বলি তারকাদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে দর্শকের মনে এমনিই কৌতূহলের শেষ নেই। চাকচিক্যের আড়ালে বহু শিল্পীদের এমন কিছু বিচিত্র অভ্যাস রয়েছে যা শুনলে হয়তো খানিক অস্বস্তিই হবে অনুরাগীদের। রইল এমনই কিছু শিল্পীদের নাম।
করিনা কপূর খান: ছোট থেকেই দাঁত দিয়ে নখ কাটার অভ্যাস রয়েছে নায়িকার। সেই অভ্যাস নাকি এখনও ছাড়তে পারেননি অভিনেত্রী। তাই বেশিরভাগ সময়েই নকল নখ লাগিয়ে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে যেতে হয় তাঁকে। একবার নায়িকা বলেছিলেন, “আমার নখ কাটার অভ্যাস ছাড়াতে, মা অনেক সময়েই আঙুলে লঙ্কাগুঁড়ো মাখিয়ে দিতেন।”
আমির খান: স্নান করা একেবারেই পছন্দ নয় আমির খানের। শুটিং না থাকলে তিনি নাকি শৌচাগারের ধারপাশ দিয়েও যান না। এমনও হয়েছে যে, পরপর তিন দিন স্নান করেননি আমির। সুযোগ পেলেই নাকি স্নান করেন না ‘মিস্টার পারফেকশনিস্ট’।
সলমন খান: সুগন্ধি সাবান সংগ্রহের নেশা রয়েছে অভিনেতা সলমন খানের। পৃথিবীর যে প্রান্তেই নায়ক যান না কেন, সেখান থেকে সুগন্ধি সাবান কেনেন তিনি। নায়কের সংগ্রহে এমন অনেক সাবান আছে, যা শুনলে বিস্মিত হবে দর্শক।
সুস্মিতা সেন: বদ্ধ জায়গায় স্নান করা মোটে পছন্দ নয় অভিনেত্রী সুস্মিতা সেনের। বরং খোলা আকাশের নীচে স্নান করতে ভালবাসেন সুন্দরী। তাই মাঝেমাঝেই খোলা আকাশের নীচে ‘বাথটাব’-এ স্নান করেন তিনি।
শাহরুখ খান: সকালবেলা বাড়ি থেকে বেরোনোর সময়ে যে জুতো গলান পায়ে, তা আর সারাদিনে খোলেন না শাহরুখ খান। আতঙ্ক, জুতো খুললেই যদি দুর্গন্ধ বেরোয়! ফলে তিনি নাকি একেবারে রাতে বাড়ি ফিরে জুতো খোলেন।
দীপিকা পাড়ুকোন: নায়িকা নাকি বিচিত্র ভাবে সাধারণ মানুষকে পর্যবেক্ষণ করেন। এ কথা নিজেই স্বীকার করেছেন দীপিকা পাড়ুকোন। এক সাক্ষাৎকারে বলেন, “বিমানবন্দরে আমি আজব ভাবে মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকি। তাঁদের পর্যবেক্ষণ করি। যা আমার টিমের অনেকে অস্বস্তিকর বলে মনে করে।”
আলিয়া ভট্ট: অবসর সময়ে প্রতিবেশীদের বাড়িতে উঁকিঝুঁকি দিতে পছন্দ করেন নায়িকা। অভিনেত্রী আলিয়া ভট্ট জানিয়েছিলেন, অবসর সময়ে বাড়িতে বসে থাকলে, প্রতিবেশীদের কাজকর্ম পর্যবেক্ষণ করতে ভালবাসেন তিনি।
প্রিয়ঙ্কা চোপড়া: যে কোনও খাবারের সঙ্গে নানা ধরনের আচার খেতে ভালবাসেন প্রিয়ঙ্কা চোপড়া। তিনি নাকি পিৎজ়ার সঙ্গেও অনেক সময়ে আচার খান।
সইফ আলি খান: বই পড়তে খুব ভালবাসেন অভিনেতা সইফ আলি খান। এমনকি শৌচালয়ে নাকি নিজস্ব লাইব্রেরি তৈরি করেছেন অভিনেতা। সেখানে ফোনের এক্সটেনশনও লাগিয়েছেন। যাতে অনেক ক্ষণ শৌচালয়ে বসে বই পড়তে পারেন।
সঞ্জয় দত্ত: আর পাঁচ জনের মতো বিছানায় ঘুমোতে পারেন না সঞ্জয় দত্ত। তিনি সোফা বা চেয়ারে বসে অনায়াসে ঘুমোতে পারেন।
অমিতাভ বচ্চন: এত দিনে তাঁর ‘বিচিত্র’ অভ্যাসে অভ্যস্ত হয়ে গিয়েছে দর্শক। দু’হাতে দুটো ঘড়ি পরে সর্বত্র ঘুরে বেড়ান বিগ-বি। যা অনেকের চোখেই অস্বস্তিকর অভ্যাস বলে মনে হয়।
সমান্থা রুথ প্রভু: ফোন থেকে নেতিবাচক মানুষকে ‘ব্লক’ করতে ভালবাসেন সমান্থা। এই কথা নিজেই জানিয়েছিলেন নায়িকা।
রণবীর কপূর: বেশ কিছু অদ্ভুত অভ্যাস রয়েছে নায়কের। তবে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য হল, রাস্তায় চলার সময় গাড়ির নম্বর প্লেটের সংখ্যাগুলোর যোগফল এক অঙ্কে না আসা পর্যন্ত সেগুলো যোগ করে যাওয়ার বাতিক রয়েছে রণবীরের!
জাহ্নবী কপূর: নিজের অস্বস্তিকর অভ্যাসের কথা প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন অভিনেত্রী জাহ্নবী কপূর। তিনি বলেছিলেন, “আমি যে কারও হাত ধরে ফেলি সহজে। শুধু তা-ই নয়, হাত ধরার পরে সেই হাত ছাড়তে চাই না।”
সব ছবি: সংগৃহীত।