কী ভাবে কেটেছে বরুণের ছোটবেলা? ছবি: সংগৃহীত।
বলিউড তারকাদের বিলাসবহুল জীবনযাপনের কথা সকলেরই জানা। তার কিছু ঝলক মাঝেমধ্যে সমাজমাধ্যমেও পাওয়া যায়। তবে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বরুণ ধবন জানান, বেশ দারিদ্রের মধ্যেই ছোটবেলা কেটেছে তাঁর। তিনি নাকি নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবারে বড় হয়েছেন, জানান ‘বদলাপুর’ অভিনেতা। জনপ্রিয় পরিচালকের ছেলে হয়েও নাকি অটোয় চড়ে স্কুলে যেতেন তিনি। কেন?
বলিউডের তারকা পরিচালক ডেভিড ধবনের ছেলে বরুণ। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অকপটে ছোটবেলার গল্প বলেছেন বরুণ। অভিনেতা বলেন, “ছোটবেলায় ঐশ্বর্যের তুলনায় অনেক বেশি ভালবাসা পেয়েছি। কারণ, আমাদের পরিবার এখনকার মতো অতটা সচ্ছল ছিল না। আমরা একেবারে নিম্ন মধ্যবিত্ত পরিবার ছিলাম। কারণ, বাবার কেরিয়ার সে ভাবে সফল হয়নি।”
তিনি আরও জানান, একটা সময় যখন ডেভিডের একের পর এক ছবি মুখ থুবড়ে পড়তে থাকে বক্সঅফিসে, তখন খরচ কমানোর জন্য অটোয় চ়ড়ে স্কুলে যেতেন তিনি। বরুণের কথায়, “আমাকে মেঝেয় শুতে দিন বা বিছানায়, কিছু যেত আসত না। বাবা তো বাড়িতে থাকতেনই না। রাতদিন কাজ করতেন। একসঙ্গে দুটো ছবির কাজও করতেন। মা বলতেন, ‘এই যে খাবারটা খাচ্ছ, সেটা বাবা পরিশ্রম করে আনছেন বলে পাচ্ছ।’ এ সব কথা প্রায়ই শুনতাম। যদি বাবার কোনও সিনেমা চলত না, তা হলে বলা হত, ‘বাবার এই সিনেমাটা ভাল ব্যবসা করেনি। এর পরে কী ভাবে চলবে জানি না। তাই খরচ কমাতে হবে।’”
১৯৮৪ সালে মহেশ ভট্টের ‘সারাংশ’ ছবির সম্পাদক হিসাবে কর্মজীবন শুরু করেন ডেভি়ড। ১৯৮৯ সালে সঞ্জয় দত্ত ও গোবিন্দকে নিয়ে ‘তাকতওয়ার’ ছবির মাধ্যমে পরিচালনা শুরু করেন। ধীরে ধীরে কমেডি ঘরানার ছবিতে হাত পাকান তিনি। ১৯৯৩ সালে ‘আঁখে’ ছবির মাধ্যমে প্রচারের আলোয় আসেন তিনি। এর পরে গোবিন্দকে নিয়ে একাধিক হিট্ ছবি তৈরি করেন তিনি। তার ‘বিবি নং ১’, ‘শোলা অউর শবনম’, ‘কুলি নং ১’, ‘রাজা বাবু’, ‘হিরো নং ১’, ‘পার্টনার’-এর মতো ছবি এখনও দর্শক পছন্দ করেন। নিজের কেরিয়ারে প্রায় ৪৫টি ছবি পরিচালনা করেছেন তিনি।