Shankar Chakraborty in New Film

‘ওজন কমায় লোকে ভাবছে অসুস্থ, এ বার খালি গায়ের ছবি দেব!’ নতুন ছবিতে অভিনয় করে বললেন শঙ্কর

রাহুল জানিয়েছিলেন, ভাল চরিত্র পেলে উপার্জনের কথা ততটাও ভাবেন না তিনি। ভাল চরিত্র অথবা জীবনধারণের জন্য অর্থ, কোনও একটি তো দরকার। একই সুর শঙ্করের কথাতেও!

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৪ এপ্রিল ২০২৬ ১৫:৩২
এই প্রজন্মের কাজের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন শঙ্কর চক্রবর্তী?

এই প্রজন্মের কাজের সঙ্গে মানিয়ে নিতে পারছেন শঙ্কর চক্রবর্তী? ফাইল চিত্র।

সুস্থ থাকার জন্য ওজন কমিয়েছিলেন। কিন্তু আগের মতো ছিপছিপে হয়ে তিনি বিপাকে পড়বেন, তা বোধহয় বুঝতে পারেননি শঙ্কর চক্রবর্তী। ধারাবাহিক, ছবি, সিরিজ়— সব কিছু থেকেই বাদ পড়ছেন তিনি। টালমাটাল পরিস্থিতির মধ্যেই সদ্য তিনটি ছবির শুটিং শেষ করেছেন অভিনেতা। প্রথমটির পরিচালক অগ্নিদেব চট্টোপাধ্যায়। দ্বিতীয়টির পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়। তৃতীয় ছবির পরিচালক নতুন, নাম শীর্ষেন্দু বর্মা শোধ।

Advertisement

তিনটি ছবিতে শঙ্কর নানা ভূমিকায়। অগ্নিদেবের ‘চোর’ ছবিতে তিনি পুলিশ আধিকারিক। সুমনের ছবির মুখ্য আকর্ষণ দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরী। “আমার সব দৃশ্য চঞ্চলের সঙ্গে। এই ছবিতেও আমি সিনিয়র পুলিশ অফিসার”, বলেছেন অভিনেতা। শীর্ষেন্দুর ছবি ‘তোর আশিকী’তে তিনি এক মধ্যবিত্ত পরিবারের বাবা। যাঁর চিকিৎসক হওয়ার স্বপ্ন ব্যর্থ হয়। পরে একই স্বপ্ন তিনি দেখতে থাকেন নিজের ছেলেকে নিয়ে।

একের পর এক কাজ হাতছাড়া হওয়ার পরে তিনটি ছবিতে কাজ। শঙ্কর কি এ বার আত্মবিশ্বাস ফিরে পাচ্ছেন? জানতে অভিনেতার সঙ্গে যোগাযোগ করেছিল আনন্দবাজার ডট কম। শঙ্করের পাল্টা দাবি, তিনি কোনও দিন আত্মবিশ্বাস হারাননি। অকারণে কাজ হারানোর দুঃখ ছিল। অভিনেতার আক্ষেপ, “সুস্থ থাকতে ওজন কমিয়েছিলাম। এখনকার চেহারা দেখে লোকে ভাবছে, আমি অসুস্থ। ভুল ভাবনার কারণেও কাজ পাচ্ছি না। ভাবছি এ বার খালি গায়ের ছবি দেব। সেটা দেখে যদি লোকে বিশ্বাস করে, আমি সুস্থ। কোনও সমস্যা নেই।”

‘তোর আশিকী’ ছবির পরিচালক নতুন, শুধু তা-ই নয়। ছবির নায়ক অসীম আখতার, নায়িকা ইভা-সহ বেশির ভাগ অভিনেতাই নতুন। শঙ্কর জানিয়েছেন, ছবির নায়ক বহরমপুরের জনপ্রিয় নেটপ্রভাবী। অভিনয়দুনিয়ায় অনেকটা পথ পেরিয়ে আসার পর নতুনদের সঙ্গে কাজ। অভিজ্ঞতা বা অনুভূতি কেমন? মানিয়ে নিতে অসুবিধা হয়? প্রশ্ন রাখতেই সোজাসাপটা শঙ্কর। বললেন, “একের পর এক কাজ হাতছাড়া হয়ে গেলে বেছে কাজ করার উপায় থাকে না। আমায় টিকে থাকতে হবে। উপার্জনও করতে হবে। দুটোর একটা তো চাই।” এ-ও বলেন, “নতুনদের সঙ্গে কাউকে না কাউকে কাজ তো করতেই হবে। না হলে ওঁরা ইন্ডাস্ট্রিতে পরিচিত হবেন কী করে? আমার কিন্তু কাজ করে ভালই লেগেছে।”

শঙ্করের এই বক্তব্য কিছু দিন আগে বলেছিলেন সদ্যপ্রয়াত অভিনেতা রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়ও। এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানিয়েছিলেন, ভাল চরিত্র পেলে উপার্জনের কথা ততটাও ভাবেন না তিনি। ভাল চরিত্র অথবা জীবনধারণের জন্য অর্থ, কোনও একটি তো দরকার!

Advertisement
আরও পড়ুন