হৃদয়-বান্ধব খাবার দিয়েই হোক প্রেমদিবসের উদ্যাপন। ছবি: এআই সহায়তায় প্রণীত।
এক দিনে যাঁকে দেখে প্রেমে পড়া, যাঁকে ছাড়া এক মুহূর্ত অন্ধকার ঠেকে, সংসারের জাঁতাকলে সেই প্রেমই যেন অভ্যাস হয়ে যায়। ভালবাসা যাপনের বিষয়টা যেন রোজকারের বাজার-দোকান, অসুখ-বিসুখ, সুবিধা-অসুবিধাতেই থমকে যায়। এই প্রেম দিবসে, এক বার যদি প্রেম ঝালিয়ে নেওয়া যায়, তা মন্দ কি!
প্রেমের বয়স হোক না ৩০ কিংবা ৪০, থাক না চোখে চালসে, বরং যত্ন দিয়েও ভালবাসার প্রকাশ হয়। প্রেম দিবস উদ্যাপন হোক হৃদয়ের খেয়াল রেখে। যে মানুষটি রোজ রাঁধেন, তাঁকেও বিশেষ কিছু রেঁধে খাওয়াতে পারেন। আবার দৈনন্দিনের খাবারের বাইরে বাড়ির গৃহিণীও কর্তার শরীরের খেয়াল রেখে হৃদয়-বান্ধব খাবার দিতে পারেন। কিন্তু কেমন ভাবে বানাবেন তা?
হৃদয়-কাটলেট: ভালবাসার কাটলেটের থাকে ভালবাসার চিহ্ন। বিট দিয়েই বানিয়ে ফেলুন তা। বিট টুকরো করে মিক্সারে বেটে নিন। কড়াইয়ে অল্প তেল দিয়ে মিশ্রণটি ঢেলে নাড়াচাড়া করুন, যোগ করুন স্বাদ মতো নুন। মিশ্রণটি মাখোমাখো হলে নামিয়ে ঠান্ডা হতে দিন। যোগ করুন ভাজা জিরে গুঁড়ো, বেসন, ধনেপাতাকুচি, কাঁচালঙ্কাকুচি, অল্প ভাজা বাদামকুচি। মিশ্রণটি দিয়ে হার্টের আদল বানান। চাইলে হার্ট আকৃতির কুকি কাটার ব্যবহার করতে পারেন। বিস্কুটের গুঁড়ো মাখিয়ে এয়ার ফ্রায়ারে উল্টে-পাল্টে ভেজে নিন। তাওয়ায় সামান্য তেল দিয়েও আঁচ কমিয়ে উল্টে-পাল্টে ভাজতে পারেন। ধনেপাতার চাটনির সঙ্গে তা পরিবেশন করুন প্রেম দিবসে।
হার্ট-পোচ: জলখাবার হতেই হবে স্বাস্থ্যকর। তাই মাল্টিগ্রেন পাউরুটির মাঝখানটা হার্টের আকারের কুকি কাটার দিয়ে কেটে নিন। কড়াইয়ে সাদা তেল দিয়ে পাউরুটির এক পিঠ সেঁকে নিন। তার পর পাউরুটি উল্টে হার্টের মতো কাটা অংশে ডিম ফাটিয়ে কুসুম সহ ঢেলে দিন। সামান্য নুন, গোলমরিচ দিয়ে আঁচ কমিয়ে তাওয়াটি ঢাকা দিয়ে রাখুন ২-৩ মিনিট। তার পর পরিবেশন করুন।
হার্ট-ফল: তরমুজ, আনারস, পেঁপে— পছন্দের যে কোনও ফল হার্টের আকারের কুকি কাটার দিয়ে কেটে নিন। ফল এক ইঞ্চি চওড়া করে চৌকো করে কেটে নিন। তার উপর কুকি কাটার বসিয়ে চাপ দিলেই হৃদয় আকৃতির ফল বেরিয়ে আসবে। চাটমশলা ছড়িয়ে পরিবেশন করুন।
ভালবাসার দিনে প্রিয়জনের জন্য থাক নিঃশব্দ যত্ন, নীরব প্রতিশ্রুতি।