Ginger Usage

রান্নায় দেওয়া ছাড়াও আদা আরও নানা ভাবে উপকারে লাগে! কী কী ভাবে ব্যবহার করা যেতে পারে আদা?

আদা কেবল রান্নার স্বাদ বাড়াতেই নয়, বরং এর ওষুধি গুণ এবং প্রাকৃতিক উপাদানের কারণে আরও অনেক কাজে ব্যবহার করা যায়।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ ২১:১৩

ছবি : সংগৃহীত।

রান্নায় মশলা হিসাবে আদার ব্যবহার প্রায়ই করেন। কিন্তু তা বাদে আদা আরও নানা কাজে লাগে। ঔষধী গুণে ভরপুর এই ভারতীয় কন্দের গুণের শেষ নেই।

Advertisement

১. শারীরিক অসুস্থতায়

বমি ভাব কমাতে: দীর্ঘ ভ্রমণে মোশন সিকনেস বা গর্ভবতী মায়েদের সকালের বমি ভাব কাটাতে এক টুকরো আদা চিবিয়ে খাওয়া বা আদার রস খুব কার্যকর।

হজম ও গ্যাসের সমস্যায়: পেটে ফাঁপা বা বদহজম হলে আদার রস ও বিট নুন মিশিয়ে খেলে দ্রুত আরাম পাওয়া যায়।

সর্দি-কাশি নিরাময়ে: গলা ব্যথা বা খুসখুসে কাশি কমাতে আদা চা বা মধুর সঙ্গে আদার রস মিশিয়ে খেলে কাজ হয়।

পেশির ব্যথা দূর করতে: ব্যায়ামের পর বা শরীরের কোনো অংশে পেশির ব্যথা হলে আদা বাটা হালকা গরম করে মালিশ করলে রক্ত সঞ্চালন বাড়ে ও ব্যথা কমে।

২. রূপচর্চায় আদার ব্যবহার

ত্বকের ঔজ্জ্বল্য বৃদ্ধিতে: আদায় থাকা অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট ত্বকের মৃতকোষ দূর করতে এবং বয়সের ছাপ কমাতে সাহায্য করে। আদার রসের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে ফেসপ্যাক হিসেবে ব্যবহার করা যায়।

চুলের যত্নে: মাথার ত্বকের খুশকি দূর করতে এবং রক্ত সঞ্চালন বাড়িয়ে চুলের বৃদ্ধি ঘটাতে আদার রস তেলের সঙ্গে মিশিয়ে লাগানো যেতে পারে।

ব্রণ দূর করতে: আদার মধ্যে থাকা অ্যান্টি-ব্যাকটেরিয়াল ব্রণের জীবাণু ধ্বংস করতে সাহায্য করে।

৩. গৃহস্থালি ও অন্যান্য কাজে

প্রাকৃতিক সুগন্ধি হিসেবে: ঘর থেকে কোনও দুর্গন্ধ দূর করতে জলে আদা ও দারচিনি ফুটিয়ে সেই বাষ্প ঘরে ছড়িয়ে দিতে পারেন। এটি এয়ার ফ্রেশনার হিসেবে কাজ করে।

খাদ্য সংরক্ষণে: মাংস ম্যারিনেট করে রাখার সময় আদা বাটা দিলে এটি মাংসকে নরম করতে সাহায্য করে এবং প্রাকৃতিক প্রিজারভেটিভ হিসেবে কাজ করে।

৪. মানসিক প্রশান্তিতে

স্ট্রেস কমাতে: সারাদিনের ক্লান্তি শেষে এক কাপ আদা চা কেবল শরীর নয়, মনকেও চাঙ্গা করতে সাহায্য করে। আদার ঘ্রাণ স্ট্রেস হরমোন কমাতে সহায়ক।

সতর্কতা: আদার রস সরাসরি ত্বকে লাগানোর আগে প্যাচ টেস্ট করে নেওয়া ভালো, কারণ সংবেদনশীল ত্বকে এতে জ্বালা করতে পারে।

Advertisement
আরও পড়ুন