ওজন তো কমছে, ফিট আছেন তো? ছবি: সংগৃহীত।
সুস্থ থাকতে রোজ নিয়ম করে শারীরচর্চা করার কোনও বিকল্প নেই। ওজন কমানো থেকে শুরু করে রোগের সঙ্গে লড়াই করা— সত্যিই ব্যায়ামের জুড়ি মেলা ভার। তবে কর্মব্যস্ত জীবনে রোজ জিমে যাওয়ার সময় বার করা মুশকিল। আর নিয়ম করে শারীরচর্চা না করলে ওজন ঝরানো মুশকিল। দ্রুত ওজন ঝরাতে চাইলে তাই শারীরচর্চার পাশাপাশি ডায়েটেও নজর রাখতে হবে। তবে নেটমাধ্যম থেকে দেখে নয়, পুষ্টিবিদের পরামর্শ নিয়ে তবেই ডায়েট শুরু করতে হবে।
ডায়েট করে কেবল ওজন কমালেই হবে না, ফিট থাকছেন কি না, সেটা নজরে রাখাও ভীষণ জরুরি। শুধুমাত্র ওজন কমানোর লক্ষ্য নিয়ে চলে ফিটনেসকে অনেকেই অবহেলা করেন। গুরুগ্রামের চিকিৎসক তুষার তয়াল বলেন, ‘‘সঠিক পদ্ধতি মেনে ডায়েট না করলে পেশির উপর তার প্রভাব পড়ে সবার আগে। গোটা শরীর পরিচালনায় পেশির ভূমিকা অস্বীকার করার উপায় নেই।’’
ডায়েট করতে গিয়ে পেশির ক্ষয় হলে মুশকিল। অনেক সময়ে ডায়েট করে ওজন কমলেও তার ফলে পেশির ক্ষয়ও হয় মারাত্মক। এর ফলে শক্তি ক্ষয় হয় ও দীর্ঘমেয়াদে স্বাস্থ্যের উপর তার প্রভাব পড়ে।
কী ভাবে বুঝবেন পেশির ক্ষয় হচ্ছে?
ওজন যন্ত্রে মেপে বা পুরনো পোশাক গায়ে ঢুকিয়ে দেখলে সহজেই বুঝে ফেলা যায় ওজন কতখানি কমেছে। তবে পেশির ক্ষয় হচ্ছে কি না তা খালি চোখে ধরা পড়ে না। চিকিৎসক তুষারের মতে, ‘‘পেশির ক্ষয় হলে সারা ক্ষণ ক্লান্তি কাজ করে। শারীরিক কর্মক্ষমতা কমে যায় এবং কোনও রকম অসুস্থতা বা আঘাত থেকে সেরে উঠতে তখন অনেকটা বেশি সময় লেগে যায়।’’
সমাধান কী?
ডায়েট করলেই যে পেশির ক্ষয় হবে এমনটা নয়। সে ক্ষেত্রে পুষ্টিবিদের পরামর্শ মেনে ডায়েট করতে হবে। ক্র্যাশ ডায়েট করা চলবে না। ডায়েটের পাশাপাশি শারীরচর্চাকেও গুরুত্ব দিতে হবে। এ ক্ষেত্রে রেজ়িস্ট্যান্স ট্রেনিংয়ে নজর দিতে হবে। পুশ আপ, স্কোয়াট, লাঞ্জ, প্লাঙ্কের মতো ব্যায়াম পেশির জন্য ভীষণ উপকারী। সঙ্গে পর্যাপ্ত ঘুমও জরুরি।