weight Loss Tips

শীতে গুড়ের রসগোল্লা দেখেই খেতে ইচ্ছে করে? মিষ্টি খেয়েও ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখবেন কী ভাবে?

ছিপছিপে হওয়ার তাগিদে মিষ্টির সঙ্গে সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটাতেই হয়। কিন্তু, মিষ্টি ছাড়া যাঁদের জীবনটাই তেতো হয়ে যায়, তাঁদের কি রোগা হওয়ার কোনও উপায় নেই? পুষ্টিবিদেরা অবশ্য বলেন, মিষ্টি খেয়েও ছিপছিপে থাকা সম্ভব। তবে খেতে হবে একটু নিয়ম মেনে। সময় বুঝে।

Advertisement
আনন্দবাজার ডট কম ডেস্ক
শেষ আপডেট: ০২ জানুয়ারি ২০২৬ ১৫:৫১
মন ভরে মিষ্টি খেলেও ওজন বাড়বে না!

মন ভরে মিষ্টি খেলেও ওজন বাড়বে না! ছবি: সংগৃহীত।

রোগা হওয়ার প্রথম ধাপ মিষ্টি খাওয়া বন্ধ করে দেওয়া। অনেকেই তা করেন। রান্নায় পর্যন্ত চিনি দেওয়া হয় না। ফ্রিজে চকোলেট, মিষ্টি থাকে না। এটা ঠিক যে, মিষ্টি না খেলে ওজন ঝরানো সহজ হয়ে যায়। তবে মিষ্টি থেকে দূরে থাকা বাঙালির পক্ষে বেশ কঠিন। মিষ্টিমুখ ছাড়া কোনও অনুষ্ঠানই সম্পূর্ণ হয় না। ছিপছিপে হওয়ার তাগিদে মিষ্টির সঙ্গে সাময়িক বিচ্ছেদ ঘটাতেই হয়। কিন্তু, মিষ্টি ছাড়া যাঁদের জীবনটাই তেতো হয়ে যায়, তাঁদের কি রোগা হওয়ার কোনও উপায় নেই? পুষ্টিবিদেরা অবশ্য বলেন, মিষ্টি খেয়েও ছিপছিপে থাকা সম্ভব। তবে খেতে হবে একটু নিয়ম মেনে। সময় বুঝে।

Advertisement

১) সবার শেষে মিষ্টিমুখ: প্রথমে পেট ভরে প্রোটিন ও সব্জি খেতে হবে। প্রোটিন এবং সব্জি ‘মেটাবলিক বাফার’ হিসেবে কাজ করে। অর্থাৎ এগুলি মিষ্টি খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজের আকস্মিক বৃদ্ধি হতে বাঁধা দেয়। তাই মিষ্টিমুখ হোক শেষেই।

২) সঠিক ধরনের চকোলেট বেছে নিতে হবে। ডার্ক চকোলেট একটি স্বাস্থ্যকর বিকল্প, কারণ এতে মিল্ক বা হোয়াইট চকোলেটের তুলনায় কম চিনি থাকে। কম চিনি এবং পলিফেনল ও ফাইবারের উপস্থিতির ডার্ক চকোলেটের একটি ছোট টুকরো (১০-১৫ গ্রাম) খেলেই মিষ্টি খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা মেটে, অথচ রক্তে গ্লুকোজের উপর তেমন কোনও প্রভাব পড়ে না।

৩) শীতকাল মানেই কেক-পিঠে খেতে মন চায়। যারা খাবারে মিষ্টি দিতে হলে স্টিভিয়া, সুক্রালোজ এবং মঙ্ক ফ্রুটের মতো ক্যালোরিবিহীন মিষ্টি ব্যবহার করার করা যেতে পারে।

৪) রোগা হওয়ার ইচ্ছা থাক বা না থাক, মিষ্টি খাওয়ার সঠিক সময় হল সকালবেলা। সকালের দিকে বিপাকহার বেশি থাকে। সেই কারণে সকালে মিষ্টি খেলেও তা বাড়তি মেদের কারণ হয়ে উঠবে না। রাতে মিষ্টি খাওয়া হল সবচেয়ে অস্বাস্থ্যকর ব্যাপার। নৈশভোজে মিষ্টি খেতে বারণ করেন পুষ্টিবিদেরা।

৫) মিষ্টি খাওয়ার পর রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া নিয়ন্ত্রণে হাঁটাচলা করতে পারেন। তাই মিষ্টি খাওয়ার পরেই ঘুমোতে গেলে চলবে না। খানিক ক্ষণ হাঁটাহাঁটিও করতে হবে।

Advertisement
আরও পড়ুন