Warm Raita Recipes

ঠান্ডা নয়, গরম রায়তা খান শীতে, ৫ সব্জি দিয়ে বানিয়ে ফেলুন ঘরেই, শরীর থাকবে উষ্ণ

শীতের মরসুমে গরম ভাত, খিচুড়ি বা রুটির সঙ্গে ঠান্ডা রায়তা বেমানান মনে হতে পারে। শরীর তখন আরাম খোঁজে উষ্ণ খাবারে। ঠান্ডা রায়তার বদলে গরম রায়তাগুলি খাবারে স্বাদ জোগায়, সঙ্গে শরীরও ভাল থাকে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৫ জানুয়ারি ২০২৬ ২০:১৫
শীতে পাতে থাকুক উষ্ণ রায়তা।

শীতে পাতে থাকুক উষ্ণ রায়তা। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।

রায়তা মানেই ঠান্ডা দই আর শসা, পেঁয়াজ। কিন্তু রন্ধনশিল্প এত স্বল্পের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। সব খাবারেরই চরিত্র বদলানো যায়। গ্রীষ্মের সময়ে যা শরীর ঠান্ডা রাখে, শীতে সেই খাবারই শরীর উষ্ণ রাখতে পারে। শীতের মরসুমে গরম ভাত, খিচুড়ি বা রুটির সঙ্গে ঠান্ডা রায়তা বেমানান মনে হতে পারে। শরীর তখন আরাম খোঁজে উষ্ণ খাবারে। এই সময় ঠান্ডা রায়তার বদলে বেছে নেওয়া যেতে পারে হালকা গরম, পুষ্টিকর আর আরামদায়ক রায়তা। শীতের মরসুমে এমন কিছু রায়তা বানিয়ে নিতে পারেন, যার মূল উপাদান হতে পারে অতিপরিচিত দই-ই। তবে বদলে দিতে হবে তার ভূমিকা।

Advertisement

শীতে দই খাওয়ার সেরা উপায় হল তাকে শরীরের উপযোগী করে তোলা। ঠান্ডা রায়তার বদলে এই গরম রায়তাগুলি খাবারে স্বাদ জোগায়, সঙ্গে শরীরও ভাল থাকে।

শীতের সময়ে ঠান্ডা রায়তার বদলে কী খাওয়া যেতে পারে?

লাউয়ের রায়তা: শীতে পিপাসা কম পেলেও লাউ খেলে জলের ঘাটতি কমে। তাই লাউ দিয়ে রায়তা বানিয়ে নিতে পারেন। তাতে উষ্ণ ছোঁয়া আনার জন্য জিরে রোস্ট করে দিতে পারেন। লাউ ছোট টুকরো করে সেদ্ধ করে নিন। তার পর অল্প তেলে রান্না করে নিন। এ বার হালকা গরম দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে দিন। শুকনো খোলায় ভাজা জিরে উপর থেকে ছড়িয়ে দিন আর সামান্য গোলমরিচ দিতে পারেন। তাতে স্বাদ বাড়বে। এই রায়তা হালকা, পেটের জন্য আরামদায়ক।

গাজরের রায়তা: গাজর গ্রেট করে নিন। তার পর অল্প তেলে ভেজে নিন। গাজরের প্রাকৃতিক মিষ্টি স্বাদ শীতের সময়ে শরীরে আরাম এনে দেবে। সেই গাজর এ বার গরম দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। উপরে ছড়িয়ে দিন রোস্টেড জিরে বা ধনে গুঁড়ো। শীতের জন্য আদর্শ রায়তা যে কোনও ভারী খাবারের সঙ্গে মানিয়ে যাবে।

বিটের রায়তা: গাজরের মত‌োই গ্রেট করে নিন বিট। তার পর সেদ্ধ বা হালকা রান্না করে গরম দইয়ের সঙ্গে মিশিয়ে নিন। তার উপরে ছড়িয়ে নিন রোস্ট করা জিরে। রঙিন রায়তা শীতের সময়ে শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে।

কুমড়োর রায়তা: রায়তায় কুমড়ো মেশানোর প্রচলন খুব বেশি নেই। কিন্তু শীতের সময়ে এই সব্জি শরীর উষ্ণ রাখতে সাহায্য করে। সেদ্ধ করে কুমড়োর টুকরোগুলি পিষে নিন হাতা দিয়ে। দই হালকা গরম করে তাতে মিশিয়ে দিন কুমড়োগুলি। নুন আর গোলমরিচ ছড়িয়ে দিন উপরে। এই রায়তা খুবই আরামদায়ক এবং হজমের জন্য উপকারী।

পুদিনার রায়তা: পুদিনা যে কেবল গ্রীষ্মে ব্যবহৃত হয়, তা না। শীতের সময়ে হালকা উষ্ণ দইয়ে মেশালে শরীর গরম থাকতে পারে। ঈষদুষ্ণ দইয়ে পুদিনা পাতা কুচিয়ে দিয়ে দিন। উপরে ছড়িয়ে দিন রোস্ট করা জিরে। শীতের খাবারের সঙ্গে মানানসই এবং পেট পরিষ্কার রাখতে সাহায্য করে।

Advertisement
আরও পড়ুন