সাফল্য প্রভাব ফেলছে ইয়ামি-আদিত্যের জীবনে? ছবি: সংগৃহীত।
স্বামী-স্ত্রী দু’জনেই সাফল্য উপভোগ করছেন। ইয়ামি গৌতমের ‘হক’ এবং আদিত্য ধরের ‘ধুরন্ধর’— দুই ছবিই সফল এবং ব্যাপক ভাবে আলোচিত। এক দিকে, অভিনয়ের জন্য প্রশংসিত হচ্ছেন ইয়ামি। অন্য দিকে, আদিত্যের পরিচালনা তাক লাগিয়ে দিয়েছে। এই জোড়া সাফল্য কি ব্যক্তিগত জীবনে প্রভাব ফেলছে তাঁদের? বদলে যাচ্ছেন আদিত্য? সাক্ষাৎকারে এই বিষয়ে কথা বললেন ইয়ামি।
ইয়ামি জানিয়েছেন, খ্যাতি তাঁদের ব্যক্তিগত বা পেশাগত জীবনে তেমন বদল আনেনি। এখন ইয়ামি ‘নয়ি নভেলি’ ছবির শুটিং করছেন। অন্য দিকে, আদিত্য তাঁর পরবর্তী ছবির আগে কিছুদিন বিরতি নিচ্ছেন। ইয়ামি নির্দ্বিধায় জানান, মানুষ হিসেবে তাঁদের মধ্যে কোনও পরিবর্তন আসেনি। আদিত্য খুবই সাধারণ ও বিনয়ী বলে মনে করেন তিনি। অভিনেত্রীর কথায়, “আমি ওকে জীবনের নানা পর্যায়ে দেখেছি। সাফল্য, ব্যর্থতা, কঠিন সময়, সব পরিস্থিতিতেই ওকে আমি চিনি। কিন্তু আমরা কখনও হতাশা বাইরে প্রকাশ করিনি।”
‘হক’ ছবির অভিনেত্রী তাঁদের সাফল্যের জন্য ঈশ্বরকে কৃতজ্ঞতা জানান। সাফল্য আসার পরে তাঁদের জীবনে আধ্যাত্মিকতার গুরুত্ব অনেক বেড়েছে বলেও জানিয়েছেন ইয়ামি।
ছবিতে বড় বা ছোট চরিত্রের কি আলাদা গুরুত্ব থাকে? ইয়ামি মনে করেন, বর্তমানে এমন কিছু আর নেই। অভিনেত্রীর মতে, ‘ধুরন্ধর’ ছবিতে আদিত্য চরিত্রের সংজ্ঞাই বদলে দিয়েছেন। তিনি বলেন, “প্রতিটি চরিত্রই মনে দাগ কেটেছে। কারণ, সেগুলো সেই ভাবে লেখা হয়েছে।” ‘মহিলা অভিনেতা’ বা ‘পুরুষ অভিনেতা’, এই ধরনের ভেদাভেদেও বিশ্বাসী নন ইয়ামি। তাঁর মতে, এগুলি ইন্ডাস্ট্রির তৈরি শব্দ।