Smart Coffee Recipe

সকালের কফিতে মিশিয়ে নিন চার উপাদান, ওজন হ্রাস থেকে মন ভাল রাখার চাবিকাঠি গরম পানীয়েই

কালো কফি নিজেই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর এবং বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। কিন্তু এর সঙ্গে যদি সঠিক উপাদান যোগ করা যায়, তা হলে এর উপকার আরও বাড়তে পারে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ এপ্রিল ২০২৬ ১০:৫৫
কালো কফি বানান চার মশলা দিয়ে।

কালো কফি বানান চার মশলা দিয়ে। ছবি: সংগৃহীত।

সকালে ঘুম ভাঙতেই কফিতে চুমুক, এই অভ্যাস এখন ঘরে ঘরে। অনেকেই চটপট ঘুম ভাঙানো ও আলস্য কাটানোর পন্থা হিসেবে কালো কফিকেই বেছে নেন। কিন্তু যদি সকালের এই এক কাপ কফি ঘুম ভাঙানোর পাশাপাশি শরীরের আরও কিছু উপকার করে? স্বাস্থ্যসচেতনদের কাছে কফি পানের এক বিশেষ কৌশল বেশ আকর্ষণীয় হয়ে উঠেছে সমাজমাধ্যমে। শুধু কফি নয়, ‘স্মার্ট কফি’তে চুমুক দেওয়ার চল বেড়েছে। কী সেটিয কী ভাবেই বা বানাবেন আপনি? উপকারিতা কী?

Advertisement

পুষ্টিবিদদের মতে, কালো কফি নিজেই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টে ভরপুর এবং বিপাকীয় প্রক্রিয়াকে সক্রিয় করতে সাহায্য করে। কিন্তু এর সঙ্গে যদি সঠিক উপাদান যোগ করা যায়, তা হলে এর উপকার আরও বাড়তে পারে। তাই এই ধরনের কফি বানানোর জনপ্রিয়তা বেড়েছে। চার ভাবে এই ‘স্মার্ট কফি’ বানানো যায়। তাই প্রয়োজন চারটি উপাদান।

কালো কফি হয়ে উঠুক স্বাস্থ্যকর।

কালো কফি হয়ে উঠুক স্বাস্থ্যকর। ছবি: সংগৃহীত

কফির সঙ্গে দারচিনি

দারচিনি রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে এবং ইনসুলিনের কাজকে আরও কার্যকর করে তোলে। ফলে খাবার খাওয়ার পর হঠাৎ শর্করা বেড়ে যাওয়ার প্রবণতা কমতে পারে কফি।

কফির সঙ্গে কাকাও পাউডার

কাকাও বা কাঁচা কোকো পাউডার মনমেজাজ ভাল রাখতে সাহায্য করতে পারে। এতে থাকা ফ্ল্যাভোনয়েড হৃদ্‌যন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্যও উপকারী বলে ধরা হয়।

কফির সঙ্গে লবঙ্গ

লবঙ্গ অন্ত্রের স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী বলে মনে করা হয়। এতে থাকা ইউজিনল উপাদান পেটের অস্বস্তি বা পেটফাঁপা, প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকেও উন্নত করে।

কফির সঙ্গে আদাগুঁড়ো

আদা শুধু হজমক্ষমতাকে উন্নত করে, তা নয়, এতে প্রদাহ কমানোর গুণও রয়েছে। কিছু গবেষণায় দেখা গিয়েছে, এটি শর্করা নিয়ন্ত্রণ এবং বিপাকীয় স্বাস্থ্যের উপরও ভাল প্রভাব ফেলতে পারে। তা ছাড়া ওজন কমাতেও সাহায্য করে।

তবে একটি বিষয় মাথায় রাখা দরকার, ক্যাফিন বা এই ধরনের মশলাপাতির প্রতি সকলের সহনশীলতা সমান নয়। তাই অতিরিক্ত ব্যবহার করলে উল্টে অস্বস্তি হতে পারে। তাই চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়েই নিজের ডায়েট স্থির করা উচিত।

Advertisement
আরও পড়ুন