ISF

মোথাবাড়ির আইএসএফ প্রার্থী শাহজাহান আলী কাদরী জামিন পেলেন! ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’, অভিযোগ নওশাদ সিদ্দিকির

মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী মওলানা শাহজাহান আলী কাদরী-সহ মোট ৩২ জনের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। তাঁদের মুক্তির পর গোটা ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বলেছে আইএসএফ।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম সংবাদদাতা
শেষ আপডেট: ০৫ জুলাই ২০২৬ ১৮:৫০
প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের বাইরে নওশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে মালদার মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী মওলানা শাহজাহান আলী কাদরী।

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারের বাইরে নওশাদ সিদ্দিকির সঙ্গে মালদার মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী মওলানা শাহজাহান আলী কাদরী। নিজস্ব চিত্র।

গত বিধানসভা নির্বাচনে মালদার মোথাবাড়ি কেন্দ্রের আইএসএফ প্রার্থী মওলানা শাহজাহান আলী কাদরী-সহ মোট ৩২ জনের জামিন মঞ্জুর করেছে আদালত। প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে তাঁদের মুক্তির পর গোটা ঘটনাকে ‘রাজনৈতিক চক্রান্ত’ বলে অভিযোগ করেছেন আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি।

Advertisement

আইএসএফের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, গত ২ এপ্রিল ভোটার তালিকা সংশোধন সংক্রান্ত কাজে বাধা দেওয়া এবং উস্কানি দেওয়ার অভিযোগে শাহজাহান আলী কাদরীকে গ্রেফতার করে রাজ্য পুলিশ। একই মামলায় আরও ৩১ জনকে গ্রেফতার করা হয়। তবে শুরু থেকেই এই অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে দাবি করে আসছিল আইএসএফ। জামিনের পর এক বিবৃতিতে নওশাদ বলেন, ‘‘মওলানা শাহজাহান আলী কাদরীর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের কোনও ভিত্তি ছিল না। তাঁর দাবি, গোটা ঘটনাটি রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল। নওশাদের বক্তব্য, বিভিন্ন তদন্তকারী সংস্থা ও পুলিশের একাধিক স্তরে তদন্ত হলেও অভিযোগের পক্ষে কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি।’’ সেই কারণেই শেষ পর্যন্ত আদালত সকলের জামিন মঞ্জুর করেছে বলে দাবি করেন তিনি।

প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগার থেকে মুক্তির সময় শাহজাহান আলী কাদরী-সহ অন্যদের স্বাগত জানাতে সেখানে উপস্থিত ছিলেন নওশাদ এবং আইএসএফের নেতা এবং কর্মী-সমর্থকরা। দলীয় কর্মীদের সঙ্গে তাঁদের অভ্যর্থনা জানান আইএসএফ বিধায়ক। নওশাদ বলেছেন, ‘‘অন্যায়ের বিরুদ্ধে আইএসএফ অতীতেও লড়াই করেছে, বর্তমানে সেই লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও তা অব্যাহত থাকবে।’’ তিনি আরও দাবি করেন, ‘‘বিরোধী কণ্ঠস্বরকে দমন করার উদ্দেশ্যেই এই ধরনের মামলা করা হয়েছিল।’’ যদিও রাজ্য পুলিশের পক্ষ থেকে এই বিষয়ে এখনও পর্যন্ত নতুন করে কোনও প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। ফলে মামলার পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

Advertisement
আরও পড়ুন