Healthy Pakora

পকোড়া-তেলেভাজাকেও কি স্বাস্থ্যকর বানানো যায়? কী ভাবে রান্না করলে তা সম্ভব?

তেলে ভাজা খাবারকে পুরোপুরি ‘স্বাস্থ্যকর’ না বলা গেলেও, কয়েকটি সহজ উপায়ে এর ক্ষতিকারক দিকগুলো কমিয়ে পুষ্টিকর করে তোলা সম্ভব। তেমনই কয়েকটি উপায় জেনে নিন।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ১৮ মার্চ ২০২৬ ১৯:৫৯

ছবি: সংগৃহীত।

বিকেলের আড্ডায় ধোঁয়া ওঠা চায়ের সঙ্গে মুচমুচে পকোড়া কার না ভালো লাগে! তবে ডুবো তেলে ভাজা খাবারে স্বাস্থ্যের ক্ষতি হতে পারে ভেবে অনেকেই ইচ্ছে থাকলেও খেতে পারেন না। লাগাম পরাতে হয় মনে। কিন্তু প্রিয় পাকোড়াকে যদি স্বাস্থ্যকর বানানো যায়, তাহলে?

Advertisement

তেলে ভাজা খাবারকে পুরোপুরি ‘স্বাস্থ্যকর’ না বলা গেলেও, কয়েকটি সহজ উপায়ে এর ক্ষতিকারক দিকগুলো কমিয়ে পুষ্টিকর করে তোলা সম্ভব। তেমনই কয়েকটি উপায় জেনে নিন।

১. ডুবো তেলের বদলে বেকিং বা এয়ার ফ্রাই

পকোড়া মানেই কড়াইতে ছাঁকা তেলে ভাজা—এই ধারণা বদলে ফেলুন। পকোড়াগুলোকে সামান্য তেল ব্রাশ করে ওভেনে বেক করতে পারেন অথবা এয়ার ফ্রাইয়ারে ভাজতে পারেন। এতে পকোড়ার স্বাদ প্রায় একই থাকে কিন্তু ক্যালরির পরিমাণ নাটকীয়ভাবে কমে যায়।

২. ময়দার বদলে বেসন ও ওটস ব্যবহার

পকোড়ার ব্যাটারে ময়দা ব্যবহার না করাই ভালো। বেসন প্রোটিনের একটি ভালো উৎস। পকোড়াকে আরও বেশি স্বাস্থ্যকর ও ক্রিস্পি করতে বেসনের সঙ্গে সামান্য ওটস পাউডার বা জোয়ারের আটা মেশাতে পারেন। এতে ফাইবার বা আঁশের পরিমাণ বাড়বে, যা হজমে সাহায্য করবে।

৩. সবজির আধিক্য এবং সবজি কুচি

সাধারণত পকোড়ায় আলুর পরিমাণ বেশি থাকে, যা কার্বোহাইড্রেট বাড়িয়ে দেয়। আলুর বদলে বাঁধাকপি, পালং শাক, গাজর, ফুলকপি বা ব্রকোলি বেশি করে ব্যবহার করুন। সবজি যত বেশি হবে এবং ব্যাটার বা আস্তরণ যত পাতলা হবে, পকোড়া তত বেশি পুষ্টিকর হবে।

৪. সঠিক তেলের নির্বাচন ও পুনর্ব্যবহার না করা

যদি তেলে ভাজতেই হয়, তবে এমন তেল ব্যবহার করুন যার 'স্মোক পয়েন্ট' বেশি। যেমন: রাইস ব্র্যান অয়েল বা সর্ষের তেল। সবচেয়ে বড় সমস্যা হয়, একবার ভাজা তেল বারবার ব্যবহার করলে। পোড়া তেল শরীরে ট্রান্স ফ্যাট বাড়িয়ে দেয়, যা হার্টের জন্য ক্ষতিকর। তাই প্রতিবার ব্যবহার না করা তেল ব্যবহার করার চেষ্টা করুন।

৫. ভাজার পর তেল শুষে নেওয়া

পকোড়া ভাজা হয়ে গেলে সরাসরি প্লেটে না রেখে কিচেন টিস্যু বা পেপার টাওয়েলের ওপর রাখুন। এতে পকোড়ার গায়ে লেগে থাকা অতিরিক্ত তেল টিস্যু শুষে নেবে। এছাড়া পকোড়া ভাজার সময় আঁচ মাঝারি রাখুন; খুব কম আঁচে ভাজলে পকোড়া বেশি তেল শুষে নেয়।

আর একটি পরামর্শ: পকোড়ার ব্যাটারে সামান্য জোয়ান বা আদা কুচি মিশিয়ে দিন। এতে ভাজা খাবার খাওয়ার পর গ্যাস্ট্রিক বা পেট ফাঁপার ভয় অনেক কমে যায়।

Advertisement
আরও পড়ুন