সমাধানসূত্র দিলেন প্রসেনজিৎ? ছবি: সংগৃহীত।
টলিপাড়ায় সব কিছু যেন তোলপাড় হয়ে গিয়েছে এক সপ্তাহের মধ্যে। রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ের অকালমৃত্যু এখনও মেনে নিতে পারছেন না কেউ। প্রশ্ন উঠেছে ‘ম্যাজিক মোমেন্টস্’ প্রযোজনা সংস্থার দিকে। আর্টিস্ট ফোরামের তরফে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে, ওই প্রযোজনা সংস্থার কোনও ধারাবাহিকেই কাজ করবেন না শিল্পী এবং টেকনিশিয়ানরা।
এই সিদ্ধান্তের পরে ‘ভোলেবাবা পার করেগা’, ‘চিরসখা’ এবং ‘কনে দেখা আলো’, তিন ধারাবাহিক তড়িঘড়ি বন্ধ হয়ে যাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়েছে। তার পরেই টেকনিশিয়ানদের সমস্যা নিয়ে সরব হন দুই ধারাবাহিকের সঙ্গে যুক্ত শিল্পীরা। এই প্রেক্ষিতেই বুধবার প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায় টেকনিশিয়ানদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
এই দিন টেকনিশয়ান স্টুডিয়োয় আসেন ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকের অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায়, রাজা গোস্বামী, ভিভান ঘোষ। এ ছাড়া ‘কনে দেখা আলো’ ধারাবাহিকের প্রযোজক অর্ক গঙ্গোপাধ্যায়। প্রসঙ্গত, অর্ক ‘ম্যাজিক মোমেন্টস’-এর অন্যতম মালিক লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের ছেলে।
এই দিনের বৈঠকে কি সমাধানসূত্র পাওয়া গেল? ভিভান এবং রাজা জানান, সবটাই আলোচনাসাপেক্ষ। বুম্বাদা আলোচনা করছেন। এক দিনে কোনও সমাধান পাওয়া সম্ভব নয়৷
বৈঠকের পরে প্রসেনজিৎ বলেন, “আমরা সবাই একটাই প্রশ্নের উত্তর খুঁজছি। কী করে ঘটে গেল এই ঘটনা? যদি ওঁরা এই প্রশ্নের উত্তর দিয়ে দিতেন, তা হলে এত কিছুর প্রয়োজন পড়ত না।” তবে আগামিদিনে কি লীনার ধারাবাহিকে কর্মরত টেকনিশিয়ানরা অন্য প্রযোজনা সংস্থার ধারাবাহিকে কাজ করবেন? সেই উত্তর মেলেনি।
বৈঠক থেকে বেরিয়ে ‘চিরসখা’ ধারাবাহিকের অভিনেতা সুদীপ মুখোপাধ্যায় জানান, একটি সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বুধবার। তাঁর কথায়, “টেকনিশিয়ানরা জানতে চাইছিলেন, এই ধারাবাহিকের কী ভবিষ্যৎ। টেকনিশিয়ানদের আশ্বস্ত করতেই আজকের বৈঠকটি করা হল। ধারাবাহিকগুলির কী হবে, সেটা বলা যাচ্ছে না। তবে একটা বড় সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সেটা নিয়ে এগোতে একটু সময় লাগবে। তবে বুম্বাদার সঙ্গে আলোচনা করে টেকনিশিয়ানরা আশ্বস্ত হয়েছেন।”