সাপ্লিমেন্ট নয়, দৈনন্দিন খাবারেই জোগান থাক ম্যাগনেশিয়ামের। ছবি:সংগৃহীত।
দৈনিক প্রয়োজন মাত্র ৩১০-৪২০ মিলিগ্রাম। কিন্তু তাতে ঘাটতি হলে, ব্যাহত হতে পারে সুস্থ জীবনযাপন। মানসিক চাপ নিয়ন্ত্রণ থেকে ঘুম আনা, হৃদ্যন্ত্রের স্বাস্থ্যরক্ষা, পেশি সবল রাখা— ম্যাগনেশিয়ামের কাজ কিছু কম নয়। দরকার হয় সামান্যই। কিন্তু ঘাটতি হলে সঙ্গী হতে পারে ক্লান্তি, বুকধরফরানি। চোখে কম্পন থেকে চোখের নীচে পড়া কালির নেপথ্যেও খনিজটির অভাব থাকতে পারে। সেই অভাব মেটাতে সাপ্লিমেন্ট বেছে নেওয়া যায়। তবে দৈনন্দিন ৫ খাবারই হতে পারে ম্যাগনেশিয়ামের জোগানদাতা।
কুমড়োর বীজ: কুমড়োবীজে থাকে ম্যাগনেশিয়াম। হৃদ্যন্ত্রের ছন্দ ঠিক রাখার জন্য, ম্যাগনেশিয়াম জরুরি উপাদান। হাইপারটেনশন কমাতে, রক্তবাহী নালিকার স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখতে খনিজটি সহায়ক। ২০ গ্রাম কুমড়োবীজে ১০০-১১০ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম মেলে। দৈনন্দিন চাহিদার অনেকটাই পূরণ হতে পারে, দিনে অল্প কিছু কুমড়োবীজ খেলে।
পালংশাক: আয়রন, ভিটামিন এ-র পাশাপাশি ম্যাগনেশিয়ামের জোগান দিতে পারে পালংশাকও। অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট, ফাইবারে পূর্ণ এই শাকটি স্বাস্থ্যের জন্য অত্যন্ত ভাল। এক কাপ বা ১৮০ গ্রাম সেদ্ধ বা রান্না করা পালংশাকে প্রায় ১৫৭ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম মেলে।
কাঠবাদাম: ম্যাগনেশিয়ামের চাহিদাপূরণে সকালে উঠে কাঠবাদাম ভেজানো খেতে পারেন। কিংবা সান্ধ্য স্ন্যাক্সে শুকনো খোলায় নেড়ে নেওয়া কাঠবাদামও খাওয়া যায়। মোটামুটি ২০-২২টি কাঠবাদামে ৭৬-৮১ মিলিগ্রাম ম্যাগনেশিয়াম মেলে।
ডার্ক চকোলেট: আপনি চকোলেট প্রেমী হলে তালিকায় রাখতে পারেন ডার্ক চকোলেটও। ম্যাগনেশিয়াম মেলে কোকো থেকে তৈরি হওয়া ডার্ক চকোলেটেও। কতটা পরিমাণ কোকোর ব্যবহার হচ্ছে তার উপর নির্ভর করে ম্যাগনেশিয়ামের মাত্রা।
কাজুবাদাম: তালিকায় থাকুক কাজুবাদামও। ১ আউন্স অর্থাৎ ১৭-১৮টি কাজুবাদামে প্রায় ৮৩ মিলিগ্রামের মতো ম্যাগনেশিয়াম মেলে। দিনে অন্তত ৮-১০টি করে কাজু খেলে শুধু ম্যাগনেশিয়াম নয়, স্বাস্থ্যকর ফ্যাটও পাবে শরীর। হৃদ্যন্ত্র ভাল রাখার জন্য স্বাস্থ্যকর ফ্যাট জরুরি।