Pooja bhatt

‘কখনও মা হওয়ার তাগিদ অনুভব করিনি’, পূজা ভট্টের ১১ বছরের দাম্পত্য ভাঙার নেপথ্যে কী কারণ?

মণীশ ও পূজার বিয়ে ভাঙার নেপথ্যে ছিল না কোনও তৃতীয় ব্যক্তি। বরং অন্য এক কারণ বড় হয়ে দাঁড়ায় তাঁদের সম্পর্কের মাঝে। জানালেন পূজা।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১৯:১১
পূজা ভট্ট।

পূজা ভট্ট। ছবি: সংগৃহীত।

ভিডিয়ো জকি ও রেস্তরাঁ মালিক মণীশ মখিজার সঙ্গে ২০০৩ সালে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন পূজা। গোয়ায় চুপিসারে বিয়ে সারেন। যখন বিয়ে করেন তখন মণীশ তাঁর কাকার প্রযোজনা সংস্থার সহকারী পরিচালক। প্রায় ১১ বছর পরে, ২০১৪ সালে বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটেন পূজা ও মণীশ। একটা লম্বা সময়ে অবসাদে ছিলেন পূজা। বিয়ে ভাঙার নেপথ্যে যদিও ছিল না কোনও তৃতীয় ব্যক্তি। অন্য এক কারণে নাকি বিয়ে ভাঙে মণীশ-পূজার।

Advertisement

বিচ্ছেদ পরবর্তী সময়টা পূজার জীবনের সবচেয়ে কঠিন ছিল। বিচ্ছেদের পরে মদে আসক্ত হয়ে পড়েন অভিনেত্রী, এমনটাই দাবি করেন তিনি। ব্যাঙ্কে ছিল মাত্র চার হাজার টাকা। যদিও তাতে বিশেষ যায় আসত না তাঁর। পূজা জানান, তিনি বিয়ের সম্পর্কে থেকেও একাকিত্বে ভুগতে শুরু করেন। তখনই বুঝতে পারেন যে, তাঁর বিবাহিত জীবন ভাল কাটছে না। তিনি একা হয়ে পড়ছেন। সম্পর্কে ফাটল ধরছে। এমনকি তিনি নাকি নিজের নারীসত্তাকেও হারিয়ে ফেলেন। অনেকেই সন্দেহ করেছিলেন যে, হয়তো তাঁদের বিয়ে ভাঙার নেপথ্যে ছিল কোনও তৃতীয় ব্যক্তি। যদিও সেই দাবি, নস্যাৎ করেন পূজা। জানান, তিনি কখনও তাঁর স্বামীর সঙ্গে প্রতারণা করেননি। তবে সম্পর্ক ভাঙার নেপথ্যে নাকি ছিল পূজার মা না হওয়ার সিদ্ধান্ত।

পূজা বলেন, ‘‘আমি সন্তানের দায়িত্ব সামলাতে পারতাম না। আমি বাচ্চা ভালবাসি। কিন্তু মা হওয়ার তাগিদ কখনও অনুভব করিনি। আমার স্বামী, শ্বশুরবাড়ির সকলেই খুব ভাল ছিল। সন্তান না নেওয়ার সিদ্ধান্ত আমার ছিল।’’ বড়পর্দা থেকে বহু বছর বিরতি নিয়েছিলেন পূজা। ২০২১ সালে ‘বম্বে বেগমস’ নামের একটি ওয়েব সিরিজ়ে অভিনয় করে আবার জোরকদমে অভিনয়জগতে ফিরে আসেন তিনি।

Advertisement
আরও পড়ুন