Rajpal Yadav Cheque bounce Case

‘অসৎ উদ্দেশ্য ছিল’, রাজপালের জামিনের নেপথ্যে জটিলতা নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেতার আইনজীবী

৯ কোটি টাকার ঋণ শোধ করতে না পারার অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন রাজপাল যাদব। নিজেই তিহাড় জেলে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এই জটিলতার সূত্রপাত ২০১০ সালের এক প্রযোজনা সংস্থা থেকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ১৭:৫৫
Rajpal Yadav’s lawyer said that complainant had malicious intention

কী বক্তব্য রাজপালের আইনজীবীর? ছবি: সংগৃহীত।

জামিন পেয়েছেন অভিনেতা রাজপাল যাদব। তবে আইনি জটিলতা কাটিয়ে তাঁর জামিন করানো মোটেই সহজ ব্যাপার ছিল না। জানালেন রাজপালের আইনজীবী ভাস্কর উপাধ্যায়।

Advertisement

৯ কোটি টাকার ঋণ শোধ করতে না পারার অভিযোগে আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন রাজপাল। নিজেই তিহাড় জেলে আত্মসমর্পণ করেছিলেন। এই আইনি জটিলতার সূত্রপাত হয়েছিল ২০১০ সালের এক প্রযোজনা সংস্থা থেকে। রাজপাল সম্পর্কে তাঁর আইনজীবীর বক্তব্য, “উনি আইনজীবী নন। ফলে উনি আইনের বিষয় বিশদে বোঝেনও না। উনি একজন অভিনেতা। একজন পারিবারিক মানুষ। আদালতের কাছে উনি স্পষ্ট বলেই দিয়েছিলেন, ‘আমার যা বাকি আছে, আমি সব ধার মিটিয়ে দেব।’ আসলে রাজপালের নিজেরও তো এই প্রজেক্টে অবদান ছিল। উনি কিন্তু পালিয়ে যাননি বিষয়টি থেকে।”

অভিযোগকারীরা আসলে অর্থ চাননি। চেয়েছিলেন রাজপালের কারাবাস হোক, অভিযোগ করেছেন ভাস্কর। তাঁর কথায়, “শুধুই টাকার বিষয় হলে, সবটা অন্য রকম হত। কিন্তু নেপথ্যে অসৎ উদ্দেশ্য ছিল।” অভিযোগে নাকি সরাসরি রাজপালকে স‌ংশোধনাগারে পাঠানোরও আবেদন ছিল।

গত সোমবার ছিল এই মামলার শুনানি। দিল্লি হাই কোর্ট নির্দেশ দেয়, সোমবার দুপুর ৩টের মধ্যে অভিযোগকারী পক্ষের নামে দেড় কোটি টাকা ডিমান্ড ড্রাফ্ট জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা জমা দিয়েই অন্তর্বর্তী জামিন পান অভিনেতা।

উল্লেখ্য, রাজপালের বিরুদ্ধে ‘চেক বাউন্স’ সংক্রান্ত অভিযোগ থেকে এই মামলায় সূত্রপাত। অভিযোগকারী পক্ষের আইনজীবী অবনীত সিংহ সিক্কার দাবি, রাজপাল মোট সাতটি চেকে সই করেছিলেন। প্রতিটির অঙ্ক ছিল দেড় কোটি টাকা। চেক বাউন্স হওয়ার পরে আদালত প্রতিটি মামলায় তাঁকে তিন মাস করে কারাদণ্ডের নির্দেশ দেয়। সেই সঙ্গে প্রতিটি চেকের জন্য ১ কোটি ৩৫ লক্ষ টাকা করে জরিমানাও ধার্য করা হয়।

Advertisement
আরও পড়ুন