ছবি : সংগৃহীত।
ঠান্ডার কনকনে ভাব সামান্য হলেও কমেছে। সকালে রোদের দেখা মিলছে প্রায় রোজই। অথচ ডিসেম্বরে যে সর্দি-কাশি শুরু হয়েছিল, তা পুরোপুরি যাচ্ছে না কিছুতেই। এমন সমস্যায় যাঁরা ভুগছেন, তাঁরা আদতে দৈনন্দিন এমন কিছু অভ্যাস চালু রেখেছেন, যা পুরোপুরি সেরে উঠতে দিচ্ছে না। রোজের তেমন পাঁচটি অভ্যাস বদলালে দেখবেন এক সপ্তাহের মধ্যেই সর্দি-কাশির সমস্যাও দূর হতে শুরু করবে।
১। জল
নিজেকে প্রশ্ন করুন, প্রতি দিন যথেষ্ট জল পান করেন কি? শরীরে আর্দ্রতার অভাব নানা ধরনের রোগের অন্যতম কারণ। তবে টানা সর্দি-কাশির সমস্যায় শুধু জল না খেয়ে প্রতি দিন দেড়-দু’লিটার উষ্ণ জলও খান। এটি জমে থাকা মিউকাসকে আলগা করতে সাহায্য করে। ২০-৩০ শতাংশ দ্রুত হারে নিঃশ্বাসের সমস্যা এবং সর্দি-কাশি কমায়।
২। ধূমপান
যাঁরা ধূমপান করেন, তাঁরা প্রথমেই ওই অভ্যাসে ইতি টানুন। এক সপ্তাহের মধ্যে বুঝতে পারবেন তফাত। দ্রুত শ্বাসনালী থেকে মিউকাস সরতে শুরু করবে। সর্দি-কাশির নাছোড় সমস্যাও দূর হবে।
৩। ঘুম
রাতে কম ঘুমোন? আপাতদৃষ্টিতে সর্দিকাশির ক্ষেত্রে তা গুরুত্বপূর্ণ না মনে হতেই পারে। কিন্তু সর্দি-কাশির সমস্যায় ঘুমেরও গুরুত্ব আছে। পর্যাপ্ত ঘুম শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে প্রতিদিন পুনরুজ্জীবিত করে। আর সর্দিকাশির মতো সমস্যার মোকাবিলায় প্রথমেই যেটা দরকার, তা হল শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করা। যাতে ভিতর থেকে ওই সমস্যাকে শরীরই দূর করতে পারে।
৪। প্রদাহ
খাবারের থালায় কী রাখছেন তা গুরুত্বপূর্ণ। ওষুধ খেলেন অথচ সারা দিনের খাওয়াদাওয়া যথাযথ করলেন না, তাতে লাভ হবে না। উল্টে প্রদাহ বেড়ে সমস্যা আরও জটিল হতে পারে। তাই সর্দি-কাশির সমস্যা সারাতে প্রথমে প্রদাহ থেকে মুক্তিলাভ জরুরি। আদা, হলুদ, রসুন, ভিটামিন সি সমৃদ্ধ তাজা ফল ইত্যাদি খান প্রতি দিন।
৫। মাস্ক
শীতের আর্দ্রতাহীন শুকনো হাওয়াও সর্দি-কাশি বেড়ে যাওয়ার অন্যতম কারণ। তাই বাইরে বেরোলে অবশ্যই মাস্ক পরুন। ঠান্ডায় কান-মাথা ঢেকে রাখুন। ২-৩ দিনেই অস্বস্তি কাটবে।