে কাজ করছেন। সেই সিনেমার বিখ্যাত গান ‘তেরে দর পর সনম’ গানের শুটিং শেষ করে এই ম্যাগাজ়িনের প্রচ্ছদ শুট করতে যান পূজা। তখন রাত সাড়ে ৯টা। এটা অনুপ্রাণিত হয়েছিলেন হলিউড নায়িকা ডেমি মুরকে দেখে। তিনিই এই ম্যাগাজ়িনের জন্যই শুধু রং দিয়ে শরীরে পোশাক এঁকে ক্যামেরার সামনে দাঁড়ান। যদিও পূজা বিবস্ত্র হননি। তাঁর দাবি, তিনি অন্তর্বাস পরেছিলেন। তবে সেই ছবি নিয়ে বিতর্ক শুরু হতে না হতেই মুম্বইয়ে বোমা বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। তার ফলে পূজার এ হেন সাহসী কাণ্ড যেন ধামাচাপাই পড়ে যায়। তিনি বলেন, ‘‘প্রথমত অনেকেই বলেছিলেন আমি নগ্ন হয়ে ক্যামেরার সামনে দাঁড়াই। সেটা সত্যি নয়। দ্বিতীয়ত, এটা নিয়ে বিতর্ক শুরু হতে না হতেই মুম্বই বোমা বিস্ফোরণের মতো ঘটনা ঘটে শহরে। স্বাভাবিক ভাবে মানুষ সে সব নিয়ে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।’’ যদিও সেই সময় দাঁড়িয়ে যথেষ্ট সাহসের সঙ্গে সে কাজ করেন বলেই মনে করেন মহেশ-কন্যা।