স্বামীর কারণেই অভিনয়কে বিদায় জানান অভিনেত্রী সানা খান! ছবি: সংগৃহীত।
২০২০ সালে দীর্ঘ কর্মজীবনে ইতি টানেন সানা খান। বিনোদনজগত থেকে সরে জানিয়েছিলেন, অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়ে ইসলামের পথে চলতে চান। এর ক’দিনের মধ্যেই মুফতি আনাস সইদের সঙ্গে বিয়ে হয় তাঁর। তিনি মৌলবী এবং ইসলাম ধর্মের চর্চাকারী। বিয়ের পরে সানার একাধিক পরিবর্তন নিয়েও প্রবল হইচই হয়। অনেকেই বলেন, স্বামী মগজধোলাই করেছেন সানার। অবশেষে মুখ খুললেন সানা।
সম্প্রতি একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে এসে সানা জানান, তাঁর বিয়ের খবর তিনি খুবই ব্যক্তিগত রেখেছিলেন। তিনি ও তাঁর বাবা-মা ছাড়া আর কেউই জানত না। এমনকি তাঁর তুতো ভাইবোনেরা পর্যন্ত বিয়ের ছবি দেখার পরে সবটা জানতে পারেন। সেই সঙ্গে সানা জানান, অভিনয় থেকে দূরে যাওয়ার সিদ্ধান্তটা বেশি কষ্টকর ছিল তাঁর পক্ষে। তবে স্বামীর প্রশংসা করে বলেন, ‘‘ওই সময়টা আমার জীবনে একটা বড়সড় পরিবর্তন ঘটে। আমি ধীরে ধীরে যেন একটা অন্য মানুষ হয়ে উঠছিলাম। সেটা আমার স্বামীর কারণে হয়নি। আমি বিশ্বাস করি আনাসের থেকে ভাল কোনও ছেলে আমি আমার জীবনসঙ্গী হিসাবে পেতাম না।’’
২০০৫ সালে একটি কম বাজেটের হিন্দি ছবি দিয়ে কাজ শুরু করেন সানা। বিভিন্ন বিজ্ঞাপনের পরিচিত মুখ হয়ে ওঠেন তিনি। এর পর তামিল, তেলুগু, কন্নড়, মালয়ালাম ভাষার একাধিক ছবিতে দেখা যায় তাঁকে। বলিউডে সাফল্য তখনও তাঁর অধরা। ২০১২ সালের রিয়েলিটি শো ‘বিগ বস্’-এ অংশগ্রহণ করার পরে বিপুল জনপ্রিয়তা পান অভিনেত্রী। এর পরে ২০১৩ সালে সলমন খানের ‘জয় হো’ ছবিতে তাঁকে ছোট একটি চরিত্রে দেখা যায়। এক বছর পরে ‘ওয়জহ তুম হো’ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। যদিও বক্সঅফিসে সাফল্য পায়নি সেই ছবি। এ ছাড়াও তাঁকে দেখা যায় ‘স্পেশ্যাল অপ্স্’ ওয়েব সিরিজ়ে। সেখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেন সানা।