Push-UP Exercise

ওজন কমবে, বশে থাকবে থাইরয়েড, পুশ-আপে তা সম্ভব, করতে পারেন মেয়েরাও, রইল সহজ ৫ পদ্ধতি

থাইরয়েডের সমস্যা নিয়ে অনেক মহিলাই নাজেহাল। হাইপোথাইরয়েড থাকলে যেমন ওজন বাড়তে থাকে, তেমনই ক্লান্তিও বাড়ে। নিয়মিত ওষুধ খেয়ে যাওয়া ছাড়া গতি থাকে না। তবে পুশ-আপ করলে দুই সমস্যাই নিয়ন্ত্রণে থাকবে, ওজনও বাড়বে না, আবার থাইরয়েডও নিয়ন্ত্রণে থাকবে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৫ মে ২০২৬ ১৬:৫৯
5 Easy Push-Up Variations Every Woman Can Try

থাইরয়েডের সমস্যা কমবে সহজ পুশ-আপে। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

পুরুষের চেয়ে মহিলারাই বেশি ভোগেন থাইরয়েডের সমস্যায়। হাইপোথাইরয়েড হলে ওজনও বাড়তে থাকে। এর কারণই হল হরমোনের গোলমাল। মহিলাদের শরীরের দুই হরমোন ইস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনের ক্ষরণে তারতম্য হলে, তখন থাইরয়েডের সমস্যা দেখা দেয়। আমেরিকান থাইরয়েড অ্যাসোসিয়েশনের দেওয়া তথ্য বলছে, ইস্ট্রোজেন হরমোনের ক্ষরণ যদি অত্যধিক মাত্রায় হয়, তা হলে থাইরয়েড হরমোনের কার্যকারিতা কমে যায়। তখনই সমস্যার সূত্রপাত হয়। নিয়মিত ওষুধ খেয়ে যাওয়া ছাড়া গতি থাকে না। ওজন যদি কমাতে হয় ও থাইরয়েডও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হয়, তা হলে পুশ-আপই সবচেয়ে কার্যকরী উপায় হতে পারে।

Advertisement

দেশের ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অফ হেল্‌থ থেকে প্রকাশিত এক গবেষণাপত্রে বলা হয়েছে, পেশির জোর ও ঘনত্ব বৃদ্ধিতে পুশ-আপই সবচেয়ে ভাল উপায় হতে পারে। বিশেষ করে মহিলাদের পেট, নিতম্ব ও ঊরুর পেশির জোর বৃদ্ধি করতে এই ব্যায়ামটিই সবচেয়ে নিরাপদ ও কার্যকরী। জিমে গিয়ে ওজন তোলা সকলের পক্ষে সম্ভব নয়, বেশি দৌড়ঝাঁপ শারীরিক কারণে অনেকেই করতে পারেন না। সে ক্ষেত্রে নানা ধরনের পুশ-আপ অভ্যাস করলে পেশির ব্যায়াম যেমন হয়, তেমনই বাড়তি ক্যালোরিও ঝরে যায়। হরমোনের ভারসাম্য বজায় থাকে।

কোন ধরনের পুশ-আপ মেয়েরা করতে পারেন?

ওয়াল পুশ আপ

দেওয়াল থেকে দেড় হাত দূরে দাঁড়ান। দুই পায়ের মাঝে কিছুটা দূরত্ব রাখুন। হাত দু'টি দেওয়ালের উপর রাখুন, ঠিক কাঁধের সোজাসুজি। কোমর সোজা রেখে হাতে ভর দিয়ে শরীরকে ধীরে ধীরে দেওয়ালের দিকে এগিয়ে নিয়ে যান আবার শুরুর অবস্থানে ফিরিয়ে আনুন। কোমর ঝোঁকালে চলবে না। শরীর টানটান থাকতে হবে। বুক, কাঁধ এবং ট্রাইসেপস-এর জোর বৃদ্ধি করবে এই ব্যায়াম।

নি পুশ-আপ

ম্যাটের ওপর বজ্রাসনে বসুন। দুই হাত মেঝের উপর রাখুন। এ বার পিঠ তুলে হামাগুড়ি দেওয়ার মতো ভঙ্গি করুন। দুই পায়ের পাতা উপরে তুলে রাখতে পারেন। শরীর এক বার নীচে নামাতে হবে এবং আবার উপরে ওঠাতে হবে।

স্ট্যান্ডার্ড পুশ-আপ

মেঝেতে প্ল্যাঙ্কের মতো ভঙ্গি করুন। মাথা, কাঁধ, কোমর ও পা এক সরলরেখায় থাকবে। শ্বাস নিতে নিতে কনুই ভাঁজ করে শরীরকে নীচের দিকে নামান, যত ক্ষণ না বুক প্রায় মেঝে স্পর্শ করে। শ্বাস ছাড়তে ছাড়তে হাতের সাহায্যে নিজেকে আবার উপরে ঠেলে তুলুন, অর্থাৎ, শুরুর অবস্থানে ফিরে যান।

ওয়াইড গ্রিপ পুশ-আপ

সাধারণ পুশ-আপের মতোই পদ্ধতি, তবে হাত দু'টি কাঁধের প্রস্থের চেয়ে আরও অন্তত ৬-৮ ইঞ্চি বাইরে রাখতে হবে। অর্থাৎ, দুই হাতের পাতার মধ্যে দূরত্ব বেশি থাকবে। এতে কাঁধ এবং বুকের উপর বেশি টান পড়বে। এই ভাবে শরীর নামাতে ও ওঠাতে হবে।

ইনক্লাইন পুশ-আপ

নীচু টেবিল বা বেঞ্চে ভর দিয়ে এই পুশ আপ করতে হবে। শরীর মাটির সঙ্গে ৪৫ ডিগ্রি কৌণিক অবস্থানে রেখে দুই হাত বেঞ্চে ভর দিয়ে পুশ আপ করতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন