Bollywood Gossip

দেউলিয়া হয়ে যায় ফরাহ খানের পরিবার, নেপথ্যে নাকি ছিলেন পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের বাবা!

ছোটবেলায় এমন সময়ে এসেছিল যখন সকাল থেকে উঠে ভয় পেতেন ফরাহ খান। জানতেন, বাবা মত্ত অবস্থায় যা খুশি করে ফেলতে পারেন! শৈশব কেটেছে চরম অর্থকষ্টে। তার নেপথ্যে নাকি ছিলেন অয়ন মুখোপাধ্যায়ের বাবা দেব মুখোপাধ্যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ৩০ মে ২০২৬ ১৮:৩৮
Farah Khan Says Director Ayan Mukerji’s father made them poor

অয়নের বাবা ফরাহের পরিবারের সঙ্গে কী এমন করেন? গ্রাফিক: আনন্দবাজার ডট কম।

শৈশব কেটেছে চরম অর্থকষ্টে। ফরাহ খানের বাবা কামরান খান যখন মারা যান, তখন তাঁর পকেটে মাত্র ৩০ টাকা। ফরাহের বাবা একসময় সফল চলচ্চিত্র নির্মাতা ছিলেন। কিন্তু, তিনি ‘অ্যায়সা ভি হোতা হ্যায়’ নামের একটি বড় ছবিতে সব টাকা বিনিয়োগ করে দিয়েছিলেন। ছবিটি বক্সঅফিসে ব্যর্থ হয়েছিল। তার পরেই তাঁদের জীবন একেবারে বদলে যায়। ফরাহ বলেছিলেন, “সূর্য ডুবলেই আমরা ভয় পেতাম। জানতাম, রাতে বাবা মদ খেলে কী ঘটতে পারে! আমরা ধনী থেকে হঠাৎই গরিব হয়ে গিয়েছিলাম।” এ বার ফরাহ জানালেন, তাঁদের এই দুর্দশার নেপথ্যে নাকি ছিলেন পরিচালক অয়ন মুখোপাধ্যায়ের বাবা দেব মুখোপাধ্যায়।

Advertisement

ফরাহ জানান, তাঁর বাবার ছবি ‘অ্যায়সা ভি হোতা হ্যায়’ যে শুক্রবার মুক্তি পায়, তার পরের সোমবারেরর মধ্যে প্রেক্ষাগৃহ থেকে উঠে যায়। এই ছবির নায়ক ছিলেন অয়নের বাবা। ফরাহ জানান, তাই অয়নের বাবাই নাকি দায়ী তাঁদের দারিদ্রের জন্য। পরিচালক বলেন, ‘‘তখনকার দিনে প্রযোজক বা লগ্নিকারিই শেষ কথা বলত। এই ছবিতে আমার বাবার সব টাকা দিয়ে দিয়েছিলেন। তাই যখন আমার বাবার ছবি ব্যর্থ হল, প্রায় পথে এসে দাঁড়ালাম আমরা।’’ কঠিন শৈশবের জন্য ‘নেপোকিড’ ট্যাগটি মেনে নিতে পারেন না ফরাহ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, “আমি ‘নেপো-সন্তান’ নই। আমরা খুবই গরিব হয়ে গিয়েছিলাম। আমার বাবা যখন মারা যান, তখন তাঁর পকেটে মাত্র ৩০ টাকা ছিল।” কেন হঠাৎ নিজের ছবির জন্য সব টাকা দিয়ে দিলেন ফরাহের বাবা? বলিউড নৃত্য প্রশিক্ষক তথা পরিচালক বলেন, “বাবা বড় কিছু করতে চেয়েছিলেন। তিনি বাড়ি পর্যন্ত বন্ধক রেখেছিলেন। ওই ছবিটি শুক্রবার মুক্তি পায়, আর রবিবারের মধ্যে আমরা গরিব হয়ে যাই।”

ফরাহ জানান, এই ঘটনার পরে তাঁর বাবা এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, তিনি ১৩ বছর বাড়ির বাইরে বেরোননি এবং কোনও কাজও করেননি।

Advertisement
আরও পড়ুন